
রাজশাহী প্রতিনিধি:
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ইন্সটিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি) এর আয়োজনে তিন দিনব্যাপী ‘কেএসআই’ মডিউল বিষয়ক ‘গুণগত গবেষণা ও প্লেজারিজম হ্রাসকরণ’ শীর্ষক ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই মডিউলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান, কলা, সামাজিক বিজ্ঞানসহ সকল অনুষদের গবেষণায় প্রযোজ্য।কেএসআই মডিউল মালয়েশিয়ার পুত্রা বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিকুলামে অনার্স ও মাস্টার্স পর্যায়ে অন্তর্ভুক্ত।
বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইকিউসির কনফারেন্স রুমে ওয়ার্কশপের সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়।ওয়ার্কশপের রিসোর্স পারসন ছিলেন মালয়েশিয়া পুত্রা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন। তিন দিনব্যাপী তিনি এই ওয়ার্কশপ পরিচালনা করেন।কেএসআই মডিউল হলো একটি সুচিন্তিত একাডেমিক লেখন পদ্ধতি, যা থিসিস বা গবেষণাপত্র লেখনে কাঠামোগত ও পরিকল্পিত রোডম্যাপ প্রদান করে। এটি অনুসরণ করলে তথ্য সাজানো, শব্দের যথার্থ ব্যবহার, নিজস্ব বিশ্লেষণ এবং সঠিক কাঠামো বজায় রাখা সম্ভব হয়, ফলে প্লেজারিজম বা চৌর্যবৃত্তি কমানো যায়।প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহা. ফরিদ উদ্দীন খান বলেন, “আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় এখন গবেষণায় বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা প্রদান করছে। ওয়ার্কশপের মাধ্যমে গবেষণা লেখার ক্ষেত্রে দুর্বলতা কাটিয়ে নিজেকে সমৃদ্ধ করার সুযোগ সৃষ্টি হয়।”আইকিউসির পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আবু রেজা বলেন, “আমাদের প্রথম কাজ হলো নিজে শিখতে হবে এবং সেই জ্ঞান শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। কেএসআই মডিউল গবেষণা সুন্দরভাবে লেখায় সহায়ক।
”স্বাগত বক্তব্যে আইকিউসির সহকারী পরিচালক অধ্যাপক ড. মনিমুল ইসলাম বলেন, “কেএসআই মডিউলের মাধ্যমে গবেষণায় কিওয়ার্ড সাজানো এবং প্লেজারিজম হ্রাস করার কৌশল শেখানো হয়। এই জ্ঞান প্রয়োগ করে গবেষকরা নিজে এবং সহকর্মীদের সমৃদ্ধ করতে পারবেন।”উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. সালেহ্ হাসান নকীব বলেন, “গবেষণা পদ্ধতি প্রতিনিয়ত নতুনত্বের দিকে ধাবিত হচ্ছে। কেএসআই মডিউল গবেষণার ক্ষেত্রে নতুন দ্বার উন্মোচন করবে।”ওয়ার্কশপে অংশ নেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, বরেন্দ্র ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশে আর্মি ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি নাটোর, আহসানিয়া মিশন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি এবং রাজশাহী মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় দেড় শতাধিক শিক্ষক।
রাজশাহী 




























