
রাশেদ নিজাম শাহ, কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিনিধি:
ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে জমে উঠেছে কিশোরগঞ্জে কোরবানির পশুর হাট।সকাল ১১ টা থেকে সরকারি কলেজ মাঠে আসতে শুরু করে বিক্রেতারা, প্রথমের দিকে ক্রেতা কম দেখা গেলেও বিকেল ৩ টার পরে ক্রেতার উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে গতহাটে ক্রেতা কম থাকলেও আজকে আবহাওয়া অনুকুল ও কিশোরগঞ্জ এর শেষ হাট হওয়ায় বেচাকেনা জমে উঠেছে শেষ পর্যায়ে।
সরেজমিনে দেখা যায়, বড় গরুর তুলনায় ছোট ও মাঝারি গরুর পূর্তি ক্রেতাদের আগ্রহ বেশি ছিল। ৬০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত মূল্যের গরু বিক্রি হয়েছে বেশি।
খামারিরা জানান,গো-খাদ্যের দাম বেশি হওয়ায় লাভের আশা কিছুটা অনিশ্চিত হলেও শেষ সময়ে বিক্রির মাধ্যমে ঘাটতি পুষিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছেন তারা।
বেপারি হাসান বলেন,বড় গরুর প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ দেখা যাচ্ছে না, ছোট ও মাঝারি গরু বিক্রি হচ্ছে।
ক্রেতা রফিক, কত দিয়ে নিলেন জিজ্ঞেস করলে, ৬১ হাজার দিয়ে নিলাম ভাই,বাজার কিছুটা কমই মনে হচ্ছে।
ছিট রাজীব গ্রামের হাসমত আলী বলেন,আমার বাড়িতেই ১০৩০০০ হাজার বলছিলো দেই নি এখন ১ লক্ষ টাকায় বিক্রি করলাম বুঝেন তাহলে।
নিতাই ইউনিয়নের সবুর হোসেন বলেন, ২ টি ছাগল নিলাম ৯ হাজার টাকায়।বাজার বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে,মৃদু হাসি দিয়ে বলেন,কম মনে হয়।
কিশোরগঞ্জ উপজেলা প্রানীসম্পদ দপ্তরের ভ্যাটেরিনারি সার্জন ডাঃ নাহিদ ইসলামের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান,কিশোরগঞ্জ উপজেলায় প্রায়
৮০০ মোটাতাজা করন খামারে ৪৬০০০ হাজার গরু প্রস্তুত আছে, চাহিদা রয়েছে ৩৬০০০ হাজার,উদ্বৃত্ত আছে ১২০০০ হাজার গরু।
Reporter Name 




























