Dhaka ০১:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
ডিমলায় তিস্তা ও বুড়িতিস্তা প্রকল্প পরিদর্শনে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ময়মনসিংহ ধৌবাউড়ার আঃ খালেক এর বিরুদ্ধে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ সাউথ এশিয়ান প্যারেড ৯ আগস্ট জ‍্যাকসন হাইটসে গভীর রাতে শীর্ষ মাদক কারবারিদের বৈঠক জনদুর্ভোগ কমাতে নিজস্ব অর্থায়নে কুলবাড়িয়া-মাগুরখালী সড়ক সংস্কার করলেন চেয়ারম্যান হেলাল ইসকন অন্নমিত্র ফাউন্ডেশন এর মেগা কিচেনের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নরসিংদীর মনোহরদীতে জমি-সংক্রান্ত বিরোধে লাঠির আঘাতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার মৃত্যু বকশীগঞ্জে জলাবদ্ধ কৃষিজমি পরিদর্শনে বিএনপি নেতা শাকিল জয়পুরহাটে হানাইল নো’মানিয়া কামিল মাদ্রাসার গভর্নিং বডি নির্বাচন বাতিল ও অনিয়ম তদন্তের দাবি গোদাগাড়ীতে যুবককে মারধর, মোবাইল ভাঙচুর ও স্বর্ণালংকার হারানোর অভিযোগ; থানায় জিডি
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

ডিমলায় তিস্তা ও বুড়িতিস্তা প্রকল্প পরিদর্শনে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

  • Reporter Name
  • সময়: ১১:০২:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬
  • ২১ Time View

 

বাদশা সেকেন্দার ভুট্টো,
ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি:


নীলফামারী জেলা ডিমলা উপজেলা তিস্তা নদী ও বুড়িতিস্তা প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করলেন বাংলাদেশ সরকারের মাননীয়
পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ পরিদর্শন শেষে বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরকারের প্রস্তুতি এগিয়ে চলছে। কারিগরি কমিটি ইতোমধ্যে তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে এবং তা পর্যালোচনা করে দ্রুত বাস্তবায়নের উপায় খোঁজা হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সবকিছু অনুকূলে থাকলে চলতি বছরের শেষ দিকে অন্তত পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে তিস্তা মহাপরিকল্পনার দৃশ্যমান অগ্রগতি শুরু হবে।
শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার বুড়িতিস্তা সেচ প্রকল্প এবং তিস্তা নদীর ভাঙনকবলিত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, তিস্তা অববাহিকার মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। এ অঞ্চলের উন্নয়ন ও নদী ব্যবস্থাপনায় মহাপরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

পরিদর্শনের সময় দীর্ঘদিন ধরে স্থাবির হয়ে থাকা বুড়িতিস্তা সেচ প্রকল্পের বিভিন্ন আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতা নিয়েও আলোচনা করেন তিনি। ১৯৬৭ সালে শুরু হওয়া এ প্রকল্পের প্রায় ১৩০ কোটি টাকার পুনর্খনন কাজ নানা জটিলতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে আটকে রয়েছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং অন্যান্য পক্ষের সঙ্গে বৈঠক করে মামলা প্রত্যাহারসহ সব জটিলতার সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে দ্রুত প্রকল্পের কাজ শুরু করা যায়।

এদিকে ডিমলার ঝুনাগাছ চাপানী এলাকায় তিস্তার ভয়াবহ ভাঙন সরেজমিনে দেখে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ও টিউব ব্যাগ ফেলার নির্দেশ দেন।
নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য হলো কোনো মানুষের বসতভিটা বা কৃষিজমি যেন নদীগর্ভে বিলীন না হয়। এ জন্য প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা দ্রুত গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন। এলাকায় পরিদর্শন সময় পানি উন্নয় বিভাগের কর্মকর্তা স্হানীয় রাজনৈতিক দলের নেতা, কৃষক, সংবাদকর্মী ছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  নোয়াখালীতে স্কুলছাত্রী ধর্ষণে অভিযুক্ত প্রাইেভেট শিক্ষিকার বাবার ফাঁসির দাবিতে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ
Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

ডিমলায় তিস্তা ও বুড়িতিস্তা প্রকল্প পরিদর্শনে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

ডিমলায় তিস্তা ও বুড়িতিস্তা প্রকল্প পরিদর্শনে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

সময়: ১১:০২:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

 

বাদশা সেকেন্দার ভুট্টো,
ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি:


নীলফামারী জেলা ডিমলা উপজেলা তিস্তা নদী ও বুড়িতিস্তা প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করলেন বাংলাদেশ সরকারের মাননীয়
পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ পরিদর্শন শেষে বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরকারের প্রস্তুতি এগিয়ে চলছে। কারিগরি কমিটি ইতোমধ্যে তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে এবং তা পর্যালোচনা করে দ্রুত বাস্তবায়নের উপায় খোঁজা হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সবকিছু অনুকূলে থাকলে চলতি বছরের শেষ দিকে অন্তত পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে তিস্তা মহাপরিকল্পনার দৃশ্যমান অগ্রগতি শুরু হবে।
শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার বুড়িতিস্তা সেচ প্রকল্প এবং তিস্তা নদীর ভাঙনকবলিত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, তিস্তা অববাহিকার মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। এ অঞ্চলের উন্নয়ন ও নদী ব্যবস্থাপনায় মহাপরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

পরিদর্শনের সময় দীর্ঘদিন ধরে স্থাবির হয়ে থাকা বুড়িতিস্তা সেচ প্রকল্পের বিভিন্ন আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতা নিয়েও আলোচনা করেন তিনি। ১৯৬৭ সালে শুরু হওয়া এ প্রকল্পের প্রায় ১৩০ কোটি টাকার পুনর্খনন কাজ নানা জটিলতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে আটকে রয়েছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং অন্যান্য পক্ষের সঙ্গে বৈঠক করে মামলা প্রত্যাহারসহ সব জটিলতার সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে দ্রুত প্রকল্পের কাজ শুরু করা যায়।

এদিকে ডিমলার ঝুনাগাছ চাপানী এলাকায় তিস্তার ভয়াবহ ভাঙন সরেজমিনে দেখে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ও টিউব ব্যাগ ফেলার নির্দেশ দেন।
নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য হলো কোনো মানুষের বসতভিটা বা কৃষিজমি যেন নদীগর্ভে বিলীন না হয়। এ জন্য প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা দ্রুত গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন। এলাকায় পরিদর্শন সময় পানি উন্নয় বিভাগের কর্মকর্তা স্হানীয় রাজনৈতিক দলের নেতা, কৃষক, সংবাদকর্মী ছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  ঢাকার মঞ্চে প্রথমবার পারফর্ম করতে আসছেন পাকিস্তানি র‍্যাপার হাসান রহিম