Dhaka ০৭:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

গণমাধ্যমকে বিভ্রান্ত করার অভিযোগ, মনিরামপুরে আলোচনায় আবুল কালাম আজাদ

  • Reporter Name
  • সময়: ১২:২৮:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬
  • ৯০ Time View

 

মোঃ মাসুম বিল্লাল, স্টাফ রিপোর্টার:


যশোরের মনিরামপুর উপজেলার ১৩ নম্বর খানপুর ইউনিয়নের শালিকার বিল এলাকায় একটি পুরোনো ঘের পুনঃখননকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের ঘটনায় গণমাধ্যমকে বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শেখপাড়া গ্রামের মৃত আকবর দফাদারের ছেলে আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শালিকার বিলে দীর্ঘদিন আগে একটি মাছের ঘের নির্মাণ করা হয়েছিলো। সংশ্লিষ্টদের দাবি, ঘেরটি নির্মাণের সময় জমির ভেতরের মাটি খনন না করে কেবল ভেড়ির পাশের মাটি কেটে বাঁধ নির্মাণ করা হয়। পরবর্তীতে চুক্তিপত্র অনুযায়ী ঘেরটি বিলুপ্ত হওয়ার কথা থাকলেও সম্প্রতি পুনরায় কৃষি জমিতে ঘের মালিকের প্রয়োজন অনুযায়ী ঘের খননের উদ্যোগ নেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়।

এ ঘটনায় আবুল কালাম আজাদ একটি ভিডিও সাক্ষাৎকারে দৈনিক প্রজন্ম ৭১-এর সাংবাদিক শাহজান শাকিলকে জানান, সংশ্লিষ্ট ঘেরের মধ্যে তার ৪৫ শতক জমি রয়েছে। তবে এ দাবির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি ও ঘেরের পূর্ববর্তী মালিকরা,জাহিদ নামের এক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, তার নাম ধরে আবুল কালাম আজাদ বিকৃতভাবে বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন যার চরম মানহানির পর্যায়ে পড়ে।জাহিদ বলেন, চুক্তিপত্রে জোরপূর্বক স্বাক্ষর করানোর অভিযোগ তিনি করেননি, বরং ঘেরের পূর্ববর্তী মালিকদের কাছ থেকে নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে জোর করে ‘নাদাবি’ স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ ঘের মালিকগণ করেছিলেন।

অন্যদিকে জমির পূর্ববর্তী মালিকগন আব্দুল গফুর হোসেন,ইসমাইল হোসেন, ফজলুর রহমান ভিডিও সাক্ষাৎকারে নিশ্চিত ভাবে বলেন তাহাদের সংশ্লিষ্ট ঘেরের ভেতরে আবুল কালাম আজাদের কোনো জমি নেই,তাদের ভাষ্যমতে, আবুল কালাম আজাদের জমি ঘেরের বাইরে অবস্থিত এবং তিনি ঘেরের অভ্যন্তরে জমি থাকার যে দাবি করেছেন, তা সঠিক নয়।তিনি মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন,স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার সঙ্গেও কথা বলে একই ধরনের তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের দাবি, ঘেরের ভেতরে আবুল কালাম আজাদের কোনো জমি নেই।

আরও পড়ুনঃ  ভাঙ্গুড়ায় সরকারি পাটকলের জমি অভিযানে দখলদার মুক্ত ও উচ্ছেদ করল ইউয়নো আরিফুজ্জামান

অপর একজন মোতালেব হোসেন তিনিও বলেন তার তিন কাঠা জমি আছে কিন্তু তার ঘেরের মধ্যে কোন জমি নেই,সরেজমিনে যে এলাকাবাসীর তথ্য মতে জানা যায় তাহারও ঘেরের মধ্যে কোন জমি নাই প্রকৃতপক্ষে তার ভাই সিদ্দিকুর রহমানের ৩ কাঠা জমি আছে সেটাও ঘেরের বাহিরে যাহা তিনি নিজে খনন করে ঘিরে রেখেছেন।

তারা অভিযোগ করেন, তিনি গণমাধ্যমকে বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্য দিয়েছেন, যাহা (৩০ মে -২৬ ইং) শনিবার দৈনিক প্রজন্ম একাত্তর অনলাইনে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে,এই সংবাদ প্রকাশে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমের পেশাগত মান ও বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।তবে এ অভিযোগের বিষয়ে আবুল কালাম আজাদের বক্তব্য পুনরায় নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

 “বৃষ্টিতে সুখ–দুঃখ”

গণমাধ্যমকে বিভ্রান্ত করার অভিযোগ, মনিরামপুরে আলোচনায় আবুল কালাম আজাদ

সময়: ১২:২৮:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

 

মোঃ মাসুম বিল্লাল, স্টাফ রিপোর্টার:


যশোরের মনিরামপুর উপজেলার ১৩ নম্বর খানপুর ইউনিয়নের শালিকার বিল এলাকায় একটি পুরোনো ঘের পুনঃখননকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের ঘটনায় গণমাধ্যমকে বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শেখপাড়া গ্রামের মৃত আকবর দফাদারের ছেলে আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শালিকার বিলে দীর্ঘদিন আগে একটি মাছের ঘের নির্মাণ করা হয়েছিলো। সংশ্লিষ্টদের দাবি, ঘেরটি নির্মাণের সময় জমির ভেতরের মাটি খনন না করে কেবল ভেড়ির পাশের মাটি কেটে বাঁধ নির্মাণ করা হয়। পরবর্তীতে চুক্তিপত্র অনুযায়ী ঘেরটি বিলুপ্ত হওয়ার কথা থাকলেও সম্প্রতি পুনরায় কৃষি জমিতে ঘের মালিকের প্রয়োজন অনুযায়ী ঘের খননের উদ্যোগ নেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়।

এ ঘটনায় আবুল কালাম আজাদ একটি ভিডিও সাক্ষাৎকারে দৈনিক প্রজন্ম ৭১-এর সাংবাদিক শাহজান শাকিলকে জানান, সংশ্লিষ্ট ঘেরের মধ্যে তার ৪৫ শতক জমি রয়েছে। তবে এ দাবির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি ও ঘেরের পূর্ববর্তী মালিকরা,জাহিদ নামের এক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, তার নাম ধরে আবুল কালাম আজাদ বিকৃতভাবে বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন যার চরম মানহানির পর্যায়ে পড়ে।জাহিদ বলেন, চুক্তিপত্রে জোরপূর্বক স্বাক্ষর করানোর অভিযোগ তিনি করেননি, বরং ঘেরের পূর্ববর্তী মালিকদের কাছ থেকে নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে জোর করে ‘নাদাবি’ স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ ঘের মালিকগণ করেছিলেন।

অন্যদিকে জমির পূর্ববর্তী মালিকগন আব্দুল গফুর হোসেন,ইসমাইল হোসেন, ফজলুর রহমান ভিডিও সাক্ষাৎকারে নিশ্চিত ভাবে বলেন তাহাদের সংশ্লিষ্ট ঘেরের ভেতরে আবুল কালাম আজাদের কোনো জমি নেই,তাদের ভাষ্যমতে, আবুল কালাম আজাদের জমি ঘেরের বাইরে অবস্থিত এবং তিনি ঘেরের অভ্যন্তরে জমি থাকার যে দাবি করেছেন, তা সঠিক নয়।তিনি মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন,স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার সঙ্গেও কথা বলে একই ধরনের তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের দাবি, ঘেরের ভেতরে আবুল কালাম আজাদের কোনো জমি নেই।

আরও পড়ুনঃ  ভারত সফর শেষে সুস্থ দেহে দেশে ফিরলেন কবিয়াল রবিশংকর দে রুবেল

অপর একজন মোতালেব হোসেন তিনিও বলেন তার তিন কাঠা জমি আছে কিন্তু তার ঘেরের মধ্যে কোন জমি নেই,সরেজমিনে যে এলাকাবাসীর তথ্য মতে জানা যায় তাহারও ঘেরের মধ্যে কোন জমি নাই প্রকৃতপক্ষে তার ভাই সিদ্দিকুর রহমানের ৩ কাঠা জমি আছে সেটাও ঘেরের বাহিরে যাহা তিনি নিজে খনন করে ঘিরে রেখেছেন।

তারা অভিযোগ করেন, তিনি গণমাধ্যমকে বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্য দিয়েছেন, যাহা (৩০ মে -২৬ ইং) শনিবার দৈনিক প্রজন্ম একাত্তর অনলাইনে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে,এই সংবাদ প্রকাশে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমের পেশাগত মান ও বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।তবে এ অভিযোগের বিষয়ে আবুল কালাম আজাদের বক্তব্য পুনরায় নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।