Dhaka ০৭:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
চরিত্রই ছিল তাঁর শ্রেষ্ঠ পরিচয়: কুরআন ও হাদিসের আলোকে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নরসিংদীতে গ্যাসের সংকট নিরসনে করণীয় নির্ধারনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পলাশে দলীয় পরিচয়ে জমি জবরদখল ও কাঁঠাল গাছ কাটার অভিযোগ কেরানীগঞ্জে গ্যাস সংকটে চরম দুর্ভোগ, অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্নের দাবি বেগমগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন অফিসে সেবার নতুন দিগন্ত, নাগরিকদের জন্য মিলছে নানা সুযোগ-সুবিধা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে বেশি বেশি গাছ লাগানোর বিকল্প নেই -ইউএনও, এটিএম কামরুল ইসলাম বুশরা গ্রুপের সম্পত্তি বিক্রি ঠেকাতে ডিসির কাছে আমানতকারীদের আবেদন রাসূল (সা.)সারা জাহানের জন্য রহমত স্বরূপ বুড়িচং থানায় মাদক কারবারিদের তথ্য দিতে গোপন বক্স স্থাপন, তথ্য চাইল পুলিশ ঐতিহ্যবাহী লাহিড়ী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মচারীর অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

পাহাড়ের উন্নয়নে মানবসম্পদ গঠনে প্রশিক্ষণের ওপর জোর দিতে বললেন প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

  • Reporter Name
  • সময়: ১১:০০:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৪ Time View

এম এস শ্রাবণ মাহমুদ,
স্টাফ রিপোর্টার

পাহাড়ের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে জনকল্যাণমুখী দর্শন ও চিন্তাভাবনা ধারণ করে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনমান উন্নয়নে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড গঠন করেছিলেন মহাণ স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তার মূল্য লক্ষ্য ছিলো বৈচিত্র্যময় জাতিগোষ্ঠিদের নিয়ে একটি রংধনু জাতি গঠন। তারই জনকল্যাণমুখী দর্শন ও চিন্তাভাবনা ধারণ করে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন-এমপি। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান যে দর্শন নিয়ে দেশের দায়িত্ব পালন করেছেন, সেই দর্শন আমরা যেন হারিয়ে না ফেলি। তাঁর চিন্তাভাবনার অন্যতম বিষয় ছিল মানুষের কথা বলা, দেশের মানুষের কল্যাণ এবং উন্নয়ন। রংধনুর প্রতিটি রঙ আলাদা আলাদা ভাবে সুন্দর, কিন্তু যখন এই সাতটি রঙের সংমিশ্রণ হয়, তখন অপূর্ব সুন্দর রংধনু তৈরি হয়। তেমনি পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত সকল জাতিগোষ্ঠী মিলে একটি রংধনু জাতি গঠনের পাশাপাশি সকলে মিলে এই পার্বত্যঞ্চলকে সমৃদ্ধ করবো।

রবিবার (২৩ আগস্ট)২৬ খ্রিঃ দুপুরে রাঙ্গামাটি’তে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের বাস্তবায়িত বিভিন্ন স্কিমের আওতায় তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রশিক্ষণের সনদ বিতরণ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া সামগ্রী এবং আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। পরে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায়’ও তিনি বক্তব্য দেন।

তিনি আরো বলেন, শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়ন দিয়ে একটি জাতির উন্নয়ন সম্ভব নয়। মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমেই একটি জাতি পরিপূর্ণ সমৃদ্ধ হয়। যেকোন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একদিকে যেমন মানবসম্পদ উন্নয়ন হয় অপরদিকে উদ্যেক্তাও তৈরি হয়। নতুন উদ্যেক্তা তৈরির জন্য নিত্য নতুন বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদানের আহবান জানান তিনি।

পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমা’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ছালেহ্ আহাম্মদ, পুলিশ সুপার মোঃআব্দুর রকিব, বোর্ডের সদস্য (অর্থ) সুমন বড়ুয়া, সদস্য (বাস্তবায়ন) জাহিদ ইকবাল প্রমুখ।

আরও পড়ুনঃ  চট্টগ্রামে ব্র্যান্ডেড চার খাদ্য প্রতিষ্ঠানে ৪০ লাখ টাকা জরিমানা

এই স্কিমের আওতায় গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, অডিও ভিডিও এডিটিং সহ বিভিন্ন আইসিটি বিষয়ে তিন পার্বত্য জেলার মোট ২০০ জন প্রশিক্ষণার্থীকে প্রশিক্ষণত্তোর সনদ প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, উন্নয়নের সুফল কোনো নির্দিষ্ট ধর্ম বা সম্প্রদায়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার বিষয় নয়। এ অঞ্চলের যেসব মানুষ সুবিধাবঞ্চিত, যাদের জীবনমানের উন্নয়ন প্রয়োজন, তাদের জন্য কাজ করাই উন্নয়নের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত।

তিনি বলেন, আমরা চাই এই অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন হোক। তাদের জীবন আরও স্বচ্ছ ও সুন্দর হোক। এলাকার উন্নয়ন, মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন এবং সমৃদ্ধির জন্য আমাদের কাজ করতে হবে।

জিয়াউর রহমানের দর্শনের প্রসঙ্গ টেনে ব্যারিস্টার মেইনুল হেলালউদ্দিন বলেন, এই দেশের প্রকৃত মালিক হচ্ছে এই দেশের জনগণ। আমরা জনগণের সেবক। জনগণই দেশের প্রকৃত মালিক-এই মনোভাব নিয়েই সরকারকে কাজ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়ন করলেই একটি এলাকার প্রকৃত উন্নয়ন হয় না। সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমতা প্রতিষ্ঠা, মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন এবং সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের মূলধারায় নিয়ে আসার মধ্য দিয়েই টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব।

অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমা, এনডিসি, পিএসসি, ভাইস চেয়ারম্যান আবু সালে, বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাঙ্গামাটি’র পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম, প্রশাসনের কর্মকর্তারা, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের মাঝে সনদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া সামগ্রী এবং নারীদের মধ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়।

পরে প্রতিমন্ত্রী রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসনের পরিচালিত রাঙ্গামাটি পার্কে উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক নির্মিত ওয়াচ টাওয়ার উদ্বোধন করেন। এরপর তিনি রাঙ্গামাটি প্রেস ক্লাব পরিদর্শন করে সাংবাদিকদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় করেন।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

চরিত্রই ছিল তাঁর শ্রেষ্ঠ পরিচয়: কুরআন ও হাদিসের আলোকে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম

পাহাড়ের উন্নয়নে মানবসম্পদ গঠনে প্রশিক্ষণের ওপর জোর দিতে বললেন প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

সময়: ১১:০০:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

এম এস শ্রাবণ মাহমুদ,
স্টাফ রিপোর্টার

পাহাড়ের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে জনকল্যাণমুখী দর্শন ও চিন্তাভাবনা ধারণ করে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনমান উন্নয়নে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড গঠন করেছিলেন মহাণ স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তার মূল্য লক্ষ্য ছিলো বৈচিত্র্যময় জাতিগোষ্ঠিদের নিয়ে একটি রংধনু জাতি গঠন। তারই জনকল্যাণমুখী দর্শন ও চিন্তাভাবনা ধারণ করে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন-এমপি। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান যে দর্শন নিয়ে দেশের দায়িত্ব পালন করেছেন, সেই দর্শন আমরা যেন হারিয়ে না ফেলি। তাঁর চিন্তাভাবনার অন্যতম বিষয় ছিল মানুষের কথা বলা, দেশের মানুষের কল্যাণ এবং উন্নয়ন। রংধনুর প্রতিটি রঙ আলাদা আলাদা ভাবে সুন্দর, কিন্তু যখন এই সাতটি রঙের সংমিশ্রণ হয়, তখন অপূর্ব সুন্দর রংধনু তৈরি হয়। তেমনি পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত সকল জাতিগোষ্ঠী মিলে একটি রংধনু জাতি গঠনের পাশাপাশি সকলে মিলে এই পার্বত্যঞ্চলকে সমৃদ্ধ করবো।

রবিবার (২৩ আগস্ট)২৬ খ্রিঃ দুপুরে রাঙ্গামাটি’তে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের বাস্তবায়িত বিভিন্ন স্কিমের আওতায় তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রশিক্ষণের সনদ বিতরণ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া সামগ্রী এবং আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। পরে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায়’ও তিনি বক্তব্য দেন।

তিনি আরো বলেন, শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়ন দিয়ে একটি জাতির উন্নয়ন সম্ভব নয়। মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমেই একটি জাতি পরিপূর্ণ সমৃদ্ধ হয়। যেকোন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একদিকে যেমন মানবসম্পদ উন্নয়ন হয় অপরদিকে উদ্যেক্তাও তৈরি হয়। নতুন উদ্যেক্তা তৈরির জন্য নিত্য নতুন বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদানের আহবান জানান তিনি।

পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমা’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ছালেহ্ আহাম্মদ, পুলিশ সুপার মোঃআব্দুর রকিব, বোর্ডের সদস্য (অর্থ) সুমন বড়ুয়া, সদস্য (বাস্তবায়ন) জাহিদ ইকবাল প্রমুখ।

আরও পড়ুনঃ  কালিয়াকৈরে তীব্র গ্যাস সংকটে পোশাক শিল্প কারখানা উৎপাদনে অচল হাজারো শ্রমিক বেকার

এই স্কিমের আওতায় গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, অডিও ভিডিও এডিটিং সহ বিভিন্ন আইসিটি বিষয়ে তিন পার্বত্য জেলার মোট ২০০ জন প্রশিক্ষণার্থীকে প্রশিক্ষণত্তোর সনদ প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, উন্নয়নের সুফল কোনো নির্দিষ্ট ধর্ম বা সম্প্রদায়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার বিষয় নয়। এ অঞ্চলের যেসব মানুষ সুবিধাবঞ্চিত, যাদের জীবনমানের উন্নয়ন প্রয়োজন, তাদের জন্য কাজ করাই উন্নয়নের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত।

তিনি বলেন, আমরা চাই এই অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন হোক। তাদের জীবন আরও স্বচ্ছ ও সুন্দর হোক। এলাকার উন্নয়ন, মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন এবং সমৃদ্ধির জন্য আমাদের কাজ করতে হবে।

জিয়াউর রহমানের দর্শনের প্রসঙ্গ টেনে ব্যারিস্টার মেইনুল হেলালউদ্দিন বলেন, এই দেশের প্রকৃত মালিক হচ্ছে এই দেশের জনগণ। আমরা জনগণের সেবক। জনগণই দেশের প্রকৃত মালিক-এই মনোভাব নিয়েই সরকারকে কাজ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়ন করলেই একটি এলাকার প্রকৃত উন্নয়ন হয় না। সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমতা প্রতিষ্ঠা, মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন এবং সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের মূলধারায় নিয়ে আসার মধ্য দিয়েই টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব।

অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমা, এনডিসি, পিএসসি, ভাইস চেয়ারম্যান আবু সালে, বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাঙ্গামাটি’র পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম, প্রশাসনের কর্মকর্তারা, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের মাঝে সনদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া সামগ্রী এবং নারীদের মধ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়।

পরে প্রতিমন্ত্রী রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসনের পরিচালিত রাঙ্গামাটি পার্কে উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক নির্মিত ওয়াচ টাওয়ার উদ্বোধন করেন। এরপর তিনি রাঙ্গামাটি প্রেস ক্লাব পরিদর্শন করে সাংবাদিকদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় করেন।