Dhaka ০৭:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
লালমনিরহাট সদরে প্রকল্পের রক্ষক যখন ভক্ষক, পিআইওর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ রোহিঙ্গা সংকট ছাড়িয়েছে মানবিকতার গণ্ডি, যুক্ত হয়েছে নিরাপত্তা ও অভিবাসন উদ্বেগ আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বিদেশে পালানোর আশঙ্কা, যুবলীগের সাবেক চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ও স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি ও সুরক্ষা সংবিধানে নিশ্চিত করা হবে চাঁদা না পেয়ে পিস্তল তাক, পরে তিন রাউন্ড ফাঁকা গুলি বুড়িচংয়ের কংশনগর বাজারে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি,দুই রেস্টুরেন্টকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা খুলনায় তিন শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারকে বিদায় সংবর্ধনা মসজিদের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুপারিশ সংসদীয় কমিটির শিমু হত্যা মামলায় ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকের সাক্ষ্য, আত্মপক্ষ শুনানি ২৬ অক্টোবর
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

কালিয়াকৈরে এলপিজির তীব্র সংকট, বাড়তি দামেও মিলছে না গ্যাস

  • Reporter Name
  • সময়: ০৮:০২:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ২১ Time View

শাকিল হোসেন, কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে তীব্র এলপিজি গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। বাড়তি দাম দিয়েও মিলছে না সিলিন্ডার। উপজেলার হরতকিতলা, আমতলা, মাইওয়ান, চন্দ্রা, পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর ও মৌচাকসহ বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ সংকটে অনেক ডিলার পয়েন্ট ও দোকান বন্ধ রয়েছে। এতে পোশাক কারখানার শ্রমিকসহ বিভিন্ন পেশার নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের রান্নাবান্না নিয়ে চরম ভোগান্তি দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এক সপ্তাহ আগেও কালিয়াকৈর বাজারে ১২ কেজি ওজনের এলপিজি সিলিন্ডার ১ হাজার ৬৫০ থেকে ১ হাজার ৭০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। তখন সরবরাহও স্বাভাবিক ছিল। তবে গত সপ্তাহের শুরু থেকে হঠাৎ সরবরাহ কমতে থাকে। সপ্তাহের শেষদিকে সংকট আরও তীব্র হয়ে ওঠে।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. সাইদুর রহমান বলেন, কয়েক দিন আগেও ১ হাজার ৫০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকার মধ্যে এলপিজি পাওয়া যেত। এখন কিছু ব্যবসায়ী ২ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৬০০ টাকা পর্যন্ত দামে সিলিন্ডার বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তার ভাষ্য, নিম্নআয়ের সাধারণ শ্রমিকদের পক্ষে এত বেশি দামে গ্যাস কেনা সম্ভব নয়। বাজার মনিটরিং করে দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

স্থানীয়দের দাবি, রোববার এলপিজির নতুন মূল্য নির্ধারণের আগেই বাজারে থাকা কিছু সিলিন্ডার ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা হয়েছে। এরপর গত তিন-চার দিন ধরে বাজারে এলপিজির সরবরাহ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। বাড়তি দাম দিতে রাজি থাকলেও অনেকেই সিলিন্ডার সংগ্রহ করতে পারছেন না।

হরতকিতলা গ্রামের বাসিন্দা কলিম উদ্দিন বলেন, তিনি জি-গ্যাস ব্যবহার করেন। গত দুই সপ্তাহ ধরে বাজারে জি-গ্যাসের সরবরাহ নেই। গ্যাসের সন্ধানে তাকে একাধিক দোকানে ঘুরতে হচ্ছে। তিনি বলেন, শহরের অধিকাংশ মানুষ ফ্ল্যাটবাড়িতে বসবাস করেন। সেখানে কাঠ বা খড়ি দিয়ে রান্নার সুযোগ নেই। ফলে এলপিজিই তাদের প্রধান ভরসা। বাজারে গ্যাস না থাকায় রান্না নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা।

আরও পড়ুনঃ  ছোটদের মাঝে ফুটবল বিতরণ করলেন কাউন্সিলর প্রার্থী সালাউদ্দিন ভূঁইয়া

দুবাই-বাংলা এলপিজির পরিবেশক মতিয়ার রহমান বলেন, সরকারিভাবে প্রতি সিলিন্ডারের দাম ২১২ টাকা বাড়ানো হলেও বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি। সরবরাহ না থাকায় দোকান বন্ধ রাখতে হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, বসুন্ধরা ও ওমেরা এলপিজির ক্ষেত্রেও একই অবস্থা বিরাজ করছে। কবে নাগাদ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে, তা নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না পরিবেশকেরা।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

লালমনিরহাট সদরে প্রকল্পের রক্ষক যখন ভক্ষক, পিআইওর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

কালিয়াকৈরে এলপিজির তীব্র সংকট, বাড়তি দামেও মিলছে না গ্যাস

সময়: ০৮:০২:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

শাকিল হোসেন, কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে তীব্র এলপিজি গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। বাড়তি দাম দিয়েও মিলছে না সিলিন্ডার। উপজেলার হরতকিতলা, আমতলা, মাইওয়ান, চন্দ্রা, পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর ও মৌচাকসহ বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ সংকটে অনেক ডিলার পয়েন্ট ও দোকান বন্ধ রয়েছে। এতে পোশাক কারখানার শ্রমিকসহ বিভিন্ন পেশার নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের রান্নাবান্না নিয়ে চরম ভোগান্তি দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এক সপ্তাহ আগেও কালিয়াকৈর বাজারে ১২ কেজি ওজনের এলপিজি সিলিন্ডার ১ হাজার ৬৫০ থেকে ১ হাজার ৭০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। তখন সরবরাহও স্বাভাবিক ছিল। তবে গত সপ্তাহের শুরু থেকে হঠাৎ সরবরাহ কমতে থাকে। সপ্তাহের শেষদিকে সংকট আরও তীব্র হয়ে ওঠে।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. সাইদুর রহমান বলেন, কয়েক দিন আগেও ১ হাজার ৫০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকার মধ্যে এলপিজি পাওয়া যেত। এখন কিছু ব্যবসায়ী ২ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৬০০ টাকা পর্যন্ত দামে সিলিন্ডার বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তার ভাষ্য, নিম্নআয়ের সাধারণ শ্রমিকদের পক্ষে এত বেশি দামে গ্যাস কেনা সম্ভব নয়। বাজার মনিটরিং করে দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

স্থানীয়দের দাবি, রোববার এলপিজির নতুন মূল্য নির্ধারণের আগেই বাজারে থাকা কিছু সিলিন্ডার ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা হয়েছে। এরপর গত তিন-চার দিন ধরে বাজারে এলপিজির সরবরাহ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। বাড়তি দাম দিতে রাজি থাকলেও অনেকেই সিলিন্ডার সংগ্রহ করতে পারছেন না।

হরতকিতলা গ্রামের বাসিন্দা কলিম উদ্দিন বলেন, তিনি জি-গ্যাস ব্যবহার করেন। গত দুই সপ্তাহ ধরে বাজারে জি-গ্যাসের সরবরাহ নেই। গ্যাসের সন্ধানে তাকে একাধিক দোকানে ঘুরতে হচ্ছে। তিনি বলেন, শহরের অধিকাংশ মানুষ ফ্ল্যাটবাড়িতে বসবাস করেন। সেখানে কাঠ বা খড়ি দিয়ে রান্নার সুযোগ নেই। ফলে এলপিজিই তাদের প্রধান ভরসা। বাজারে গ্যাস না থাকায় রান্না নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা।

আরও পড়ুনঃ  ছোটদের মাঝে ফুটবল বিতরণ করলেন কাউন্সিলর প্রার্থী সালাউদ্দিন ভূঁইয়া

দুবাই-বাংলা এলপিজির পরিবেশক মতিয়ার রহমান বলেন, সরকারিভাবে প্রতি সিলিন্ডারের দাম ২১২ টাকা বাড়ানো হলেও বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি। সরবরাহ না থাকায় দোকান বন্ধ রাখতে হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, বসুন্ধরা ও ওমেরা এলপিজির ক্ষেত্রেও একই অবস্থা বিরাজ করছে। কবে নাগাদ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে, তা নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না পরিবেশকেরা।