
বাদশা সেকেন্দার ভুট্টো,
ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি :
নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ বালাপাড়া মৌজা এলাকার পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত জমি থেকে বালু উত্তোলন ও বিক্রির অভিযোগ উঠেছে তারই বর্গাচাষির বিরুদ্ধে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়নের মধ্য ছাতনাই গ্রামের মৃত ইউনুস আলীর পুত্র মশিয়ার রহমান মাস্টারের দক্ষিণ বালাপাড়া মৌজার অন্তর্ভুক্ত ১৭০ ও ১৭২ দাগে মোট ১.০৫ একর সম্পত্তি রয়েছে। তিনি বলেন, আমার পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত জমি আমার বাড়ি থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরে থাকায় আমি ১৭০ দাগে ৫৫ শতাংশ জমি সোভানগঞ্জ বালাপাড়া ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও উক্ত খতিয়ানের ওয়ারিশ আনাছুরের পুত্র সুলতানকে বাৎসরিক লিজ দিয়েছি।
তার অভিযোগ, বাড়ি দূরে থাকার সুযোগে তার বর্গাচাষি ১নং ওয়ার্ডের সুলতান ও তার ভাইচাচারা বর্ণিত জমি থেকে রাতের আঁধারে ছাতনাই বালাপাড়ার তৈবুলের ছেলে সাবুলের ভেকু দিয়ে অবৈধভাবে মাটি খনন ও উত্তোলন করে মাহিন্দ্র টলি দিয়ে বিক্রি করছেন।
গত ১০ মে ২০২৬ অসৎ উদ্দেশ্যে রাতে সুলতান, বকুল ও তাদের ভাই ও চাচারা মিলে জমির মাটি কেটে টলির মাধ্যমে অন্যত্র বিক্রি করছে জানতে পেরে প্রতিবাদ করলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে বিভিন্ন অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ ও ভয়ভীতির হুমকি দেন। এ ঘটনায় তিনি ডিমলা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। পরে ডিমলা থানার এসআই আবু কালাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, নিষেধ করার পরও তারা কোনো কর্ণপাত না করে আবারও রাতের অন্ধকারে বালু উত্তোলন ও বিক্রি অব্যাহত রেখেছে।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এতে আশপাশের জমি ও পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়রা জানান, নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে বালু উত্তোলন চলতে থাকলে কৃষিজমি ও স্থানীয় অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এলাকাবাসী দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, বালু উত্তোলনের ক্ষেত্রে সরকারি বিধি-বিধান অনুসরণ করা হচ্ছে কি না তা খতিয়ে দেখা জরুরি।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সুলতানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।
Reporter Name 

























