Dhaka ০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াত দিবসে সুনামগঞ্জ জেলা শিল্প কলা একাডেমীর শ্রদ্ধার্ঘ নিবেদন ভবানী ভবনে হাজিরা দিলেন– অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর পি এ সুমিত রায় চন্দনাইশে উত্তর বরকল এলাকাবাসীর উদ্যোগে মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত কালিয়াকৈরে জাতীয় রোবোটিক্স উৎসব ” রোবোফিউশন ১.০” চট্টগ্রামে বেওয়ারিশ মানবসেবা বৃদ্ধাশ্রমের বাসিন্দাদের নিয়ে ‘এক মুঠো ভালোবাসা’ শীর্ষক মানবিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে নান্দনিক চট্টলা ভালুকার ডাকাতিয়া ইউনিয়নে মহিলা দলের কর্মী সম্মেলন লুণ্ঠিত মালামাল ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার; প্রযুক্তিনির্ভর তদন্তে সাফল্য ঝিনাইদহ ডিবির গোয়ালন্দে ছুরিকাঘাতে যুবলীগ নেতার মৃত্যু গোদাগাড়ীতে বিরল রোগে ভুগছে ২ বছরের অবোধ শিশু, চিকিৎসার অভাবে নিভতে বসেছে শিশু মায়েসার জীবন সাহায্যের হাত বাড়ানোর আকুল আবেদন পরিবেশের ভারসম্য রক্ষায় সবুজায়ন বৃদ্ধি জরুরি —- এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পি
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

কারারক্ষী রাসেলের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ

  • Reporter Name
  • সময়: ১০:৪৭:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৩ Time View

 

মো: গোলাম কিবরিয়া,
​রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি


রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দীদের জিম্মি করে টাকা দাবি এবং শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে এক সিনিয়র সহকারী কারারক্ষীর বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত কারারক্ষীর নাম রাসেল (ব্যাচ নং-১৮৭২), যিনি বন্দীদের কাছে “সিআইডি রাসেল” নামে পরিচিত। টাকা না দিলে খাবার বন্ধ করে দেওয়া, মারধর করা এবং অতিরিক্ত খাটুনির হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী বন্দী ও তাদের স্বজনরা।
​কারাগারের মূল প্রতিপাদ্য “রাখিব নিরাপদ, দেখাবো আলোর পথ”—এর উল্টো চিত্র ফুটে উঠেছে ভুক্তভোগীদের বর্ণনায়। গোপনে পরিবারের কাছে ফোন করে আকুতি জানিয়ে একাধিক কারাবন্দী অভিযোগ করেন, অভিযুক্ত রাসেল সামান্যতম কথা কাটাকাটিতেই অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। দাবি করা টাকা দিলে তার আচরণ স্বাভাবিক থাকলেও টাকা না পেলেই শুরু হয় নির্যাতন।
​ভুক্তভোগী এক বন্দীর স্বজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমাদের স্বজনরা ভেতরে বিন্দুমাত্র নিরাপদ নয়। ওই কারারক্ষী নিয়মিত টাকা চায়। টাকা না পাঠালে খাবার বন্ধ করে দেওয়া, মারপিট করা আর কঠিন কাজের ভয় দেখানো হয়। বাধ্য হয়ে ধার-দেনা করে টাকা পাঠাতে হচ্ছে।”
​এই ঘটনার পর থেকে কারাগারের সাধারণ বন্দীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অন্যায্য এই জুলুম থেকে বাঁচতে অনেকে পরিবারকে চাপ দিয়ে টাকা আনিয়ে অভিযুক্ত কারারক্ষীকে দিতে বাধ্য হচ্ছেন।
​আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মীরা এই ঘটনাকে মৌলিক মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, কারাগার সংস্কার আইন অনুযায়ী প্রতিটি বন্দীর নিরাপত্তা ও মানবিক আচরণ পাওয়ার পূর্ণ অধিকার রয়েছে। ঘটনাটির দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষী কারারক্ষীর বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
​এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার আল মামুন বলেন, “কারাগারের ভেতরে বন্দীদের ওপর নির্যাতন বা অর্থ দাবির কোনো সুযোগ নেই। লিখিত অভিযোগ পেলে বা তদন্তে ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কারারক্ষীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আরও পড়ুনঃ  দুই দিনের সরকারি সফরে ঢাকায় সৌদি উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়ালিদ এলখেরেজি
Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াত দিবসে সুনামগঞ্জ জেলা শিল্প কলা একাডেমীর শ্রদ্ধার্ঘ নিবেদন

কারারক্ষী রাসেলের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ

সময়: ১০:৪৭:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬

 

মো: গোলাম কিবরিয়া,
​রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি


রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দীদের জিম্মি করে টাকা দাবি এবং শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে এক সিনিয়র সহকারী কারারক্ষীর বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত কারারক্ষীর নাম রাসেল (ব্যাচ নং-১৮৭২), যিনি বন্দীদের কাছে “সিআইডি রাসেল” নামে পরিচিত। টাকা না দিলে খাবার বন্ধ করে দেওয়া, মারধর করা এবং অতিরিক্ত খাটুনির হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী বন্দী ও তাদের স্বজনরা।
​কারাগারের মূল প্রতিপাদ্য “রাখিব নিরাপদ, দেখাবো আলোর পথ”—এর উল্টো চিত্র ফুটে উঠেছে ভুক্তভোগীদের বর্ণনায়। গোপনে পরিবারের কাছে ফোন করে আকুতি জানিয়ে একাধিক কারাবন্দী অভিযোগ করেন, অভিযুক্ত রাসেল সামান্যতম কথা কাটাকাটিতেই অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। দাবি করা টাকা দিলে তার আচরণ স্বাভাবিক থাকলেও টাকা না পেলেই শুরু হয় নির্যাতন।
​ভুক্তভোগী এক বন্দীর স্বজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমাদের স্বজনরা ভেতরে বিন্দুমাত্র নিরাপদ নয়। ওই কারারক্ষী নিয়মিত টাকা চায়। টাকা না পাঠালে খাবার বন্ধ করে দেওয়া, মারপিট করা আর কঠিন কাজের ভয় দেখানো হয়। বাধ্য হয়ে ধার-দেনা করে টাকা পাঠাতে হচ্ছে।”
​এই ঘটনার পর থেকে কারাগারের সাধারণ বন্দীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অন্যায্য এই জুলুম থেকে বাঁচতে অনেকে পরিবারকে চাপ দিয়ে টাকা আনিয়ে অভিযুক্ত কারারক্ষীকে দিতে বাধ্য হচ্ছেন।
​আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মীরা এই ঘটনাকে মৌলিক মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, কারাগার সংস্কার আইন অনুযায়ী প্রতিটি বন্দীর নিরাপত্তা ও মানবিক আচরণ পাওয়ার পূর্ণ অধিকার রয়েছে। ঘটনাটির দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষী কারারক্ষীর বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
​এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার আল মামুন বলেন, “কারাগারের ভেতরে বন্দীদের ওপর নির্যাতন বা অর্থ দাবির কোনো সুযোগ নেই। লিখিত অভিযোগ পেলে বা তদন্তে ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কারারক্ষীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আরও পড়ুনঃ  কৃতি শিক্ষার্থীরাই আগামীদিনে দেশের নেতৃত্ব দিবে মনজুর এলাহী এমপি