Dhaka ১২:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
ক্রিকেটের পর ফুটবলেও ডার্ক নাইট প্রথম ফুটবল ম্যাচেই ২–১ গোলে জয় বকশীগঞ্জে কিশোরের রহস্যজনক মৃত্যু নবীনগরে নোটিশ ছাড়াই নির্মাণাধীন সড়কের পাশে সীমানা প্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিউ জার্সির ৭ম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্টে বেনেট এগিয়ে, নতুন জরিপে কিয়ানকে পেছনে ফেলেছেন সরিষাবাড়িতে নজরুল বর্ষ-২০২৬ উদযাপন গোদাগাড়ীর ওসি সুজন মিঞা পেলেন বিশেষ পুরস্কার মেট্রোরেলের নির্মাণ ব্যয়: একটি তুলনামূলক পর্যালোচনা From Local 6 Business Agent to SAG-AFTRA Executive Director: The Remarkable Career of Brian Lysell লোকাল ৬-এর বিজনেস এজেন্ট থেকে SAG-AFTRA-এর নির্বাহী পরিচালক: ব্রায়ান লাইসেলের অসাধারণ কর্মজীবন জার্সি সিটির কোরাই কিচেন: ঘরোয়া বাংলাদেশি স্বাদের জাতীয় স্বীকৃতি
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

কলেজে যাওয়ার কথা বলে বের হওয়ার পর নিখোঁজ, ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি

  • Reporter Name
  • সময়: ০৭:৫০:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৬ Time View

চট্টগ্রাম নগরীর দক্ষিণ হালিশহর থেকে বেপজা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের এক ছাত্রী নিখোঁজ হওয়ার পর তাঁর পরিবারের কাছে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছে।

মিথিলা নামের ওই কলেজছাত্রীর পরিবারের অভিযোগ, থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পর অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন করে জিডি তুলে নিতে হুমকি দেওয়া হয়। মুক্তিপণ না দিলে মেয়েকে ক্ষতি করার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

মিথিলার পরিবার জানায়, কলেজের ইউনিফর্ম পরে বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকে তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। পরে পরিবারের কাছে ফোন ও অনলাইনের মাধ্যমে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। ৫ লাখ টাকা দাবি করা হলেও কোথায় গিয়ে টাকা দিতে হবে, তা জানানো হয়নি। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানায় পরিবার।

ভুক্তভোগীর ভাই হৃদয় বলেন, মিথিলা নিখোঁজ হওয়ার পর তাঁরা বন্দর থানায় একটি জিডি করেন। জিডি করার পর তাঁর মোবাইল ফোনে ‘ব্রিলিয়ান্ট অ্যাপস’ নামে একটি ভিওআইপি নম্বর থেকে কল আসে। ওই কল থেকে জিডি তুলে নিতে বলা হয় এবং ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

হৃদয় বলেন, ‘জিডি করার পরও অপরিচিত একটি নম্বর থেকে ফোন করে আমাকে জিডি তুলে নিতে বলা হয়। একই সঙ্গে ৫ লাখ টাকা দাবি করা হয়। বিষয়টি আমি নিখোঁজ জিডির তদন্ত কর্মকর্তাকে জানিয়েছি।’

মিথিলার বাবা মো. নাসির উদ্দীন বলেন, ‘কলেজের ইউনিফর্ম পরে মেয়েটা ঘর থেকে বের হয়েছিল। এরপর আর কোনো খোঁজ পাইনি। অনলাইনের মাধ্যমে মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছে। পাঁচ লাখ টাকার মধ্যে এক লাখ টাকা দিতে রাজি হলেও তারা কোথায় নিয়ে গিয়ে এসব টাকা দিতে হবে, সেটি জানায়নি।’

নাসির উদ্দীন আরও বলেন, তিনি হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত। কয়েক দফা ফোন করে মেয়েকে নানাভাবে হয়রানি এবং মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়েছে। এসব ঘটনায় তাঁর পরিবার উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে।

আরও পড়ুনঃ  মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব এলাকায় দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ

মিথিলার পরিবার সূত্রে জানা গেছে, পরিবারের সঙ্গে নগরীর দক্ষিণ হালিশহর এলাকায় থাকেন তিনি। নিখোঁজের ঘটনায় বন্দর থানায় জিডি করার পর পুলিশ মিথিলার সন্ধানে কাজ শুরু করেছে।

নিখোঁজের ঘটনায় করা জিডির তদন্ত কর্মকর্তা খায়রুল বাশার সাজিদ জানান, ‘সম্ভাব্য সব ক্লু পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই করে ভুক্তভোগীকে খুঁজে বের করার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। একই সঙ্গে তাঁর পরিবারের কাছে অপহরণকারীদের পক্ষ থেকে করা কলটির ফরেনসিক বিশ্লেষণ এবং এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।’

তিনি আরও বলেন, ঘটনাটি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে এবং মিথিলাকে উদ্ধারে পুলিশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুর রহিম বলেন, শিক্ষার্থী নিখোঁজের জিডি হওয়ার পরপরই পুলিশ কাজ শুরু করেছে। মুক্তিপণ দাবির বিষয়টিও যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। সব বিষয় এখনো তদন্তাধীন রয়েছে।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

ক্রিকেটের পর ফুটবলেও ডার্ক নাইট প্রথম ফুটবল ম্যাচেই ২–১ গোলে জয়

কলেজে যাওয়ার কথা বলে বের হওয়ার পর নিখোঁজ, ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি

সময়: ০৭:৫০:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চট্টগ্রাম নগরীর দক্ষিণ হালিশহর থেকে বেপজা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের এক ছাত্রী নিখোঁজ হওয়ার পর তাঁর পরিবারের কাছে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছে।

মিথিলা নামের ওই কলেজছাত্রীর পরিবারের অভিযোগ, থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পর অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন করে জিডি তুলে নিতে হুমকি দেওয়া হয়। মুক্তিপণ না দিলে মেয়েকে ক্ষতি করার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

মিথিলার পরিবার জানায়, কলেজের ইউনিফর্ম পরে বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকে তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। পরে পরিবারের কাছে ফোন ও অনলাইনের মাধ্যমে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। ৫ লাখ টাকা দাবি করা হলেও কোথায় গিয়ে টাকা দিতে হবে, তা জানানো হয়নি। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানায় পরিবার।

ভুক্তভোগীর ভাই হৃদয় বলেন, মিথিলা নিখোঁজ হওয়ার পর তাঁরা বন্দর থানায় একটি জিডি করেন। জিডি করার পর তাঁর মোবাইল ফোনে ‘ব্রিলিয়ান্ট অ্যাপস’ নামে একটি ভিওআইপি নম্বর থেকে কল আসে। ওই কল থেকে জিডি তুলে নিতে বলা হয় এবং ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

হৃদয় বলেন, ‘জিডি করার পরও অপরিচিত একটি নম্বর থেকে ফোন করে আমাকে জিডি তুলে নিতে বলা হয়। একই সঙ্গে ৫ লাখ টাকা দাবি করা হয়। বিষয়টি আমি নিখোঁজ জিডির তদন্ত কর্মকর্তাকে জানিয়েছি।’

মিথিলার বাবা মো. নাসির উদ্দীন বলেন, ‘কলেজের ইউনিফর্ম পরে মেয়েটা ঘর থেকে বের হয়েছিল। এরপর আর কোনো খোঁজ পাইনি। অনলাইনের মাধ্যমে মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছে। পাঁচ লাখ টাকার মধ্যে এক লাখ টাকা দিতে রাজি হলেও তারা কোথায় নিয়ে গিয়ে এসব টাকা দিতে হবে, সেটি জানায়নি।’

নাসির উদ্দীন আরও বলেন, তিনি হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত। কয়েক দফা ফোন করে মেয়েকে নানাভাবে হয়রানি এবং মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়েছে। এসব ঘটনায় তাঁর পরিবার উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে।

আরও পড়ুনঃ  নকল সিগারেটে সাড়ে ৭২ কোটি ভ্যাট ফাঁকি, গোয়েন্দা জালে ভারগো টোব্যাকো

মিথিলার পরিবার সূত্রে জানা গেছে, পরিবারের সঙ্গে নগরীর দক্ষিণ হালিশহর এলাকায় থাকেন তিনি। নিখোঁজের ঘটনায় বন্দর থানায় জিডি করার পর পুলিশ মিথিলার সন্ধানে কাজ শুরু করেছে।

নিখোঁজের ঘটনায় করা জিডির তদন্ত কর্মকর্তা খায়রুল বাশার সাজিদ জানান, ‘সম্ভাব্য সব ক্লু পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই করে ভুক্তভোগীকে খুঁজে বের করার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। একই সঙ্গে তাঁর পরিবারের কাছে অপহরণকারীদের পক্ষ থেকে করা কলটির ফরেনসিক বিশ্লেষণ এবং এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।’

তিনি আরও বলেন, ঘটনাটি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে এবং মিথিলাকে উদ্ধারে পুলিশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুর রহিম বলেন, শিক্ষার্থী নিখোঁজের জিডি হওয়ার পরপরই পুলিশ কাজ শুরু করেছে। মুক্তিপণ দাবির বিষয়টিও যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। সব বিষয় এখনো তদন্তাধীন রয়েছে।