Dhaka ১০:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
বীরগঞ্জে ধানক্ষেত থেকে কিশোরের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার নবীনগরে সুরসম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁর ১৬৪তম জন্মবার্ষিকী আজ কালীগঞ্জে দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত শিবপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, দুই মিষ্টান্ন ভান্ডারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা মধ্যরাত থেকে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা, সাগর ছাড়ছেন জেলেরা তাহিরপুরে ক্রিকেটের বল নিয়ে ৫ গ্রামের সংঘর্ষ, আহত ২০, বাড়িতে অগ্নিসংযোগ চন্দনাইশে ইউপি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী যাচাই-বাছাই কমিটির জরুরি সভা ও সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত কেশবপুরে পৃথক অভিযানে ৫ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার ডিমলায় আগাম আমন ধান ঘরে তোলার উৎসব পাইকগাছায় জমজমাট গদাইপুরের চারার হাট
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

ঢাকায় হত্যার পর ডিমলায় মাটিচাপা কিশোরের লাশ উদ্ধার

  • Reporter Name
  • সময়: ০৭:০৮:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ৮৩ Time View

বাদশা সেকেন্দার ভুট্টো, ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি

ঢাকায় নিজ কক্ষে রাকিব ইসলাম (১৭) নামে এক কিশোরকে হত্যার পর তার মরদেহ কার্টনে ভরে নীলফামারীর ডিমলায় এনে মাটিচাপা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আব্দুল্লাহ মামুন নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। হত্যার পর ঢাকায় ফিরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে রাকিব জীবিত রয়েছে—এমন ভিডিও তৈরি করে পরিবারের কাছে পাঠিয়ে মুক্তিপণ দাবির অভিযোগও রয়েছে।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে ডিমলার বালাপাড়া ইউনিয়নের ছাতনাই বালাপাড়া গ্রামের বসুনিয়াপাড়া এলাকা থেকে রাকিবের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নীলফামারী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

চার লাখ টাকা দিয়েও ছেলেকে ফেরত পায়নি পরিবার

নিহত রাকিব ইসলাম টাঙ্গাইলের গোপালপুর থানার হামনগর ইউনিয়নের উদ্যমপুর গ্রামের খাদেমুল ইসলামের দ্বিতীয় ছেলে।

রাকিবের ভাই জহুরুল ইসলাম জীবন জানান, রাকিবকে জীবিত ফেরত দেওয়ার কথা বলে আব্দুল্লাহ মামুন তাদের কাছে কয়েক লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। ছেলেকে জীবিত ফিরে পাওয়ার আশায় পরিবার চার লাখ টাকা দিলেও রাকিবকে আর ফেরত দেওয়া হয়নি।

পরে বিষয়টি জানিয়ে রাকিবের পরিবার ঢাকার সংশ্লিষ্ট থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। তদন্তের একপর্যায়ে গত ৩ অক্টোবর ঢাকায় অভিযান চালিয়ে আব্দুল্লাহ মামুনকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানা গেছে।

পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি সামনে আসে। মামুনকে গ্রেপ্তারের পর রাকিবের পরিবার ঢাকার কাফরুল থানায় একটি মামলা দায়ের করে। মামলাটির ডিএমপি মামলা নম্বর-০৫, তারিখ ৫ অক্টোবর ২০২৬।

কার্টনে করে মরদেহ আনা হয় ডিমলায়

পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মামুনকে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের ছাতনাই বালাপাড়া গ্রামে নেওয়া হয়। তার দেখানো স্থান অনুযায়ী রাকিবের মরদেহ মাটিচাপা দেওয়ার জায়গাটি শনাক্ত করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  টেকনাফে পৃথক অভিযানে ৫ লাখ ৯০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৩

পরে আদালতের নির্দেশে মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে ওই স্থান থেকে রাকিবের মরদেহ উদ্ধার করে ডিমলা থানায় নেওয়া হয়।

পুলিশের কাছে দেওয়া তথ্যে মামুন দাবি করেছেন, হত্যার পর রাকিবের মরদেহ একটি কার্টনে ভরে বাসা থেকে বের হন তিনি। পরে ঢাকার কল্যাণপুরে গিয়ে রংপুরগামী একটি গাড়িতে ওঠেন। যাত্রাপথে কার্টনের ভেতরে কী আছে জানতে চাইলে সেখানে ইলিশ মাছ রয়েছে বলে জানান।

রংপুরে পৌঁছে লোকাল বাসে করে ডিমলায় আসেন মামুন। পরে মরদেহটি নিজ বাড়িতে নিয়ে গিয়ে বসতবাড়ির দক্ষিণ পাশে সুপারি বাগানে কার্টনসহ মাটিচাপা দিয়ে রাখেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানিয়েছেন।

বন্ধুত্বের সূত্রে পরিচয়, পরে হত্যার অভিযোগ

ঘটনার সূত্রে জানা যায়, ঢাকার ধানমন্ডি এলাকার শুক্রাবাদে রাকিবের সঙ্গে আব্দুল্লাহ মামুনের পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

মামুনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ১৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় ঢাকার একটি কক্ষে দুজনের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। একপর্যায়ে রাকিবকে হত্যা করা হয় বলে পুলিশকে জানিয়েছেন মামুন।

আরও দুজনের সম্পৃক্ততার তথ্য

জিজ্ঞাসাবাদে মামুন রতন (২৬) ও নুর জামাল (২৫) নামে আরও দুই ব্যক্তির জড়িত থাকার কথা জানিয়েছেন বলে জানা গেছে। তাদের বাড়ি দিনাজপুরে বলে জানা গেছে।

তবে রতন ও নুর জামালের সম্পৃক্ততা কী পর্যায়ে এবং তারা কীভাবে এ ঘটনায় জড়িত—তা এখনো তদন্তাধীন।

এআই ভিডিও তৈরি করে মুক্তিপণের অভিযোগ

এদিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে রাকিবকে জীবিত দেখিয়ে ভিডিও তৈরি এবং সেই ভিডিও পরিবারের কাছে পাঠিয়ে মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ ঘটনাটিকে আরও আলোচনায় এনেছে।

পরিবারের দাবি, ছেলেকে জীবিত ফিরে পাওয়ার আশায় তারা চার লাখ টাকা দিলেও শেষ পর্যন্ত রাকিবকে ফিরে পাননি।

পুলিশ বলছে, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ, মুক্তিপণের অর্থ লেনদেন, এআই ভিডিও তৈরির বিষয়টি এবং রতন ও নুর জামালসহ অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা ছিল কি না—এসব বিষয় তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে ঘটনায় আরও তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  স্বর্ণের লোভে ড্রিল মেশিনে মাথা ফুটো করে হত্যা, আসামির যাবজ্জীবন

যা বলছে ডিমলা থানা

ডিমলা থানার অফিসার ইনচার্জ আশরাফুল ইসলাম বলেন, অপহরণ ও হত্যা বিষয়ে ঢাকার ডিএমপির কাফরুল থানায় একটি মামলা হয়েছে। আসামিকে গ্রেপ্তার করে ডিমলা থানায় নিয়ে এসে মরদেহ উত্তোলনে সহযোগিতা চাওয়া হয়।

তিনি বলেন, ডিমলা থানা পুলিশ মরদেহ উত্তোলনে সহযোগিতা করেছে। পরে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নীলফামারী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

বীরগঞ্জে ধানক্ষেত থেকে কিশোরের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

ঢাকায় হত্যার পর ডিমলায় মাটিচাপা কিশোরের লাশ উদ্ধার

সময়: ০৭:০৮:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

বাদশা সেকেন্দার ভুট্টো, ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি

ঢাকায় নিজ কক্ষে রাকিব ইসলাম (১৭) নামে এক কিশোরকে হত্যার পর তার মরদেহ কার্টনে ভরে নীলফামারীর ডিমলায় এনে মাটিচাপা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আব্দুল্লাহ মামুন নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। হত্যার পর ঢাকায় ফিরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে রাকিব জীবিত রয়েছে—এমন ভিডিও তৈরি করে পরিবারের কাছে পাঠিয়ে মুক্তিপণ দাবির অভিযোগও রয়েছে।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে ডিমলার বালাপাড়া ইউনিয়নের ছাতনাই বালাপাড়া গ্রামের বসুনিয়াপাড়া এলাকা থেকে রাকিবের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নীলফামারী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

চার লাখ টাকা দিয়েও ছেলেকে ফেরত পায়নি পরিবার

নিহত রাকিব ইসলাম টাঙ্গাইলের গোপালপুর থানার হামনগর ইউনিয়নের উদ্যমপুর গ্রামের খাদেমুল ইসলামের দ্বিতীয় ছেলে।

রাকিবের ভাই জহুরুল ইসলাম জীবন জানান, রাকিবকে জীবিত ফেরত দেওয়ার কথা বলে আব্দুল্লাহ মামুন তাদের কাছে কয়েক লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। ছেলেকে জীবিত ফিরে পাওয়ার আশায় পরিবার চার লাখ টাকা দিলেও রাকিবকে আর ফেরত দেওয়া হয়নি।

পরে বিষয়টি জানিয়ে রাকিবের পরিবার ঢাকার সংশ্লিষ্ট থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। তদন্তের একপর্যায়ে গত ৩ অক্টোবর ঢাকায় অভিযান চালিয়ে আব্দুল্লাহ মামুনকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানা গেছে।

পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি সামনে আসে। মামুনকে গ্রেপ্তারের পর রাকিবের পরিবার ঢাকার কাফরুল থানায় একটি মামলা দায়ের করে। মামলাটির ডিএমপি মামলা নম্বর-০৫, তারিখ ৫ অক্টোবর ২০২৬।

কার্টনে করে মরদেহ আনা হয় ডিমলায়

পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মামুনকে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের ছাতনাই বালাপাড়া গ্রামে নেওয়া হয়। তার দেখানো স্থান অনুযায়ী রাকিবের মরদেহ মাটিচাপা দেওয়ার জায়গাটি শনাক্ত করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  মধুপুরে স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, দুইজনের যাবজ্জীবন

পরে আদালতের নির্দেশে মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে ওই স্থান থেকে রাকিবের মরদেহ উদ্ধার করে ডিমলা থানায় নেওয়া হয়।

পুলিশের কাছে দেওয়া তথ্যে মামুন দাবি করেছেন, হত্যার পর রাকিবের মরদেহ একটি কার্টনে ভরে বাসা থেকে বের হন তিনি। পরে ঢাকার কল্যাণপুরে গিয়ে রংপুরগামী একটি গাড়িতে ওঠেন। যাত্রাপথে কার্টনের ভেতরে কী আছে জানতে চাইলে সেখানে ইলিশ মাছ রয়েছে বলে জানান।

রংপুরে পৌঁছে লোকাল বাসে করে ডিমলায় আসেন মামুন। পরে মরদেহটি নিজ বাড়িতে নিয়ে গিয়ে বসতবাড়ির দক্ষিণ পাশে সুপারি বাগানে কার্টনসহ মাটিচাপা দিয়ে রাখেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানিয়েছেন।

বন্ধুত্বের সূত্রে পরিচয়, পরে হত্যার অভিযোগ

ঘটনার সূত্রে জানা যায়, ঢাকার ধানমন্ডি এলাকার শুক্রাবাদে রাকিবের সঙ্গে আব্দুল্লাহ মামুনের পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

মামুনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ১৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় ঢাকার একটি কক্ষে দুজনের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। একপর্যায়ে রাকিবকে হত্যা করা হয় বলে পুলিশকে জানিয়েছেন মামুন।

আরও দুজনের সম্পৃক্ততার তথ্য

জিজ্ঞাসাবাদে মামুন রতন (২৬) ও নুর জামাল (২৫) নামে আরও দুই ব্যক্তির জড়িত থাকার কথা জানিয়েছেন বলে জানা গেছে। তাদের বাড়ি দিনাজপুরে বলে জানা গেছে।

তবে রতন ও নুর জামালের সম্পৃক্ততা কী পর্যায়ে এবং তারা কীভাবে এ ঘটনায় জড়িত—তা এখনো তদন্তাধীন।

এআই ভিডিও তৈরি করে মুক্তিপণের অভিযোগ

এদিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে রাকিবকে জীবিত দেখিয়ে ভিডিও তৈরি এবং সেই ভিডিও পরিবারের কাছে পাঠিয়ে মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ ঘটনাটিকে আরও আলোচনায় এনেছে।

পরিবারের দাবি, ছেলেকে জীবিত ফিরে পাওয়ার আশায় তারা চার লাখ টাকা দিলেও শেষ পর্যন্ত রাকিবকে ফিরে পাননি।

পুলিশ বলছে, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ, মুক্তিপণের অর্থ লেনদেন, এআই ভিডিও তৈরির বিষয়টি এবং রতন ও নুর জামালসহ অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা ছিল কি না—এসব বিষয় তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে ঘটনায় আরও তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  ভোলাহাটে সৎ ছেলের ছুরিকাঘাতে সৎ মায়ের মৃত্যু

যা বলছে ডিমলা থানা

ডিমলা থানার অফিসার ইনচার্জ আশরাফুল ইসলাম বলেন, অপহরণ ও হত্যা বিষয়ে ঢাকার ডিএমপির কাফরুল থানায় একটি মামলা হয়েছে। আসামিকে গ্রেপ্তার করে ডিমলা থানায় নিয়ে এসে মরদেহ উত্তোলনে সহযোগিতা চাওয়া হয়।

তিনি বলেন, ডিমলা থানা পুলিশ মরদেহ উত্তোলনে সহযোগিতা করেছে। পরে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নীলফামারী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।