
ময়নুল হক OAM
অর্থনীতিবিদ ও কমিউনিটি নেতা; বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরায় বসবাসরত।
বর্ষাকাল এলেই আব্বা আমাকে নিয়ে নওগাঁর গ্রামের বাড়িতে আম, কাঁঠালসহ নানা ফলদ গাছের চারা লাগাতে বের হতেন। কাদামাটির পথ ধরে হাঁটতে হাঁটতে তিনি জায়গা বেছে নিতেন, চারা রোপণ করতেন, তারপর বছরের পর বছর সেগুলোর পরিচর্যা করতেন। নিয়মিত পানি দেওয়া, আগাছা পরিষ্কার করা, বাঁশের খুঁটি দিয়ে গাছকে সুরক্ষা দেওয়া ছিল তাঁর অভ্যাস। তখন বুঝিনি, আজ উপলব্ধি করি, আব্বা আমাকে শুধু গাছ লাগানো নয়, দায়িত্ব, ধৈর্য এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কিছু রেখে যাওয়ার শিক্ষা দিচ্ছিলেন। আজও যখন একটি গাছ লাগাই, মনে হয় আব্বার সেই শিক্ষা ও দায়িত্বেরই একটি ছোট অংশ পালন করছি।
কৈশোরে আমি রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে গ্রামবাংলায় বৃক্ষরোপণ ও খাল খননের মতো কর্মসূচির মাধ্যমে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে দেখেছি। পরে রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদও পল্লী উন্নয়ন ও সবুজায়নকে জাতীয় কর্মসূচির গুরুত্বপূর্ণ অংশ করেছিলেন। তাঁদের রাজনৈতিক মূল্যায়ন ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু একটি বিষয়ে উভয়েই সঠিক ছিলেন। একটি দেশের উন্নয়ন শুধু রাস্তা, সেতু কিংবা ভবন নির্মাণের ওপর নির্ভর করে না। গাছ, নদী, উর্বর জমি এবং সবুজ প্রকৃতিও একটি জাতির দীর্ঘমেয়াদি সমৃদ্ধির ভিত্তি।
আজ সরকারের ২৫ কোটি গাছ রোপণের উদ্যোগ আমাকে আব্বার সেই শৈশবের শিক্ষার কথাই মনে করিয়ে দেয়। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের অন্যতম দেশ হিসেবে বাংলাদেশের জন্য এটি শুধু একটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নয়; এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ, সবুজ ও সমৃদ্ধ দেশ গড়ে তোলার ঐতিহাসিক সুযোগ।
তবে একটি প্রশ্ন আমাদের অবশ্যই করতে হবে।
পাঁচ বছর পর এই ২৫ কোটি চারার কতটি জীবিত থাকবে?
এই প্রশ্নের উত্তরই নির্ধারণ করবে কর্মসূচিটির প্রকৃত সাফল্য।
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এখন আর গাছ লাগানো নয়। সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো গাছগুলোকে বাঁচিয়ে পরিপক্ব গাছে পরিণত করা। একটি চারা রোপণ করতে কয়েক মিনিট লাগে, কিন্তু একটি গাছ বড় হতে লাগে বছরের পর বছর। সেই সময়জুড়ে প্রয়োজন পরিচর্যা, সুরক্ষা, পরিকল্পনা এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, জবাবদিহিতা।
তাই এখন সময় এসেছে আমাদের জাতীয় দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের।
গাছ লাগানো নয় গাছ বাঁচানো হোক বাংলাদেশের জাতীয় আন্দোলন।
বাংলাদেশ আজ জলবায়ু পরিবর্তনের কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি। বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, নদীভাঙন, লবণাক্ততা ও তাপপ্রবাহ মানুষের জীবন ও জীবিকাকে প্রতিনিয়ত হুমকির মুখে ফেলছে। বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৫০ সালের মধ্যে প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ মানুষ দেশের অভ্যন্তরে বাস্তুচ্যুত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকতে পারে। একই সময়ে দ্রুত নগরায়ণ ও অবকাঠামো উন্নয়নের ফলে পরিপক্ব গাছ কমে যাচ্ছে। জাতীয় বন জরিপ অনুযায়ী, দেশের বনভূমি মোট ভূমির মাত্র ১২.৮ শতাংশ।
এই বাস্তবতায় গাছ কোনো বিলাসিতা নয়; এটি আমাদের প্রাকৃতিক অবকাঠামো। একটি পরিপক্ব গাছ তাপমাত্রা কমায়, বায়ু বিশুদ্ধ করে, কার্বন শোষণ করে, জলাবদ্ধতা ও মাটিক্ষয় কমায় এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষা করে। তাই রাস্তা ও সেতুর মতো গাছেও বিনিয়োগ করতে হবে। পার্থক্য হলো, একটি সুস্থ গাছের মূল্য সময়ের সঙ্গে আরও বৃদ্ধি পায়।
কিন্তু একটি বাস্তবতা আমাদের স্বীকার করতে হবে। আমরা জানি কত কোটি চারা রোপণ করা হয়েছে, কিন্তু খুব কমই জানি এক বছর, তিন বছর বা পাঁচ বছর পর তার কতটি বেঁচে আছে।
এটি বদলাতে হবে।
একটি জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সাফল্য শুধু রোপিত চারার সংখ্যা দিয়ে পরিমাপ করা উচিত নয়। প্রকৃত সাফল্যের সূচক হওয়া উচিত কতটি গাছ বেঁচে আছে, কতটি পরিপক্ব হয়েছে, কোথায় বৃক্ষ আচ্ছাদন বেড়েছে এবং মানুষ ও পরিবেশ কতটা উপকৃত হয়েছে।
সংখ্যা নয়, ফলাফলই হবে সাফল্যের মানদণ্ড। আর সেই ফলাফল নিশ্চিত করার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো জবাবদিহিতা।
জবাবদিহিতাই সাফল্যের চাবিকাঠি
যে কোনো বড় জাতীয় কর্মসূচির সাফল্য নির্ভর করে শুধু ভালো পরিকল্পনার ওপর নয়, বরং তার বাস্তবায়ন, নিয়মিত তদারকি এবং জবাবদিহিতার ওপর। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতেও এর ব্যতিক্রম হওয়া উচিত নয়। গাছ লাগানোর দায়িত্ব যেমন সবার, তেমনি গাছ বাঁচিয়ে বড় করার দায়িত্বও সবার।
কেন্দ্রীয় সরকার জাতীয় নীতি, অর্থায়ন ও লক্ষ্য নির্ধারণ করবে। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় জাতীয় সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করবে। কিন্তু প্রকৃত সফলতা নির্ভর করবে জেলা, উপজেলা এবং স্থানীয় সরকারের কার্যকর নেতৃত্বের ওপর।
প্রতিটি সংসদ সদস্য তাঁর নির্বাচনী এলাকার বৃক্ষরোপণ, গাছের টিকে থাকার হার এবং বৃক্ষ আচ্ছাদনের অগ্রগতি নিয়ে প্রতিবছর একটি সংক্ষিপ্ত বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করতে পারেন। একইভাবে জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র এবং সিটি করপোরেশনের মেয়ররা নিজ নিজ এলাকার বৃক্ষরোপণ, পরিচর্যা, গাছের টিকে থাকার হার এবং বৃক্ষ আচ্ছাদনের অগ্রগতি সম্পর্কে নিয়মিত প্রতিবেদন প্রকাশ করতে পারেন।
এই প্রতিবেদন শুধু কতটি গাছ লাগানো হয়েছে তার হিসাব হবে না। এতে উল্লেখ থাকবে কতটি গাছ এক বছর, তিন বছর ও পাঁচ বছর পরও বেঁচে আছে, কতটি পরিপক্ব হয়েছে, কোথায় বৃক্ষ আচ্ছাদন বেড়েছে, কোথায় গাছ নষ্ট হয়েছে এবং তা পুনরুদ্ধারে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
জাতীয় পর্যায়ে প্রতিবছর একটি “জাতীয় বৃক্ষ প্রতিবেদন” প্রকাশ করা যেতে পারে। সেখানে দেশের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সামগ্রিক অগ্রগতি, গাছের টিকে থাকার হার, নতুন বৃক্ষ আচ্ছাদন, জেলা ও উপজেলা ভিত্তিক কর্মদক্ষতা এবং ভবিষ্যৎ করণীয় তুলে ধরা হবে। স্যাটেলাইট প্রযুক্তি, জিআইএস এবং ডিজিটাল মানচিত্র ব্যবহার করে এই তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই করা আজ আর কঠিন নয়।
অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি হলো, যা পরিমাপ করা হয়, তা-ই ব্যবস্থাপনা করা যায়; আর যা ব্যবস্থাপনা করা যায়, তা-ই উন্নত করা সম্ভব। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতেও এই নীতি সমানভাবে প্রযোজ্য।
যে জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন, পৌরসভা বা সিটি করপোরেশন সবচেয়ে ভালো করবে, তাদের জাতীয়ভাবে স্বীকৃতি দেওয়া যেতে পারে। আবার যেখানে গাছের টিকে থাকার হার কম হবে, সেখানে কারণ চিহ্নিত করে দ্রুত সংশোধনমূলক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
গাছ শুধু পরিবেশ নয়, অর্থনৈতিক সম্পদ
গাছ শুধু পরিবেশ রক্ষার উপাদান নয়; এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক সম্পদ। বিশেষ করে গ্রামীণ বাংলাদেশের জন্য আম, কাঁঠাল, লিচু, নারকেল, সুপারি, পেয়ারাসহ ফলদ গাছ বহু বছর ধরে খাদ্য, পুষ্টি ও আয় নিশ্চিত করতে পারে। একটি ভালোভাবে পরিচর্যা করা পরিপক্ব ফলদ গাছ প্রতিবছর কয়েক হাজার থেকে কয়েক দশ হাজার টাকা আয় দিতে পারে। কয়েকটি সুস্থ গাছই একটি পরিবারের জন্য সময়ের সঙ্গে কয়েক লাখ টাকার সম্পদে পরিণত হতে পারে।
একটি গাছ শুধু ফল দেয় না; এটি সন্তানের শিক্ষা, চিকিৎসা কিংবা জরুরি সময়ে একটি পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তার ভিত্তি হতে পারে। একই সঙ্গে ফলদ ও বনজ গাছ স্থানীয় অর্থনীতি, ক্ষুদ্র শিল্প, কর্মসংস্থান এবং ভবিষ্যতের সবুজ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করে।
তাই ২৫ কোটি গাছের কর্মসূচি শুধু পরিবেশ রক্ষার উদ্যোগ নয়; এটি লাখো পরিবারের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা এবং দেশের দীর্ঘমেয়াদি সবুজ সম্পদ গড়ে তোলার একটি জাতীয় বিনিয়োগ। তবে সেই সম্ভাবনা বাস্তব হবে তখনই, যখন চারাগুলো বেঁচে থেকে পরিপক্ব গাছে পরিণত হবে।
প্রতিটি গাছের একজন অভিভাবক
প্রতিটি রোপিত গাছের একজন দায়িত্বশীল অভিভাবক থাকা উচিত। তিনি হতে পারেন একজন শিক্ষার্থী, একটি পরিবার, একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অথবা একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান। স্কুল ও কলেজে “আমার গাছ, আমার দায়িত্ব” কর্মসূচি চালু করা যেতে পারে, যাতে শিক্ষার্থীরা শুধু গাছ লাগানো নয়, গাছ বাঁচানোর দায়িত্বও নেয়।
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি তার তরুণ জনগোষ্ঠী। দেশে আনুমানিক ৬ কোটির বেশি জেনারেশন জেড রয়েছে। যদি প্রত্যেকে মাত্র ৫টি গাছের দায়িত্ব নেয় এবং সেগুলো বাঁচিয়ে বড় করে, তাহলে প্রায় ৩০ কোটি গাছ নিরাপদ ভবিষ্যৎ পেতে পারে। প্রযুক্তিতে দক্ষ এই প্রজন্ম মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে গাছের অবস্থান, ছবি ও পরিচর্যার তথ্য সংরক্ষণ করে একটি জাতীয় ডিজিটাল বৃক্ষ মানচিত্র তৈরিতেও নেতৃত্ব দিতে পারে।
সরকার, স্থানীয় সরকার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় সংগঠন এবং সাধারণ মানুষ একসঙ্গে কাজ করলে ২৫ কোটি গাছের কর্মসূচি বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ নাগরিকভিত্তিক সবুজ আন্দোলনে পরিণত হতে পারে।
ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধের শক্তি
বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ধর্মীয় মূল্যবোধ আমাদের প্রকৃতি রক্ষার শিক্ষা দেয়। ইসলামে গাছ লাগানো এবং মানুষের উপকারে আসে এমন কাজকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
মহানবী (সা.) বলেছেন, “যদি কিয়ামত সংঘটিত হতে থাকে এবং তোমাদের কারও হাতে একটি চারা থাকে, আর যদি সে তা রোপণ করতে সক্ষম হয়, তবে সে যেন তা রোপণ করে।” (মুসনাদ আহমদ)
আরেকটি সহিহ হাদিসে তিনি বলেছেন, “কোনো মুসলমান যদি একটি গাছ রোপণ করে, এরপর মানুষ, পাখি বা অন্য কোনো প্রাণী তা থেকে খায়, তবে তা তার জন্য সদকা হিসেবে গণ্য হয়।” (সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিম)
এই শিক্ষা শুধু গাছ লাগানোর নয়, গাছের যত্ন নেওয়া এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য তা সংরক্ষণেরও শিক্ষা দেয়। তাই মসজিদ, মন্দির, গির্জা, প্যাগোডা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক সংগঠনগুলোকে এই জাতীয় উদ্যোগের অংশীদার করা যেতে পারে। ধর্মীয় নেতা, শিক্ষক এবং সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা যদি গাছ বাঁচানোর বার্তা ছড়িয়ে দেন, তাহলে এটি একটি সামাজিক সংস্কৃতিতে পরিণত হতে পারে।

উন্নয়ন মানে সবুজ উন্নয়ন
বাংলাদেশের উন্নয়ন আজ বিশ্বের কাছে প্রশংসিত। পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল ও অন্যান্য বড় অবকাঠামো আমাদের সক্ষমতার প্রতীক। কিন্তু উন্নয়ন শুধু কংক্রিট দিয়ে পরিমাপ করা যায় না। একটি সত্যিকার উন্নত দেশ সেই দেশ, যেখানে মানুষ বিশুদ্ধ বাতাস পায়, শহরগুলো বাসযোগ্য থাকে এবং প্রকৃতি উন্নয়নের অংশীদার হয়।
একটি পরিপক্ব গাছ শুধু ছায়া দেয় না; এটি খাদ্য, আয়, বিশুদ্ধ বায়ু, কার্বন শোষণ ও জীববৈচিত্র্যের উৎস। অনেক অবকাঠামোর মূল্য সময়ের সঙ্গে কমে, কিন্তু একটি সুস্থ গাছের মূল্য ও উপকারিতা বাড়তেই থাকে।
আজও আব্বার সঙ্গে নওগাঁর গ্রামের সেই আম ও কাঁঠালের চারা লাগানোর স্মৃতি আমাকে মনে করিয়ে দেয়, একটি গাছ মানে ভবিষ্যতের জন্য একটি উপহার। আজ বাংলাদেশের সামনেও সেই সুযোগ এসেছে।
একটি নতুন জাতীয় অঙ্গীকার
২৫ কোটি গাছের উদ্যোগকে সফল করতে হলে এটিকে একটি জাতীয় বৃক্ষ পরিচর্যা আন্দোলনে পরিণত করতে হবে। সরকার নীতি ও নেতৃত্ব দেবে, স্থানীয় সরকার জবাবদিহি নিশ্চিত করবে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় সংগঠন অংশীদার হবে, আর প্রতিটি পরিবার অন্তত একটি গাছের দায়িত্ব নেবে।
আমাদের জাতীয় অঙ্গীকার হোক:
একটি গাছ লাগাব।
একটি গাছ বাঁচাব।
একটি গাছ বড় করব।
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রেখে যাব।
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে শুধু কত গাছ লাগানো হলো তার ওপর নয়, কত গাছ বেঁচে থাকল তার ওপর। যেদিন কেন্দ্রীয় সরকার থেকে শুরু করে সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, স্থানীয় সরকার এবং প্রতিটি নাগরিক গাছের টিকে থাকার জন্য জবাবদিহি করবেন, সেদিনই শুরু হবে বাংলাদেশের প্রকৃত সবুজ বিপ্লব।
“গাছ লাগানো একটি দিনের কাজ।
গাছ বাঁচানো একটি প্রজন্মের দায়িত্ব।”
গাছ লাগানো নয় গাছ বাঁচানো হোক বাংলাদেশের জাতীয় আন্দোলন।
Reporter Name 





















