
(নিজস্ব প্রতিবেদক:)
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল থানার ওসির কক্ষে তোলা বলে দাবি করা একটি এআই বা ডিজিটালভাবে সম্পাদিত ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়াকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ বলছে, ছবিটি বিভ্রান্তিকর এবং এর মাধ্যমে পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের অপচেষ্টা চালানো হয়েছে।
ভাইরাল ছবিতে দেখা যায়, নাচোল থানার ওসির কক্ষে এক যুবক ওসির চেয়ারে বসে আছেন এবং তার চারপাশে কয়েকজন পুলিশ সদস্য হাতজোড় করে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। ছবিটি ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। স্থানীয় সচেতন মহল এ ধরনের বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট তৈরি ও প্রচারকারীদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। তাদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বা ডিজিটাল প্রযুক্তির অপব্যবহার করে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। এ ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা নেয় নাচোল থানা পুলিশ। সরেজমিনে নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুকোমল চন্দ্র দেবনাথের নেতৃত্বে এবং এসআই মো. খাইরুল ইসলামের সহযোগিতায় মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুর প্রায় ২টা ৩০ মিনিটে ফতেপুর গ্রামের মো. শহিদুল ইসলামের ছেলে পারভেজকে আটক করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ সুকোমল চন্দ্র দেবনাথ বলেন, “মাদক, চুরি, ছিনতাইসহ সব ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে পুলিশ প্রশাসন সর্বদা সজাগ রয়েছে। সে যত বড় অপরাধীই হোক না কেন, কোনো অপরাধীকেই ছাড় দেওয়া হবে না। বিভ্রান্তিকর তথ্য ও গুজব ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টার বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” পুলিশের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে দায়িত্বশীল হওয়ার পাশাপাশি বিভ্রান্তিকর ও ভুয়া তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
Reporter Name 






















