Dhaka ০১:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

পটুয়াখালী রাঙ্গাবালীতে জমিজমার বিরোধে কবর ভাঙচুর ও গাছ কাটার অভিযোগ

  • Reporter Name
  • সময়: ১০:৩৩:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬
  • ১২৭ Time View

 

সাব্বির কাজী,রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি :


পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে রাতের আঁধারে গাছপালা কর্তন, জমি দখলের চেষ্টা, কবর ভাঙচুর এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার ভোর রাতে উপজেলার ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের তিল্লা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্তরা হলেন তিল্লা গ্রামের মৃত মকরম আলী খলিফার ছেলে ছত্তার খলিফা, সুলতান খলিফার ছেলে সাইদুল খলিফা ও মিজানুর খলিফা এবং লাল মিয়া খলিফার ছেলে তৈয়ব খলিফা।অভিযোগকারী শহিদুল মৃধা বলেন, আমরা প্রায় ৩০-৩৫ বছর আগে এই জমি কিনেছি। আগে এখানে রাস্তার পাশে একটি ডোবা ছিল। পরে আমরা এটিকে পারিবারিক কবরস্থান হিসেবে ব্যবহার করি। এখন তারা এসে দাবি করছে জমি তাদের এবং আমাদের এখানে থাকতে দেবে না। রাতে এসে হামলা চালিয়েছে। আমরা এর বিচার চাই।

স্থানীয় শাকিল মৃধা বলেন, আমার বাবা প্রায় ৫০ বছর আগে অভিযুক্তদের সঙ্গে এওয়াজ বদলের মাধ্যমে জমিটি নিয়েছিলেন। পরে জমির রেকর্ডও করা হয় এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে রোয়েদাত সম্পন্ন হয়। পরবর্তীতে আমরা জায়গাটি পারিবারিক কবরস্থান হিসেবে নির্ধারণ করি। এখানে আমাদের বাবা-চাচাসহ পরিবারের অনেক সদস্য দাফন আছেন। এক সপ্তাহ আগে মৃধা বাড়ির কবরস্থান নামে একটি সাইনবোর্ড লাগানোর পর থেকেই অভিযুক্তরা আমাদের হুমকি দিতে থাকে। গত রাতে তারা কবরস্থানের সাইনবোর্ড ও আশপাশের গাছপালা কেটে ফেলে এবং দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কবর খোঁড়ার চেষ্টা করে।

স্থানীয় হাসান মৃধা বলেন, ভোর রাতে একদল লোক কবরস্থান খুঁড়ে দখলের চেষ্টা করেছে এবং ছোট ছোট গাছ কেটে ফেলেছে। আমরা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

এ বিষয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসিম উদ্দিন বলেন, মৌখিক অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুনঃ  গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম
Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

 “বৃষ্টিতে সুখ–দুঃখ”

পটুয়াখালী রাঙ্গাবালীতে জমিজমার বিরোধে কবর ভাঙচুর ও গাছ কাটার অভিযোগ

সময়: ১০:৩৩:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

 

সাব্বির কাজী,রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি :


পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে রাতের আঁধারে গাছপালা কর্তন, জমি দখলের চেষ্টা, কবর ভাঙচুর এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার ভোর রাতে উপজেলার ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের তিল্লা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্তরা হলেন তিল্লা গ্রামের মৃত মকরম আলী খলিফার ছেলে ছত্তার খলিফা, সুলতান খলিফার ছেলে সাইদুল খলিফা ও মিজানুর খলিফা এবং লাল মিয়া খলিফার ছেলে তৈয়ব খলিফা।অভিযোগকারী শহিদুল মৃধা বলেন, আমরা প্রায় ৩০-৩৫ বছর আগে এই জমি কিনেছি। আগে এখানে রাস্তার পাশে একটি ডোবা ছিল। পরে আমরা এটিকে পারিবারিক কবরস্থান হিসেবে ব্যবহার করি। এখন তারা এসে দাবি করছে জমি তাদের এবং আমাদের এখানে থাকতে দেবে না। রাতে এসে হামলা চালিয়েছে। আমরা এর বিচার চাই।

স্থানীয় শাকিল মৃধা বলেন, আমার বাবা প্রায় ৫০ বছর আগে অভিযুক্তদের সঙ্গে এওয়াজ বদলের মাধ্যমে জমিটি নিয়েছিলেন। পরে জমির রেকর্ডও করা হয় এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে রোয়েদাত সম্পন্ন হয়। পরবর্তীতে আমরা জায়গাটি পারিবারিক কবরস্থান হিসেবে নির্ধারণ করি। এখানে আমাদের বাবা-চাচাসহ পরিবারের অনেক সদস্য দাফন আছেন। এক সপ্তাহ আগে মৃধা বাড়ির কবরস্থান নামে একটি সাইনবোর্ড লাগানোর পর থেকেই অভিযুক্তরা আমাদের হুমকি দিতে থাকে। গত রাতে তারা কবরস্থানের সাইনবোর্ড ও আশপাশের গাছপালা কেটে ফেলে এবং দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কবর খোঁড়ার চেষ্টা করে।

স্থানীয় হাসান মৃধা বলেন, ভোর রাতে একদল লোক কবরস্থান খুঁড়ে দখলের চেষ্টা করেছে এবং ছোট ছোট গাছ কেটে ফেলেছে। আমরা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

এ বিষয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসিম উদ্দিন বলেন, মৌখিক অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুনঃ  গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম