Dhaka ০৫:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
বৃষ্টির মধ্যেও থেমে নেই বৃষ্টি। ৬ ঘণ্টায় ঢাকায় ৭৬ মিলিমিটার বৃষ্টি, জলাবদ্ধতায় চরম ভোগান্তি টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে প্রাণহানি বেড়ে ৪৪, ক্ষতিগ্রস্ত ১০ লাখের বেশি মানুষ ডুমুরিয়ার খর্নিয়ায় নদী খননের বেড়িবাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত: পাশে দাঁড়িয়ে প্রশংসনীয় উপজেলা প্রশাসন ঝিনাইদহের মহেশপুরে র‍্যাবের অভিযান, ৬৬৪ বোতল মাদকসহ যুবক গ্রেফতার হামলার ক্ষতিপূরণ চায় ইরান, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে গেল রাঙ্গামাটির ফারুয়া বাজার, বিচ্ছিন্ন যোগাযোগে দুর্ভোগে হাজারো মানুষ পপি ও বিষ্ণুপুর থানার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, ন্যায়বিচারের দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ নাজিমগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী বৃন্দের সাথে মতবিনিময় করলেন নবাগত অফিসার ইনচার্জ মোঃ শহিদুল ইসলাম চরভদ্রাসনে ইয়াবা সেবনের অভিযোগে গ্রেফতার তিন যুবকের তিন মাসের কারাদণ্ড
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

রাঙামাটির গর্ব, জাতীয় মঞ্চে একের পর এক সাফল্য

  • Reporter Name
  • সময়: ১০:৫১:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৬০ Time View

মোঃ সোহেল রানা, রাঙ্গামাটি জেলা প্রতিনিধি:

পার্বত্য জেলা রাঙামাটির সাংস্কৃতিক অঙ্গনে উদীয়মান নৃত্যশিল্পী হিসেবে ইতোমধ্যে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে তাজিম রহমান। অল্প বয়সেই জাতীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় ধারাবাহিক সাফল্য অর্জনের মাধ্যমে সে রাঙামাটির নাম উজ্জ্বল করে চলেছে।

তাজিম রহমান বর্তমানে মুজাদ্দেদ-ই-আলফেসানী একাডেমি উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী (রোল নম্বর–১০)। তার বাড়ি সাং দক্ষিণ ফরেস্ট কলোনি, কোতোয়ালি থানা, রাঙামাটি জেলায়। তার পিতা মোঃ বদিউল আলম।
শৈশবকাল থেকেই নৃত্যের প্রতি তাজিমের বিশেষ আগ্রহ লক্ষ্য করা যায়। নিয়মিত অনুশীলন, শিক্ষক ও পরিবারের সার্বিক সহযোগিতায় সে আজ জাতীয় পর্যায়ে একজন সম্ভাবনাময় নৃত্যশিল্পী হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

এক নজরে তাজিম রহমানের অর্জন-
শিক্ষা পদক ২০২২ : স্বর্ণপদক (একক অভিনয়)
প্রতিভা অন্বেষণ ২০২৩ : দ্বিতীয় স্থান (নৃত্য পরিবেশনা)
শিক্ষা পদক ২০২৪ : স্বর্ণপদক (নৃত্য পরিবেশনা)
শাপলা কুঁড়ি ২০২৫ : তৃতীয় স্থান (লোকনৃত্য)
ভোরের পাখি ২০২৬ : চ্যাম্পিয়ন (সৃজনশীল নৃত্য)
ভোরের পাখি ২০২৬ : দ্বিতীয় স্থান (লোকনৃত্য)

সাম্প্রতিক সময়ে ভোরের পাখি নৃত্যকলা কেন্দ্র আয়োজিত জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় সৃজনশীল নৃত্যে চ্যাম্পিয়ন হয়ে নতুন করে আলোচনায় আসে তাজিম রহমান। একই আসরে লোকনৃত্য বিভাগে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে তার বহুমুখী প্রতিভার স্বাক্ষর রাখে।

সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্টজনরা মনে করেন, ভবিষ্যতে তাজিম রহমান বাংলাদেশের নৃত্যাঙ্গনে একজন গুরুত্বপূর্ণ শিল্পী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবে।

মুজাদ্দেদ-ই-আলফেসানী একাডেমি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ নুরুল কবির বলেন,“তাজিম রহমান আমাদের বিদ্যালয়ের জন্য গর্বের নাম। পড়াশোনার পাশাপাশি নৃত্যের মতো সৃজনশীল ও শৃঙ্খলাবদ্ধ ক্ষেত্রে তার এই সাফল্য সত্যিই প্রশংসনীয়। অল্প বয়সেই তার নিষ্ঠা ও আত্মবিশ্বাস অন্য শিক্ষার্থীদের জন্য অনুকরণীয়। আমরা বিশ্বাস করি, সে একদিন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে প্রতিনিধিত্ব করবে।”

তাজিম রহমান জানায়,“আমি ভবিষ্যতে একজন পেশাদার নৃত্যশিল্পী হয়ে দেশ ও সংস্কৃতিকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরতে চাই।”

আরও পড়ুনঃ  ভাঙ্গুড়ায় মহিলা ফাজিল মাদরাসা অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচন অনুষ্ঠিত

তার পিতা মোঃ বদিউল আলম বলেন,“একজন বাবা হিসেবে সন্তানের এই সাফল্য আমার জন্য গর্ব ও আনন্দের। ছোটবেলা থেকেই নৃত্যের প্রতি তার গভীর আগ্রহ ছিল। পরিবার হিসেবে আমরা সবসময় তার পড়াশোনার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক চর্চায় সহযোগিতা করেছি। জাতীয় পর্যায়ে তার এই অর্জন আমাদের পরিশ্রমকে সার্থক করেছে।”

তাজিম রহমানের এই ধারাবাহিক সাফল্যে পরিবার, শিক্ষক, সহপাঠীসহ রাঙামাটিবাসী গর্বিত। তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছেন সাংস্কৃতিক অঙ্গনের সংশ্লিষ্টরা।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

বৃষ্টির মধ্যেও থেমে নেই বৃষ্টি।

রাঙামাটির গর্ব, জাতীয় মঞ্চে একের পর এক সাফল্য

সময়: ১০:৫১:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

মোঃ সোহেল রানা, রাঙ্গামাটি জেলা প্রতিনিধি:

পার্বত্য জেলা রাঙামাটির সাংস্কৃতিক অঙ্গনে উদীয়মান নৃত্যশিল্পী হিসেবে ইতোমধ্যে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে তাজিম রহমান। অল্প বয়সেই জাতীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় ধারাবাহিক সাফল্য অর্জনের মাধ্যমে সে রাঙামাটির নাম উজ্জ্বল করে চলেছে।

তাজিম রহমান বর্তমানে মুজাদ্দেদ-ই-আলফেসানী একাডেমি উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী (রোল নম্বর–১০)। তার বাড়ি সাং দক্ষিণ ফরেস্ট কলোনি, কোতোয়ালি থানা, রাঙামাটি জেলায়। তার পিতা মোঃ বদিউল আলম।
শৈশবকাল থেকেই নৃত্যের প্রতি তাজিমের বিশেষ আগ্রহ লক্ষ্য করা যায়। নিয়মিত অনুশীলন, শিক্ষক ও পরিবারের সার্বিক সহযোগিতায় সে আজ জাতীয় পর্যায়ে একজন সম্ভাবনাময় নৃত্যশিল্পী হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

এক নজরে তাজিম রহমানের অর্জন-
শিক্ষা পদক ২০২২ : স্বর্ণপদক (একক অভিনয়)
প্রতিভা অন্বেষণ ২০২৩ : দ্বিতীয় স্থান (নৃত্য পরিবেশনা)
শিক্ষা পদক ২০২৪ : স্বর্ণপদক (নৃত্য পরিবেশনা)
শাপলা কুঁড়ি ২০২৫ : তৃতীয় স্থান (লোকনৃত্য)
ভোরের পাখি ২০২৬ : চ্যাম্পিয়ন (সৃজনশীল নৃত্য)
ভোরের পাখি ২০২৬ : দ্বিতীয় স্থান (লোকনৃত্য)

সাম্প্রতিক সময়ে ভোরের পাখি নৃত্যকলা কেন্দ্র আয়োজিত জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় সৃজনশীল নৃত্যে চ্যাম্পিয়ন হয়ে নতুন করে আলোচনায় আসে তাজিম রহমান। একই আসরে লোকনৃত্য বিভাগে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে তার বহুমুখী প্রতিভার স্বাক্ষর রাখে।

সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্টজনরা মনে করেন, ভবিষ্যতে তাজিম রহমান বাংলাদেশের নৃত্যাঙ্গনে একজন গুরুত্বপূর্ণ শিল্পী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবে।

মুজাদ্দেদ-ই-আলফেসানী একাডেমি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ নুরুল কবির বলেন,“তাজিম রহমান আমাদের বিদ্যালয়ের জন্য গর্বের নাম। পড়াশোনার পাশাপাশি নৃত্যের মতো সৃজনশীল ও শৃঙ্খলাবদ্ধ ক্ষেত্রে তার এই সাফল্য সত্যিই প্রশংসনীয়। অল্প বয়সেই তার নিষ্ঠা ও আত্মবিশ্বাস অন্য শিক্ষার্থীদের জন্য অনুকরণীয়। আমরা বিশ্বাস করি, সে একদিন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে প্রতিনিধিত্ব করবে।”

তাজিম রহমান জানায়,“আমি ভবিষ্যতে একজন পেশাদার নৃত্যশিল্পী হয়ে দেশ ও সংস্কৃতিকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরতে চাই।”

আরও পড়ুনঃ  ইসলামি ঐতিহ্য ও সমকালীন শিক্ষা, কামরাঙ্গীরচরে দ্বীনি শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে দারুল উলুম ইসলামনগর মাদ্রাসা: এক অনন্য বাতিঘর

তার পিতা মোঃ বদিউল আলম বলেন,“একজন বাবা হিসেবে সন্তানের এই সাফল্য আমার জন্য গর্ব ও আনন্দের। ছোটবেলা থেকেই নৃত্যের প্রতি তার গভীর আগ্রহ ছিল। পরিবার হিসেবে আমরা সবসময় তার পড়াশোনার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক চর্চায় সহযোগিতা করেছি। জাতীয় পর্যায়ে তার এই অর্জন আমাদের পরিশ্রমকে সার্থক করেছে।”

তাজিম রহমানের এই ধারাবাহিক সাফল্যে পরিবার, শিক্ষক, সহপাঠীসহ রাঙামাটিবাসী গর্বিত। তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছেন সাংস্কৃতিক অঙ্গনের সংশ্লিষ্টরা।