Dhaka ০৮:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
বিশ্বকাপ জয়ে স্পেনের শেষ প্রহরী, গোল্ডেন গ্লাভস জিতলেন উনাই সিমন বিশ্বকাপ জয়ের নায়ক ফেররান তোরেস, যেভাবে স্পেনের ইতিহাস গড়লেন আর্জেন্টিনা হারতেই বদলে গেল সুর, ‘বিয়ে’ নিয়ে নতুন বার্তা পরীমনির ট্রফি না জিতেও ইতিহাস এমবাপ্পের, মেসিকে ছাড়িয়ে টানা দুই বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট লেখালেখি দিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে খ্যাতি ছড়াচ্ছেন শাম্মী তুলতুল আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের ভার্চুয়াল সভায় প্রবাসীদের স্বার্থে দ্রুত ও আন্তর্জাতিক মানের পাসপোর্ট সেবা নিশ্চিত করার আহ্বান আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের গোলে এগিয়ে স্পেন, চাপে ১০ জনের আর্জেন্টিনা অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের গোলে এগিয়ে স্পেন স্বাস্থ্যকেন্দ্র বন্ধের প্রশ্ন করায় নওগাঁয় যমুনা টিভির সাংবাদিককে মামলার হুমকি, সাংবাদিকদের ক্ষোভ
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

কালীগঞ্জে ধর্ষণের চেষ্টা মামলা হতে বাঁচার জন্য বাদির বিরুদ্ধে পাল্টা মিথ্যা ধর্ষণ মামলায় ফাঁসানোর অপচেষ্টা,কালিগঞ্জ থানা ও পিবিআই তদন্তে মিথ্যা প্রমাণিত,বাদীর শেষ না রাজীতে তদন্তে পুলিশ

  • Reporter Name
  • সময়: ০৬:৪৮:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
  • ১১ Time View

কালিগঞ্জ ব্যুরো: শেখ শরিফুল ইসলাম,

 

সাতক্ষীরা জেলার কালীগঞ্জে ধর্ষণের চেষ্টা মামলা হতে বাঁচার জন্য নাবালক মেয়েকে দিয়ে মিথ্যা ধর্ষণ মামলায় বাদীর পরিবারসহ অন্যান্যদের ফাঁসানোর অপচেষ্টা,কালিগঞ্জ থানা ও পিবিআই তদন্তে মিথ্যা প্রমাণিত,বাদীর শেষ না রাজীতে তদন্তে পুলিশ। কথায় আছে না, ধর্মের কল বাতাসে নড়ে কে এই মামলা বাজ ব্যক্তি? কালিগঞ্জ উপজেলার প্রাণিসম্পদ অফিসে সাবেক ছোট্ট একটি চাকরিকে পুঁজি করে নিজেকে বনে যায় বিশাল এক প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা।পক্ষান্তরে সে কিন্তু এ আয় টেকনিশিয়ান,প্রাণী প্রজনন কারীর সহকারী।সেটাকে পুঁজি করে এলাকায় বিভিন্ন চিকিৎসায় মানুষের কাছ থেকে মোটা অংকে আদায়,সাথে গরু ছাগলের চিকিৎসা বাবদ সরকারি ওষুধ দিয়ে সাথে আরো মোটা অংকের সংযোজন।অফিসে কৃষকদের গরু পালোনর জন্য লোন সহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিজের পরিবারের ভুয়া নাম দিয়ে প্রতি বছর মোটা অংকের টাকা নিয়ে বিভিন্ন জমি ক্রয়। কয়েক বছর যেতে না যেতেই আঙুল ফুলে কলাগাছ।নিজেকে জমিদার বেশে এলাকায় একের পর এক প্রচর দিতে থাকে আমি জমিদার।আমার সামনে কথা বলতে হবে মেপে।আগে আপনাদের বোঝা উচিত আমার সামনে কেউ ভয়তে কথা বলতে আসে না।মানুষকে ভয় ত্রাসে রেখে নিজেকে স্বঘোষিত সাম্রাজ্যের সম্রাট বনে যায়।আর এর ফাকে মানুষের বিভিন্ন দুর্বলতার সুযোগে মানুষকে বিভিন্ন ফাঁদে ফেলে একের পর এক বিভিন্ন কুট কৌশলে বিভিন্ন অপকর্মের কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছে নিজের বিভিন্ন ইচ্ছাকে চরিতার্থ করতে থাকে। উক্ত বিষয়ে উপজেলার ছনকা গ্রামে সরোজমিনে গেলে শেখ আব্দুল্লাহ, শেখ আতাউর রহমান,শেখ ইব্রাহিম, শেখ হাবিবুল্লাহ,শেখ সুমন, আসমা খাতুন,মনোয়ারা সহ একাধিক ব্যক্তি এ প্রতিনিধিকে জানায় এই অসামাজিক, দুশ্চরিত্র, লম্পট আমিরুলের অত্যাচারে আমরা অতিষ্ঠ। বিগত কয়েক বছর ধরে এই মানুষরূপী হিংস্র হায়েনার মত হয়ে উঠেছে।এমন কোন কুকর্ম নেই যে সে ঘটায়নি। এলাকার মানুষ সর্বপ্রথম অভাব অনটনের মধ্যে থাকলেও সে ছোটখাটো সরকারি চাকরির সুবাদে কাছা পয়সার মুখ দেখে। সাথে সাথে তার লোলুপ দৃষ্টি পরে এলাকার বিভিন্ন অসহায় মানুষের দিকে। পরিবার আত্মীয়-স্বজন পাড়া-প্রতিবেশি কেউ বাদ পড়েনি তার হাত থেকে।তদানীন্তন অফিসের বিভিন্ন কলিককে দাওয়াত করে বাড়িয়ে নিয়ে অফিস টাইমে ভান করে অফিসের দায়িত্ব পালন করতে যাচ্ছে পরে বাড়ি এসে তাদেরও ছাড় দেয়নি।মানসম্মানের ভয়ে কেউ মুখ খলেনি।এ হানো কর্মকাণ্ডের জন্য সর্ব প্রথমে এলাকার মানুষ তফিল উদ্দিন এর দোকানের সামনে সালিশে বসে।সেখানে তার পিতার উপস্থিতিতে সকলের সামনে মাপ চেয়ে এ যাত্রায় রেহাই পায়। এরপরে কখনো গ্রামের জনৈক ব্যক্তির বাড়িতে মাথায় পাশের বারি,গাজিরহাটের খালকান্দায় বাগদী পাড়ায় অসামাজিক কর্মকান্ডে লিপ্ত থাকা অবস্থায় এলাকার মানুষের কাছে মাইর খায় পরে এলাকার মেম্বার চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় ভ্যানে করে বাড়ি পাঠায় দেয়। সাম্প্রতিক কালিগঞ্জ থানা পুলিশের তাড়া খেয়ে ইসলামের বাড়ির সামনে গাভিতে পড়ে এলাকাবাসীর পুরুষ মহিলা লাঠি নিয়ে চোর বলে মারতে আসে। বলে আমাকে কেউ মেরো না বাড়িতে পুলিশ তাড়িয়েছে,পরে সেই জনৈক চাচা সেখান থেকে তুলে নিয়ে এক পোলটির ঘরে কম্বল দিয়ে ঝাঁকিয়ে কাঁপা বন্ধ করে। সাবেক প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মনোজ কুমার এ প্রতিনিধি কে জানিয়ে ছিলেন দাদা আমার অফিসের স্বেচ্ছাসেবক মহিলাদের আনতে পারি না এই নরপশুর অত্যাচারে।একের পর এক এহনও কর্মকান্ড ঘটিয়ে সে ধরাশায়ী হয়ে আরো ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে।সাম্প্রতিক শুরু করে দেয় আদম ব্যবসা।ছনকাগ্রামের ৭ থেকে ৯ জন মানুষের থেকে ৫ থেকে ৭ লাখ করে টাকা নিয়ে নেয়। আপন ভাইয়ের সহযোগিতায় মানুষকে বিদেশ পাঠানোর ফাঁদে ফেলে।বাদীর ক্লিনিকে কর্মরত দুইজন টেকনিশিয়ান কে বিদেশ পাঠানোর ফাঁদে ফেলে তাদের কাছে ৯ লক্ষ করে টাকা নিয়ে তাদেরকে পথের ফকির বানিয়ে ফেলে।সুমন মুকুল ইব্রাহিম সহ এলাকার একাধিক ব্যক্তি এ প্রতিনিধিকে জানায় প্রথমে বাদীর ক্লিনিক থেকে দুই টেকনিশিয়ান কে বিদেশ পাঠানোর মূল উদ্দেশ্য ছিল বাদির ক্লিনিক পরিচালনায় দক্ষ জনবল মাইনাস করা। পক্ষান্তরে সেসব টাকা নিয়ে এলাকায় মোটা মোটা জমি কিনতে থাকে।টাকা চাইতে গেলে বলে যে সিরাজুল টাকা নিয়েছিল বিদেশ নেওয়ার জন্য টাকা তার কাছে চাও। উক্ত টাকা দেওয়া ভিকটিম ইব্রাহিমের মা এ প্রতিনিধিকে জানাই টাকা নেওয়ার সময় সিরাজুল এর সাথে পরিচয় থাকে কিন্তু টাকা দেওয়ার সময় টাকা চাইতে গেলে বলে সিরাজুলের সাথে পরিচয় নেই

আরও পড়ুনঃ  সাংবাদিক রাশেদকে নিয়ে অপপ্রচারের ঘটনায় বিএনপির আহবায়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফার বিবৃতি

। তেমনি দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহ ও জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর দায়ের করা মিথ্যা,ধর্ষণ প্রচেষ্টা মামলা থেকে রেহাই পেতে নিজের স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে দিয়ে পাল্টা ভাই, ভাইবৌ ও প্রেমিক সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা,অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা। তদন্তে মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় থানা পুলিশ, পিবিআইয়ের দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে বাদির ২য় নারাজির প্রেক্ষিতে আদালতের নির্দেশে তৃতীয় দফায় তদন্তের গ্যাড়াকলে মাঠে নেমেছে পুলিশ। আলোচিত ও চঞ্চল্যকর ধর্ষণ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলা জুড়ে এখন কালিগঞ্জের সেই বহুল সমালোচিত পশু প্রজননকারী বহু অপকর্মের নায়ক,যা স্থানীয় পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত, নিজের অপকর্ম ঢাকতে এবং নিজের অপকর্ম থেকে রেহাই পেতে নিজের স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে নিয়ে নামে এই নাটকীয় মামলায়।শাক দিয়ে মাছ ঢাকার সেই অপচেষ্টা শেষ পর্যন্ত হয় ব্যর্থ।এলাকায় সমাজের মানুষের কাছে হয় নিন্দনীয় সেই আমিরুল ইসলাম।যেটা এখন বর্তমান টক অফ দ্যা টাউনে পরিণত হয়েছে। ঘটনার বিবরণে জানা যায় সাতক্ষীরা নারী শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারকের নির্দেশে গত রবিবার (১২ জুলাই) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কালিগঞ্জ সার্কেলের) অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা আমিনুর রহমান তদন্তে মাঠে নামলেও এজাহারে বর্ণিত সাক্ষীরা হাজির না হওয়া এবং মামলার বর্ণিত ঘটনাস্থলে সত্যতা না মেলায় বিষয়টি সচেতন মহলের আলোচনায় আসে। অনুসন্ধান,ও মামলা সূত্রে জানা যায় কালীগঞ্জ উপজেলার মথুরেশপুর ইউনিয়নের ছনকা গ্রামের শেখ আব্দুল হাদীর পুত্র সাবেক উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসের পশু এ আই শেখ আমিরুল ইসলামের সঙ্গে তার আপন ছোট চাচাতো ভাই ও মামলার সাক্ষীদের সঙ্গে দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি কাল ধরে বিরোধ চলে আসছে। উক্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে চাচাতো ভাইয়ের স্ত্রী ভাসুর আমিরুলের বিরুদ্ধে গত ১৬/৬/২১ তারিখে সাতক্ষীরা নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে ১ টি পিটিশন মামলা দায়ের করে। মামলা নং সিআরপি ২৭৮/২১ (কালি:)। উক্ত মামলার তদন্তে সাতক্ষীরা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের উপ-পরিদর্শক মহাসিন তরফদার সত্যতা পাওয়ায় বিজ্ঞ আদালতে আমিরুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন। অবস্থা বেগতিক দেখে উক্ত মামলা থেকে রেহাই পেতে তার কন্যা স্কুলছাত্রী আজমিরা খাতুন কে (ছদ্মনাম) বাদী করে গত ১৩/১২/২৪ ইং তারিখে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ সংশোধনী ২০০৩ এর ৯(১)/৩০ ধারায় আদালতের নির্দেশে থানায় একটি ধর্ষণ ও অপহরণ মামলা দায়ের হয়। মামলা নং-৭। মামলায় আসামি করা হয় সাবেক সেনা কর্মকর্তা শেখ আব্দুল্লাহর পুত্র পাসপোর্ট অফিসে চাকরিরত প্রেমিক ইব্রাহিম খলিল, চাচাতো ভাই,,চাচি ও বন্ধু চরদহ গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের পুত্র শাহাদাত হোসেন, ছনকা গ্রামের জাফর ইকবালের পুত্র হাবিবুল্লাহ এবং সাতক্ষীরা সদর থানার বকচরা গ্রামের বিবাহ রেজিস্টার হাসাইন আলী। মামলায় উল্লেখ করা হয় ১৬/৬/২৪ ইং তারিখে বেলা ৩ টার দিকে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় কালিগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের পাশে শিক্ষক নিত্যানন্দের বাড়ির সামনে পাকা রাস্তার উপর থেকে মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক একটি প্রাইভেট কারে তুলে নিয়ে সাতক্ষীরা সদর থানার বকচরা গ্রামের বিবাহ রেজিস্টার হাসাইন আলীর বাড়িতে ফেলে জোরপূর্বক কাবিননামায় সই করিয়ে নেয়। পরে প্রেমিক ইব্রাহিম খলিল কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সামনে বাসায় এনে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা কালীগঞ্জ থানার উপ পরিদর্শক আব্দুর রহমান দীর্ঘ তদন্ত শেষে সত্যতা না মেলায় গত ২৮/৮/২৫ ইং তারিখে ১১ নং চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেন। এ প্রেক্ষিতে বাদী ক্ষিপ্ত হয়ে গত ২১/১/২৬ ইং তারিখে বিজ্ঞ আদালতে থানার দেওয়া চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি দিলে বিজ্ঞ শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক আবু বক্কর সিদ্দিক গত ১২/৩/২৬ ইং তারিখে পুনরায় মামলাটি তদন্ত করার জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) সাতক্ষীরাকে নির্দেশ দেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সাতক্ষীরা পিবিআইয়ের উপ পরিদর্শক মাসুদুর রহমান পুনারায় সরেজমিনে দীর্ঘ তদন্তে মামলায় বর্ণিত ঘটনার স্থান এবং সাক্ষীদের সঙ্গে কথা বলে পারিবারিক দ্বন্দ্ব উঠে আসা এবং সত্যতা না মেলায় আবারো গত ২৩/৪/২৬ ইং বিজ্ঞ আদালতে ১১ (ক) নং সম্পূরক চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। এবারও বাদী ক্ষিপ্ত হয়ে গত ৭/৫/২৬ ইং তারিখে আবারো বিজ্ঞ আদালতে নারাজিতে বাদী জানান অপহরণ করে প্রেমিক ইব্রাহিম জোরপূর্বক গাড়িতে উঠালে আসামি শরিফুল ও তার স্ত্রী আমসাকে(ছদ্মনাম) দেখি। এরপর আসামিরা আমাকে রওশন আলীর বাড়িতে নিয়ে দু,টি নীল কাগজে স্বাক্ষর করিয়ে নেয়। পরে পুলিশ আমাকে উদ্ধার করে আনে। বিজ্ঞ আদালত আমলে নিয়ে পুনরায় অধিকতর তদন্তের জন্য ১৫ কার্য দিবসের ভিতরে কালিগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দেন। এদিকে ছোট ভাইবৌর দায়ের করা মামলাটি মহামান্য হাইকোর্টে ৬ মাসের স্থিতি অবস্থায় রেখে নিজের মেয়েকে দিয়ে মিথ্যা ধর্ষণ মামলার তদন্তের একাধিক চূড়ান্ত প্রতিবেদন বদলিয়ে অভিযোগ আকারে নিতে দৌড়ঝাপে ব্যস্ত পশু এ অাই আমিরুল ইসলাম। তবে মুল মামলার এজাহারের বক্তব্য এবং পৃথক দু,অটি নারাজির বক্তব্য পরস্পর বিরোধী হওয়ায় তদন্ত কর্মকর্তার কাছে ধূম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে কালীগঞ্জের সেই বহুল সমালোচিত পশু এই টেকনিশিয়ান আমিরুল ইসলাম একের পর এক তার বিরুদ্ধে দায়ের কৃত মামলা চার্জ গঠন সহ সাক্ষী ট্রাইব্যুনালে যাওয়ায় বাদীর বিরুদ্ধে সামাজিক এবং মানসিকভাবে বিভিন্ন নির্যাতনের মাত্রা চরম আকারে পৌঁছেছে বলে প্রতিনিধিকে জানায়।এছাড়া উক্ত ব্যক্তি দেশের ভূখণ্ডে বাস করে সেই ভূখণ্ডের সংবিধান, আইনকে অমান্য করে নিজের স্বঘোষিত বিভিন্ন আইন-কানুন,নির্দেশ এলাকার মানুষের উপরে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টায় লিপ্ত।তার বিভিন্ন অত্যাচারে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ।এহানো অত্যাচার থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য উদ্বোধন কর্তৃপক্ষের আসু হস্তক্ষেপ কামনা করেছে এলাকার সচেতন মহল।

আরও পড়ুনঃ  বিশ্বম্ভরপুরে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ছবিঃ সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে ধর্ষণের চেষ্টা মামলা হতে বাদী বাঁচার জন্য বাদির বিরুদ্ধে পাল্টা মিথ্যা ধর্ষণ মামলায় ফাঁসানোর অপচেষ্টা,কালিগঞ্জ থানা ও পিবিআই তদন্তে মিথ্যা প্রমাণিত,বাদীর শেষ না রাজীতে তদন্তে পুনরায় কালিগঞ্জ থানার পুলিশ।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

বিশ্বকাপ জয়ে স্পেনের শেষ প্রহরী, গোল্ডেন গ্লাভস জিতলেন উনাই সিমন

কালীগঞ্জে ধর্ষণের চেষ্টা মামলা হতে বাঁচার জন্য বাদির বিরুদ্ধে পাল্টা মিথ্যা ধর্ষণ মামলায় ফাঁসানোর অপচেষ্টা,কালিগঞ্জ থানা ও পিবিআই তদন্তে মিথ্যা প্রমাণিত,বাদীর শেষ না রাজীতে তদন্তে পুলিশ

সময়: ০৬:৪৮:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

কালিগঞ্জ ব্যুরো: শেখ শরিফুল ইসলাম,

 

সাতক্ষীরা জেলার কালীগঞ্জে ধর্ষণের চেষ্টা মামলা হতে বাঁচার জন্য নাবালক মেয়েকে দিয়ে মিথ্যা ধর্ষণ মামলায় বাদীর পরিবারসহ অন্যান্যদের ফাঁসানোর অপচেষ্টা,কালিগঞ্জ থানা ও পিবিআই তদন্তে মিথ্যা প্রমাণিত,বাদীর শেষ না রাজীতে তদন্তে পুলিশ। কথায় আছে না, ধর্মের কল বাতাসে নড়ে কে এই মামলা বাজ ব্যক্তি? কালিগঞ্জ উপজেলার প্রাণিসম্পদ অফিসে সাবেক ছোট্ট একটি চাকরিকে পুঁজি করে নিজেকে বনে যায় বিশাল এক প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা।পক্ষান্তরে সে কিন্তু এ আয় টেকনিশিয়ান,প্রাণী প্রজনন কারীর সহকারী।সেটাকে পুঁজি করে এলাকায় বিভিন্ন চিকিৎসায় মানুষের কাছ থেকে মোটা অংকে আদায়,সাথে গরু ছাগলের চিকিৎসা বাবদ সরকারি ওষুধ দিয়ে সাথে আরো মোটা অংকের সংযোজন।অফিসে কৃষকদের গরু পালোনর জন্য লোন সহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিজের পরিবারের ভুয়া নাম দিয়ে প্রতি বছর মোটা অংকের টাকা নিয়ে বিভিন্ন জমি ক্রয়। কয়েক বছর যেতে না যেতেই আঙুল ফুলে কলাগাছ।নিজেকে জমিদার বেশে এলাকায় একের পর এক প্রচর দিতে থাকে আমি জমিদার।আমার সামনে কথা বলতে হবে মেপে।আগে আপনাদের বোঝা উচিত আমার সামনে কেউ ভয়তে কথা বলতে আসে না।মানুষকে ভয় ত্রাসে রেখে নিজেকে স্বঘোষিত সাম্রাজ্যের সম্রাট বনে যায়।আর এর ফাকে মানুষের বিভিন্ন দুর্বলতার সুযোগে মানুষকে বিভিন্ন ফাঁদে ফেলে একের পর এক বিভিন্ন কুট কৌশলে বিভিন্ন অপকর্মের কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছে নিজের বিভিন্ন ইচ্ছাকে চরিতার্থ করতে থাকে। উক্ত বিষয়ে উপজেলার ছনকা গ্রামে সরোজমিনে গেলে শেখ আব্দুল্লাহ, শেখ আতাউর রহমান,শেখ ইব্রাহিম, শেখ হাবিবুল্লাহ,শেখ সুমন, আসমা খাতুন,মনোয়ারা সহ একাধিক ব্যক্তি এ প্রতিনিধিকে জানায় এই অসামাজিক, দুশ্চরিত্র, লম্পট আমিরুলের অত্যাচারে আমরা অতিষ্ঠ। বিগত কয়েক বছর ধরে এই মানুষরূপী হিংস্র হায়েনার মত হয়ে উঠেছে।এমন কোন কুকর্ম নেই যে সে ঘটায়নি। এলাকার মানুষ সর্বপ্রথম অভাব অনটনের মধ্যে থাকলেও সে ছোটখাটো সরকারি চাকরির সুবাদে কাছা পয়সার মুখ দেখে। সাথে সাথে তার লোলুপ দৃষ্টি পরে এলাকার বিভিন্ন অসহায় মানুষের দিকে। পরিবার আত্মীয়-স্বজন পাড়া-প্রতিবেশি কেউ বাদ পড়েনি তার হাত থেকে।তদানীন্তন অফিসের বিভিন্ন কলিককে দাওয়াত করে বাড়িয়ে নিয়ে অফিস টাইমে ভান করে অফিসের দায়িত্ব পালন করতে যাচ্ছে পরে বাড়ি এসে তাদেরও ছাড় দেয়নি।মানসম্মানের ভয়ে কেউ মুখ খলেনি।এ হানো কর্মকাণ্ডের জন্য সর্ব প্রথমে এলাকার মানুষ তফিল উদ্দিন এর দোকানের সামনে সালিশে বসে।সেখানে তার পিতার উপস্থিতিতে সকলের সামনে মাপ চেয়ে এ যাত্রায় রেহাই পায়। এরপরে কখনো গ্রামের জনৈক ব্যক্তির বাড়িতে মাথায় পাশের বারি,গাজিরহাটের খালকান্দায় বাগদী পাড়ায় অসামাজিক কর্মকান্ডে লিপ্ত থাকা অবস্থায় এলাকার মানুষের কাছে মাইর খায় পরে এলাকার মেম্বার চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় ভ্যানে করে বাড়ি পাঠায় দেয়। সাম্প্রতিক কালিগঞ্জ থানা পুলিশের তাড়া খেয়ে ইসলামের বাড়ির সামনে গাভিতে পড়ে এলাকাবাসীর পুরুষ মহিলা লাঠি নিয়ে চোর বলে মারতে আসে। বলে আমাকে কেউ মেরো না বাড়িতে পুলিশ তাড়িয়েছে,পরে সেই জনৈক চাচা সেখান থেকে তুলে নিয়ে এক পোলটির ঘরে কম্বল দিয়ে ঝাঁকিয়ে কাঁপা বন্ধ করে। সাবেক প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মনোজ কুমার এ প্রতিনিধি কে জানিয়ে ছিলেন দাদা আমার অফিসের স্বেচ্ছাসেবক মহিলাদের আনতে পারি না এই নরপশুর অত্যাচারে।একের পর এক এহনও কর্মকান্ড ঘটিয়ে সে ধরাশায়ী হয়ে আরো ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে।সাম্প্রতিক শুরু করে দেয় আদম ব্যবসা।ছনকাগ্রামের ৭ থেকে ৯ জন মানুষের থেকে ৫ থেকে ৭ লাখ করে টাকা নিয়ে নেয়। আপন ভাইয়ের সহযোগিতায় মানুষকে বিদেশ পাঠানোর ফাঁদে ফেলে।বাদীর ক্লিনিকে কর্মরত দুইজন টেকনিশিয়ান কে বিদেশ পাঠানোর ফাঁদে ফেলে তাদের কাছে ৯ লক্ষ করে টাকা নিয়ে তাদেরকে পথের ফকির বানিয়ে ফেলে।সুমন মুকুল ইব্রাহিম সহ এলাকার একাধিক ব্যক্তি এ প্রতিনিধিকে জানায় প্রথমে বাদীর ক্লিনিক থেকে দুই টেকনিশিয়ান কে বিদেশ পাঠানোর মূল উদ্দেশ্য ছিল বাদির ক্লিনিক পরিচালনায় দক্ষ জনবল মাইনাস করা। পক্ষান্তরে সেসব টাকা নিয়ে এলাকায় মোটা মোটা জমি কিনতে থাকে।টাকা চাইতে গেলে বলে যে সিরাজুল টাকা নিয়েছিল বিদেশ নেওয়ার জন্য টাকা তার কাছে চাও। উক্ত টাকা দেওয়া ভিকটিম ইব্রাহিমের মা এ প্রতিনিধিকে জানাই টাকা নেওয়ার সময় সিরাজুল এর সাথে পরিচয় থাকে কিন্তু টাকা দেওয়ার সময় টাকা চাইতে গেলে বলে সিরাজুলের সাথে পরিচয় নেই

আরও পড়ুনঃ  আইনি প্রক্রিয়ায় মান্দায় গাছ অপসারণ: সড়ক প্রশস্ত ও ফসলি জমি রক্ষার উদ্যোগ

। তেমনি দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহ ও জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর দায়ের করা মিথ্যা,ধর্ষণ প্রচেষ্টা মামলা থেকে রেহাই পেতে নিজের স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে দিয়ে পাল্টা ভাই, ভাইবৌ ও প্রেমিক সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা,অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা। তদন্তে মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় থানা পুলিশ, পিবিআইয়ের দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে বাদির ২য় নারাজির প্রেক্ষিতে আদালতের নির্দেশে তৃতীয় দফায় তদন্তের গ্যাড়াকলে মাঠে নেমেছে পুলিশ। আলোচিত ও চঞ্চল্যকর ধর্ষণ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলা জুড়ে এখন কালিগঞ্জের সেই বহুল সমালোচিত পশু প্রজননকারী বহু অপকর্মের নায়ক,যা স্থানীয় পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত, নিজের অপকর্ম ঢাকতে এবং নিজের অপকর্ম থেকে রেহাই পেতে নিজের স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে নিয়ে নামে এই নাটকীয় মামলায়।শাক দিয়ে মাছ ঢাকার সেই অপচেষ্টা শেষ পর্যন্ত হয় ব্যর্থ।এলাকায় সমাজের মানুষের কাছে হয় নিন্দনীয় সেই আমিরুল ইসলাম।যেটা এখন বর্তমান টক অফ দ্যা টাউনে পরিণত হয়েছে। ঘটনার বিবরণে জানা যায় সাতক্ষীরা নারী শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারকের নির্দেশে গত রবিবার (১২ জুলাই) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কালিগঞ্জ সার্কেলের) অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা আমিনুর রহমান তদন্তে মাঠে নামলেও এজাহারে বর্ণিত সাক্ষীরা হাজির না হওয়া এবং মামলার বর্ণিত ঘটনাস্থলে সত্যতা না মেলায় বিষয়টি সচেতন মহলের আলোচনায় আসে। অনুসন্ধান,ও মামলা সূত্রে জানা যায় কালীগঞ্জ উপজেলার মথুরেশপুর ইউনিয়নের ছনকা গ্রামের শেখ আব্দুল হাদীর পুত্র সাবেক উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসের পশু এ আই শেখ আমিরুল ইসলামের সঙ্গে তার আপন ছোট চাচাতো ভাই ও মামলার সাক্ষীদের সঙ্গে দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি কাল ধরে বিরোধ চলে আসছে। উক্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে চাচাতো ভাইয়ের স্ত্রী ভাসুর আমিরুলের বিরুদ্ধে গত ১৬/৬/২১ তারিখে সাতক্ষীরা নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে ১ টি পিটিশন মামলা দায়ের করে। মামলা নং সিআরপি ২৭৮/২১ (কালি:)। উক্ত মামলার তদন্তে সাতক্ষীরা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের উপ-পরিদর্শক মহাসিন তরফদার সত্যতা পাওয়ায় বিজ্ঞ আদালতে আমিরুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন। অবস্থা বেগতিক দেখে উক্ত মামলা থেকে রেহাই পেতে তার কন্যা স্কুলছাত্রী আজমিরা খাতুন কে (ছদ্মনাম) বাদী করে গত ১৩/১২/২৪ ইং তারিখে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ সংশোধনী ২০০৩ এর ৯(১)/৩০ ধারায় আদালতের নির্দেশে থানায় একটি ধর্ষণ ও অপহরণ মামলা দায়ের হয়। মামলা নং-৭। মামলায় আসামি করা হয় সাবেক সেনা কর্মকর্তা শেখ আব্দুল্লাহর পুত্র পাসপোর্ট অফিসে চাকরিরত প্রেমিক ইব্রাহিম খলিল, চাচাতো ভাই,,চাচি ও বন্ধু চরদহ গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের পুত্র শাহাদাত হোসেন, ছনকা গ্রামের জাফর ইকবালের পুত্র হাবিবুল্লাহ এবং সাতক্ষীরা সদর থানার বকচরা গ্রামের বিবাহ রেজিস্টার হাসাইন আলী। মামলায় উল্লেখ করা হয় ১৬/৬/২৪ ইং তারিখে বেলা ৩ টার দিকে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় কালিগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের পাশে শিক্ষক নিত্যানন্দের বাড়ির সামনে পাকা রাস্তার উপর থেকে মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক একটি প্রাইভেট কারে তুলে নিয়ে সাতক্ষীরা সদর থানার বকচরা গ্রামের বিবাহ রেজিস্টার হাসাইন আলীর বাড়িতে ফেলে জোরপূর্বক কাবিননামায় সই করিয়ে নেয়। পরে প্রেমিক ইব্রাহিম খলিল কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সামনে বাসায় এনে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা কালীগঞ্জ থানার উপ পরিদর্শক আব্দুর রহমান দীর্ঘ তদন্ত শেষে সত্যতা না মেলায় গত ২৮/৮/২৫ ইং তারিখে ১১ নং চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেন। এ প্রেক্ষিতে বাদী ক্ষিপ্ত হয়ে গত ২১/১/২৬ ইং তারিখে বিজ্ঞ আদালতে থানার দেওয়া চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি দিলে বিজ্ঞ শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক আবু বক্কর সিদ্দিক গত ১২/৩/২৬ ইং তারিখে পুনরায় মামলাটি তদন্ত করার জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) সাতক্ষীরাকে নির্দেশ দেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সাতক্ষীরা পিবিআইয়ের উপ পরিদর্শক মাসুদুর রহমান পুনারায় সরেজমিনে দীর্ঘ তদন্তে মামলায় বর্ণিত ঘটনার স্থান এবং সাক্ষীদের সঙ্গে কথা বলে পারিবারিক দ্বন্দ্ব উঠে আসা এবং সত্যতা না মেলায় আবারো গত ২৩/৪/২৬ ইং বিজ্ঞ আদালতে ১১ (ক) নং সম্পূরক চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। এবারও বাদী ক্ষিপ্ত হয়ে গত ৭/৫/২৬ ইং তারিখে আবারো বিজ্ঞ আদালতে নারাজিতে বাদী জানান অপহরণ করে প্রেমিক ইব্রাহিম জোরপূর্বক গাড়িতে উঠালে আসামি শরিফুল ও তার স্ত্রী আমসাকে(ছদ্মনাম) দেখি। এরপর আসামিরা আমাকে রওশন আলীর বাড়িতে নিয়ে দু,টি নীল কাগজে স্বাক্ষর করিয়ে নেয়। পরে পুলিশ আমাকে উদ্ধার করে আনে। বিজ্ঞ আদালত আমলে নিয়ে পুনরায় অধিকতর তদন্তের জন্য ১৫ কার্য দিবসের ভিতরে কালিগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দেন। এদিকে ছোট ভাইবৌর দায়ের করা মামলাটি মহামান্য হাইকোর্টে ৬ মাসের স্থিতি অবস্থায় রেখে নিজের মেয়েকে দিয়ে মিথ্যা ধর্ষণ মামলার তদন্তের একাধিক চূড়ান্ত প্রতিবেদন বদলিয়ে অভিযোগ আকারে নিতে দৌড়ঝাপে ব্যস্ত পশু এ অাই আমিরুল ইসলাম। তবে মুল মামলার এজাহারের বক্তব্য এবং পৃথক দু,অটি নারাজির বক্তব্য পরস্পর বিরোধী হওয়ায় তদন্ত কর্মকর্তার কাছে ধূম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে কালীগঞ্জের সেই বহুল সমালোচিত পশু এই টেকনিশিয়ান আমিরুল ইসলাম একের পর এক তার বিরুদ্ধে দায়ের কৃত মামলা চার্জ গঠন সহ সাক্ষী ট্রাইব্যুনালে যাওয়ায় বাদীর বিরুদ্ধে সামাজিক এবং মানসিকভাবে বিভিন্ন নির্যাতনের মাত্রা চরম আকারে পৌঁছেছে বলে প্রতিনিধিকে জানায়।এছাড়া উক্ত ব্যক্তি দেশের ভূখণ্ডে বাস করে সেই ভূখণ্ডের সংবিধান, আইনকে অমান্য করে নিজের স্বঘোষিত বিভিন্ন আইন-কানুন,নির্দেশ এলাকার মানুষের উপরে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টায় লিপ্ত।তার বিভিন্ন অত্যাচারে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ।এহানো অত্যাচার থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য উদ্বোধন কর্তৃপক্ষের আসু হস্তক্ষেপ কামনা করেছে এলাকার সচেতন মহল।

আরও পড়ুনঃ  হরিপুরে শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ ও ফুটবল বিতরণ

ছবিঃ সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে ধর্ষণের চেষ্টা মামলা হতে বাদী বাঁচার জন্য বাদির বিরুদ্ধে পাল্টা মিথ্যা ধর্ষণ মামলায় ফাঁসানোর অপচেষ্টা,কালিগঞ্জ থানা ও পিবিআই তদন্তে মিথ্যা প্রমাণিত,বাদীর শেষ না রাজীতে তদন্তে পুনরায় কালিগঞ্জ থানার পুলিশ।