Dhaka ০১:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
ত্রিশালে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে মসজিদের ইমাম গ্রেফতার শরিফাতুন্নিছা মহিলা মাদরাসায় অভিভাবক সম্মেলন ও বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়নে গ্রীন রোড শো মানুষকে পরিবেশ সচেতন করে তুলবে ভালো বেতনের চাকুরির দেওয়ার প্রলোভন দেকিয়ে নোয়াখালীর যুবক কে কালীগঞ্জে ডেকে এনে অপহরণ করে মুক্তি পনের জন্য নির্যাতন চার যুবক আটক বুড়িচংয়ে ৩ হাজার ৩৩০ কৃষকের মাঝে কৃষি প্রণোদনা বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন মরিচ ক্ষেতে ১০ ফুট লম্বা গাঁজা গাছ উদ্ধার, কৃষকের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি জামালপুর বিএনপির উদ্যোগে মাদকবিরোধী র‍্যালি অনুষ্ঠিত- জুলাইকে প্রশ্নবিদ্ধ করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে জুলাই যোদ্ধাদের সংবাদ সম্মেলন। আদর্শিক ও সাংগঠনিক উন্নয়নে মণিরামপুরে ইসলামী আন্দোলনের তালিম কর্মসূচি অনুষ্ঠিত ‎সুপার ট্যালেন্টপুল বৃত্তি অর্জন করে পুরাইকলা সবুজ বাংলা একাডেমির মুখ উজ্জ্বল করল সিদরাতুল মুনতাহা লামিয়া
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

বিদেশ থেকেও দেশে মামলা পরিচালনা সম্ভব!

  • Reporter Name
  • সময়: ০৪:৩২:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬
  • ১০৫ Time View

-অ্যাড. মোঃ কামরুজ্জামান ভূঁইয়া,


বর্তমান বিশ্বে প্রবাসীরা নানা কারণে তাদের মাতৃভূমিতে থাকা সম্পত্তি ও আইনি বিষয়গুলো নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকেন। অনেকেই ভাবেন, “বিদেশে থাকলে কি দেশে জমি, ফ্ল্যাট বা ব্যবসা সংক্রান্ত মামলা করা সম্ভব?” উত্তরে বলতে পারি, হ্যাঁ, অবশ্যই সম্ভব। তবে বিষয়টি সঠিকভাবে করতে হলে কিছু প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়।

প্রথম ধাপ হলো পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি (Power of Attorney)। এটি একটি আইনগত দলিল, যার মাধ্যমে আপনি আপনার পক্ষ থেকে দায়িত্বশীল কোনো আত্মীয় বা বিশ্বস্ত বন্ধুকে আদালতের কাজের অনুমতি দিতে পারেন। এই অধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তি আপনার হয়ে মামলা পরিচালনা করবে, আবেদন দাখিল করবে, আদালতের নোটিশ গ্রহণ করবে এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সাজাবে।

দ্বিতীয় ধাপ হলো বাংলাদেশ দূতাবাস বা হাই-কমিশনের সত্যায়ন। যে দেশে আপনি অবস্থান করছেন, সেখানকার দূতাবাসে গিয়ে পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি দলিলকে স্বীকৃত ও সত্যায়িত করাতে হবে। এটি নিশ্চিত করে যে, বিদেশ থেকে করা আইনগত কর্মকাণ্ড বাংলাদেশে বৈধ এবং আদালতের কাছে গ্রহণযোগ্য।

তৃতীয় ধাপ হলো অনলাইন মনিটরিং ও ডিজিটাল যোগাযোগ। বর্তমান যুগে প্রযুক্তির সাহায্যে আপনি বিদেশ থেকেও নিয়মিতভাবে আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে পারেন। মামলার আপডেট জানতে পারেন, প্রয়োজনীয় নথি মেল বা স্ক্যানের মাধ্যমে পাঠাতে পারেন। বিশেষ পরিস্থিতিতে আদালত ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সাক্ষ্য গ্রহণের অনুমতিও দেয়।

সুতরাং, প্রবাসী হিসেবে দেশে সম্পত্তি বা মামলা সংক্রান্ত ঝামেলা থাকলে হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই। সঠিকভাবে পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি তৈরি, দূতাবাসে সত্যায়ন এবং আইনজীবীর সঙ্গে নিয়মিত ডিজিটাল যোগাযোগ বজায় রেখে আপনি বিদেশ থেকেও দেশের আদালতে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন।

সতর্কতা: বিশ্বাসযোগ্য আইনজীবী ও বিশ্বস্ত প্রতিনিধি নির্বাচন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া দলিলপত্র এবং আদালতের নোটিশ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

ধন্যবাদ জানাই,

অ্যাডভোকেট মোঃ কামরুজ্জামান ভূঁইয়া
বহু সংখ্যক আইন গ্রন্থ প্রনেতা
গবেষক ও কলামিষ্ট

আরও পড়ুনঃ  সংসদে বাজেটকে ‘চানাচুর মার্কা’ বললেন এমপি আমির হামজা
Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

ত্রিশালে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে মসজিদের ইমাম গ্রেফতার

বিদেশ থেকেও দেশে মামলা পরিচালনা সম্ভব!

সময়: ০৪:৩২:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

-অ্যাড. মোঃ কামরুজ্জামান ভূঁইয়া,


বর্তমান বিশ্বে প্রবাসীরা নানা কারণে তাদের মাতৃভূমিতে থাকা সম্পত্তি ও আইনি বিষয়গুলো নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকেন। অনেকেই ভাবেন, “বিদেশে থাকলে কি দেশে জমি, ফ্ল্যাট বা ব্যবসা সংক্রান্ত মামলা করা সম্ভব?” উত্তরে বলতে পারি, হ্যাঁ, অবশ্যই সম্ভব। তবে বিষয়টি সঠিকভাবে করতে হলে কিছু প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়।

প্রথম ধাপ হলো পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি (Power of Attorney)। এটি একটি আইনগত দলিল, যার মাধ্যমে আপনি আপনার পক্ষ থেকে দায়িত্বশীল কোনো আত্মীয় বা বিশ্বস্ত বন্ধুকে আদালতের কাজের অনুমতি দিতে পারেন। এই অধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তি আপনার হয়ে মামলা পরিচালনা করবে, আবেদন দাখিল করবে, আদালতের নোটিশ গ্রহণ করবে এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সাজাবে।

দ্বিতীয় ধাপ হলো বাংলাদেশ দূতাবাস বা হাই-কমিশনের সত্যায়ন। যে দেশে আপনি অবস্থান করছেন, সেখানকার দূতাবাসে গিয়ে পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি দলিলকে স্বীকৃত ও সত্যায়িত করাতে হবে। এটি নিশ্চিত করে যে, বিদেশ থেকে করা আইনগত কর্মকাণ্ড বাংলাদেশে বৈধ এবং আদালতের কাছে গ্রহণযোগ্য।

তৃতীয় ধাপ হলো অনলাইন মনিটরিং ও ডিজিটাল যোগাযোগ। বর্তমান যুগে প্রযুক্তির সাহায্যে আপনি বিদেশ থেকেও নিয়মিতভাবে আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে পারেন। মামলার আপডেট জানতে পারেন, প্রয়োজনীয় নথি মেল বা স্ক্যানের মাধ্যমে পাঠাতে পারেন। বিশেষ পরিস্থিতিতে আদালত ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সাক্ষ্য গ্রহণের অনুমতিও দেয়।

সুতরাং, প্রবাসী হিসেবে দেশে সম্পত্তি বা মামলা সংক্রান্ত ঝামেলা থাকলে হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই। সঠিকভাবে পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি তৈরি, দূতাবাসে সত্যায়ন এবং আইনজীবীর সঙ্গে নিয়মিত ডিজিটাল যোগাযোগ বজায় রেখে আপনি বিদেশ থেকেও দেশের আদালতে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন।

সতর্কতা: বিশ্বাসযোগ্য আইনজীবী ও বিশ্বস্ত প্রতিনিধি নির্বাচন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া দলিলপত্র এবং আদালতের নোটিশ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

ধন্যবাদ জানাই,

অ্যাডভোকেট মোঃ কামরুজ্জামান ভূঁইয়া
বহু সংখ্যক আইন গ্রন্থ প্রনেতা
গবেষক ও কলামিষ্ট

আরও পড়ুনঃ  আত্রাই রেললাইনের পাশে পড়ে ছিল কলেজ অধ্যক্ষের মরদেহ!!