মিঠুন পাল, পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি
মা ইলিশের নির্বিঘ্ন প্রজনন নিশ্চিত করতে আজ মধ্যরাত থেকে সাগর ও নদীতে ইলিশ আহরণে শুরু হচ্ছে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা। নিষেধাজ্ঞার আগে গভীর সাগর থেকে পটুয়াখালীর মহিপুর ও আলিপুর মৎস্য অবতরণকেন্দ্রে ফিরতে শুরু করেছেন জেলেরা।
তবে জেলেদের অনেকের জালে ধরা পড়া ইলিশের পেটে এখনো আশানুরূপ ডিম না থাকায় হতাশা প্রকাশ করেছেন তাঁরা। এরপরও মা ইলিশের প্রজনন ও ভবিষ্যতে ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে সরকারের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে নিষেধাজ্ঞার সময়ে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকার কথা জানিয়েছেন জেলেরা।
জেলেরা বলেন, নিষেধাজ্ঞার সময়ে দেশের জলসীমায় পার্শ্ববর্তী দেশের জেলেদের অনুপ্রবেশ করে মাছ ধরার আশঙ্কা থাকে। তাই এ সময়ে বাংলাদেশের জলসীমায় প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান নিশ্চিত করার দাবি তাঁদের।
এ ছাড়া নিষেধাজ্ঞাকালীন সময়ে প্রকৃত জেলেদের জন্য সরকারি প্রণোদনার পরিমাণ বাড়ানো এবং কোনো ধরনের অনিয়ম ছাড়া তা প্রকৃত জেলেদের মধ্যে বিতরণের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
মহিপুরের এক জেলে বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞা আমরা মেনে চলব। কিন্তু আমাদের দাবি, এই সময়ে যেন অন্য দেশের জেলেরা বাংলাদেশের জলসীমায় ঢুকে মাছ ধরতে না পারে। পাশাপাশি সরকারি সহায়তাটাও যেন প্রকৃত জেলেরা পান।’
মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, নিষেধাজ্ঞার সময়ে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত ও বাজারজাতকরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। কেউ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এসব কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে সর্বোচ্চ দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড অথবা এক লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।
নিষেধাজ্ঞা সফলভাবে বাস্তবায়ন এবং মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে নদী ও সাগরে অভিযান ও নজরদারি জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
Reporter Name 






















