রাজধানীর বাংলামোটরে চাঁদা না পেয়ে মারধর ও ফাঁকা গুলিবর্ষণের অভিযোগের মামলায় গ্রেপ্তার যুবদলের বহিষ্কৃত নেতা ফেরদৌস আহমেদ সাইমনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানা এ আদেশ দেন।
এদিন ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হাতিরঝিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নাসিম আসামিকে তিন দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে, গত ২ অক্টোবর সাইমনসহ চারজনকে বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। অপর আসামিরা হলেন—ওমর (৩২), মোর্শেদ (২৫) ও মো. শাওন (২৫)।
নথি থেকে জানা গেছে, গত ১ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটের দিকে হাতিরঝিল থানাধীন বাংলামোটরের নিউ ইস্কাটন এলাকায় একটি বাসার সামনে বাদী মো. সোহানের পথরোধ করেন আসামিরা। এ সময় প্রধান আসামি ফেরদৌস আহমেদ সাইমন তার কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন।
বাদী চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সাইমন পিস্তল বের করে তার বুকের দিকে তাক করেন এবং গুলি করার চেষ্টা করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। একপর্যায়ে সাইমন পিস্তলের বাট দিয়ে বাদীর মাথায় আঘাত করেন। অন্য আসামিরাও তাকে মারধর করেন।
পরে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে আসামিরা ঘটনাস্থল থেকে চলে যান। আহত বাদী স্থানীয় একটি ফার্মেসিতে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য যাওয়ার পথে বাদীর ভগ্নিপতি মো. মোক্তার হোসেন তার কাছে আসেন।
নথি থেকে আরও জানা গেছে, এ সময় সাইমনসহ অন্য আসামিরা মোটরসাইকেলে ঘটনাস্থলে এসে আবারও বাদীকে মারধরের চেষ্টা করেন। বাধা দিতে গেলে মোক্তার হোসেনকেও মারধর করা হয়। এ ছাড়া আসামি সাইমন পিস্তল দিয়ে তিন রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়েন।
পরে স্থানীয় লোকজন ধাওয়া করে কয়েকজনকে আটক করেন। সাইমনও পালানোর চেষ্টাকালে আটক হন। খবর পেয়ে হাতিরঝিল থানাপুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের হেফাজতে নেয়।
ওই ঘটনায় ভুক্তভোগী ও বাদী মো. সোহান মামলাটি দায়ের করেন।
Reporter Name 




























