Dhaka ০১:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
জুয়া প্রতিরোধে সংসদে বিল, সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ডের বিধান বিশ্বকাপ ম্যাচ দেখতে গিয়ে পদদলনে নিহত ১, আহত অন্তত ৮ জলবায়ু ক্ষয়ক্ষতি তহবিল দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সৌদিতে এক বছরে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর ১০০ জনে পৌঁছেছে বিশ্ব দরবারে দেশের মর্যাদা, সম্মান ও দৃঢ় অবস্থান নিশ্চিত করছেন প্রধানমন্ত্রী ডাকাতের কথায় নিরপরাধ ব্যবসায়ীকে ফাঁসানোর অভিযোগ, নবীনগরে সংবাদ সম্মেলন হাসপাতালে ঢুকে প্রবাসী ব্যবসায়ীকে পিটুনি, পা ভেঙে গৃহবধূকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ কাহারোলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ১১ জনকে অর্থদণ্ড রেকর্ড গড়ার দৌড়ে রোনালদো, ইতিহাসে নতুন অধ্যায় লেখার সুযোগ ট্রেনের ছাদে ভ্রমণকালে ব্রিজের লোহার সঙ্গে ধাক্কায় যুবক নিহত
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

ডাকাতের কথায় নিরপরাধ ব্যবসায়ীকে ফাঁসানোর অভিযোগ, নবীনগরে সংবাদ সম্মেলন

  • Reporter Name
  • সময়: ১১:১১:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
  • ৯ Time View

সঞ্জয় শীল, নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর পৌর এলাকার আলীয়াবাদ উত্তর পাড়া নতুন মসজিদ সংলগ্ন ভেন্ডার বাড়ি থেকে নবীনগর বাজারের ব্যবসায়ী মো. কামাল মিয়াকে ডাকাতির অভিযোগে গ্রেফতার ও হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, এক ডাকাতের কথার ভিত্তিতে কোনো তদন্ত ছাড়াই তাকে পুলিশ গ্রেফতার করে মামলায় জড়ানো হয়েছে।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার (২৩ জুন ২০২৬) সকালে ভুক্তভোগীর নিজ বাড়িতে পরিবারের সদস্যরা সংবাদ সম্মেলন করে তার নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন এবং পুলিশের কর্মকাণ্ডের বিষয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, গত ১৯ জুন ২০২৬ গভীর রাতে গ্রেফতারি পরোয়ানা ছাড়াই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদরের পুলিশের একটি দল মো. কামাল মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় তাকে ও তার স্ত্রী পাপিয়া বেগমকে ঘুম থেকে তুলে নেওয়া হয়। পরে স্ত্রীকে ছেড়ে দিলেও মো. কামাল মিয়াকে ডাকাতির মামলায় ৪ নম্বর আসামি হিসেবে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।

ভুক্তভোগীর ছেলে অপু অভিযোগ করে বলেন, তাদের বাড়ি থেকে তুলে নেওয়ার পরও পরে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেড্ডা এলাকা থেকে গ্রেফতার দেখানো হয়। সিসিটিভি ফুটেজে বিষয়টি প্রমাণ রয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।

পাপিয়া বেগম অভিযোগ করেন, রাত আনুমানিক ৩টার দিকে পুলিশ তাদের বাড়িতে প্রবেশ করে তল্লাশি চালায়, মোবাইল ফোন কেড়ে নেয় এবং ঘর তছনছ করে। পরে তাদের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাওয়া হয় এবং স্বামীর খোঁজে হয়রানি করা হয়।

মো. কামাল মিয়ার ছোট ভাই রুবেল মিয়া বলেন, “আমার ভাই একজন নিরপরাধ ব্যবসায়ী। কোনো তদন্ত ছাড়াই তাকে হয়রানি করে ডাকাতির মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। আমরা তার নিঃশর্ত মুক্তি এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি।”

পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, ঘটনাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তারা এ বিষয়ে তদন্তপূর্বক দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

আরও পড়ুনঃ  ‘মিথ্যাচার নয়, চাই শিষ্টাচার’—মণিরামপুরে যুবদলের প্রতিবাদ কর্মসূচি
Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

জুয়া প্রতিরোধে সংসদে বিল, সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ডের বিধান

ডাকাতের কথায় নিরপরাধ ব্যবসায়ীকে ফাঁসানোর অভিযোগ, নবীনগরে সংবাদ সম্মেলন

সময়: ১১:১১:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

সঞ্জয় শীল, নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর পৌর এলাকার আলীয়াবাদ উত্তর পাড়া নতুন মসজিদ সংলগ্ন ভেন্ডার বাড়ি থেকে নবীনগর বাজারের ব্যবসায়ী মো. কামাল মিয়াকে ডাকাতির অভিযোগে গ্রেফতার ও হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, এক ডাকাতের কথার ভিত্তিতে কোনো তদন্ত ছাড়াই তাকে পুলিশ গ্রেফতার করে মামলায় জড়ানো হয়েছে।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার (২৩ জুন ২০২৬) সকালে ভুক্তভোগীর নিজ বাড়িতে পরিবারের সদস্যরা সংবাদ সম্মেলন করে তার নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন এবং পুলিশের কর্মকাণ্ডের বিষয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, গত ১৯ জুন ২০২৬ গভীর রাতে গ্রেফতারি পরোয়ানা ছাড়াই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদরের পুলিশের একটি দল মো. কামাল মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় তাকে ও তার স্ত্রী পাপিয়া বেগমকে ঘুম থেকে তুলে নেওয়া হয়। পরে স্ত্রীকে ছেড়ে দিলেও মো. কামাল মিয়াকে ডাকাতির মামলায় ৪ নম্বর আসামি হিসেবে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।

ভুক্তভোগীর ছেলে অপু অভিযোগ করে বলেন, তাদের বাড়ি থেকে তুলে নেওয়ার পরও পরে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেড্ডা এলাকা থেকে গ্রেফতার দেখানো হয়। সিসিটিভি ফুটেজে বিষয়টি প্রমাণ রয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।

পাপিয়া বেগম অভিযোগ করেন, রাত আনুমানিক ৩টার দিকে পুলিশ তাদের বাড়িতে প্রবেশ করে তল্লাশি চালায়, মোবাইল ফোন কেড়ে নেয় এবং ঘর তছনছ করে। পরে তাদের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাওয়া হয় এবং স্বামীর খোঁজে হয়রানি করা হয়।

মো. কামাল মিয়ার ছোট ভাই রুবেল মিয়া বলেন, “আমার ভাই একজন নিরপরাধ ব্যবসায়ী। কোনো তদন্ত ছাড়াই তাকে হয়রানি করে ডাকাতির মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। আমরা তার নিঃশর্ত মুক্তি এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি।”

পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, ঘটনাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তারা এ বিষয়ে তদন্তপূর্বক দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

আরও পড়ুনঃ  চন্দনাইশে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী পালিত