
স্টাফ রিপোর্টার:
মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করলেই এখন সাংবাদিকদের হতে হচ্ছে নানা ধরনের নির্যাতনের শিকার। কোথাও সাংবাদিককে মারধর, কোথাও হত্যার হুমকি, আবার সুযোগ পেলেই বাড়িতে হামলা ও লুটপাটের মতো ভয়াবহ ঘটনার অভিযোগ উঠছে। এসব ঘটনার পেছনে মূল শক্তি হিসেবে কাজ করছে মাদক সিন্ডিকেট ও তাদের আশ্রয়দাতা সন্ত্রাসী বাহিনী।
বিশেষ করে স্থানীয় পর্যায়ে মাদকের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করতে গেলেই সাংবাদিকদের ওপর নেমে আসে রাজনৈতিক চাপ। অভিযোগ রয়েছে, মাদক ব্যবসায়ী আটক হওয়ার পরপরই বিভিন্ন রাজনৈতিক পরিচয়ধারী ব্যক্তি ফোন করে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করেন। কেউ বলেন, “ও অমুক ভাইয়ের লোক”, আবার কেউ দাবি করেন, “তমুক নেতার ছত্রছায়ায় আছে।” ফলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান নিয়েও সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হয়।
সরকারের পক্ষ থেকে মাদকের বিরুদ্ধে “জিরো টলারেন্স” নীতির ঘোষণা থাকলেও বাস্তবে কিছু অসাধু রাজনৈতিক নেতা নিজেদের স্বার্থে মাদক ব্যবসায়ী, চাঁদাবাজ ও কিশোর গ্যাংকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ কারণে মাদক সিন্ডিকেট দিন দিন আরও শক্তিশালী হয়ে সমাজে ভয়াবহ প্রভাব বিস্তার করছে।
সচেতন মহলের দাবি, রাজনীতির নামে যারা মাদক ও সন্ত্রাসের সঙ্গে জড়িত, তাদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে মাদক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
তাদের মতে, সমাজ ধ্বংসের এই ভয়াবহ চক্র ভাঙতে হলে রাজনৈতিক সদিচ্ছা, প্রশাসনিক কঠোরতা এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার সুরক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি।
Reporter Name 





















