Dhaka ০২:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াত দিবসে সুনামগঞ্জ জেলা শিল্প কলা একাডেমীর শ্রদ্ধার্ঘ নিবেদন ভবানী ভবনে হাজিরা দিলেন– অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর পি এ সুমিত রায় চন্দনাইশে উত্তর বরকল এলাকাবাসীর উদ্যোগে মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত কালিয়াকৈরে জাতীয় রোবোটিক্স উৎসব ” রোবোফিউশন ১.০” চট্টগ্রামে বেওয়ারিশ মানবসেবা বৃদ্ধাশ্রমের বাসিন্দাদের নিয়ে ‘এক মুঠো ভালোবাসা’ শীর্ষক মানবিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে নান্দনিক চট্টলা ভালুকার ডাকাতিয়া ইউনিয়নে মহিলা দলের কর্মী সম্মেলন লুণ্ঠিত মালামাল ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার; প্রযুক্তিনির্ভর তদন্তে সাফল্য ঝিনাইদহ ডিবির গোয়ালন্দে ছুরিকাঘাতে যুবলীগ নেতার মৃত্যু গোদাগাড়ীতে বিরল রোগে ভুগছে ২ বছরের অবোধ শিশু, চিকিৎসার অভাবে নিভতে বসেছে শিশু মায়েসার জীবন সাহায্যের হাত বাড়ানোর আকুল আবেদন পরিবেশের ভারসম্য রক্ষায় সবুজায়ন বৃদ্ধি জরুরি —- এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পি
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার আগে কেন আর্থিক সক্ষমতার ওপর এত গুরুত্ব দিচ্ছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ?

  • Reporter Name
  • সময়: ১১:০৪:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬
  • ৮ Time View

 

হাকিকুল ইসলাম খোকন,মোঃনাসির,বাপসনিউজ:


যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা বা গ্রিন কার্ডের আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে আর্থিক সক্ষমতা (Financial Self-Sufficiency) এখন আগের চেয়ে আরও বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। কর্তৃপক্ষের মূল লক্ষ্য হলো—দেশে প্রবেশের পর কোনো ব্যক্তি যেন সরকারি আর্থিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে না পড়েন। এ কারণে আবেদনকারীর আয়, সম্পদ, চাকরি, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং আর্থিক অবস্থা এখন নিবিড়ভাবে যাচাই করা হচ্ছে। খবর আইবিএননিউজ।

যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন আইনের “Public Charge” নীতির আওতায় কনস্যুলার কর্মকর্তা বা ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস (USCIS) আবেদনকারীর সামগ্রিক আর্থিক পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে দেখেন তিনি ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রে এসে নিজের খরচ বহন করতে পারবেন কি না। এজন্য ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, সম্পত্তির কাগজপত্র, বিনিয়োগ, নিয়মিত আয় এবং প্রয়োজনে স্পনসরের আর্থিক সক্ষমতার তথ্যও বিবেচনায় নেওয়া হয়।

অভিবাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধুমাত্র স্পনসর থাকলেই হবে না—অনেক ক্ষেত্রে আবেদনকারীর নিজস্ব আর্থিক ভিত্তিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে অভিবাসী ভিসা ও গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ দেখতে চায়, তারা যুক্তরাষ্ট্রে এসে দীর্ঘমেয়াদে স্বাবলম্বী থাকতে পারবেন কি না।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন “পাবলিক চার্জ” মূল্যায়ন সংক্রান্ত নীতিতে পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে, যার ফলে অভিবাসন কর্মকর্তারা আবেদনকারীর আর্থিক অবস্থা মূল্যায়নে আরও বিস্তৃত বিবেচনার সুযোগ পাচ্ছেন। এ কারণে আর্থিক নথিপত্র, আয়ের প্রমাণ এবং স্পনসরের কাগজপত্র সঠিকভাবে প্রস্তুত রাখা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

অভিবাসন আইনজীবীদের পরামর্শ, যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে আবেদনপত্র জমা দেওয়ার আগে নিজের আর্থিক তথ্য, কর রিটার্ন, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, চাকরির প্রমাণপত্র এবং স্পনসরের নথি ভালোভাবে প্রস্তুত রাখা উচিত। এতে ভিসা বা গ্রিন কার্ড আবেদন প্রক্রিয়ায় অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব বা জটিলতার ঝুঁকি কমে।

আরও পড়ুনঃ  জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে রাজধানীতে কড়া নিরাপত্তা, নিষিদ্ধ সংগঠনের তৎপরতায় গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার
Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াত দিবসে সুনামগঞ্জ জেলা শিল্প কলা একাডেমীর শ্রদ্ধার্ঘ নিবেদন

যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার আগে কেন আর্থিক সক্ষমতার ওপর এত গুরুত্ব দিচ্ছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ?

সময়: ১১:০৪:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬

 

হাকিকুল ইসলাম খোকন,মোঃনাসির,বাপসনিউজ:


যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা বা গ্রিন কার্ডের আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে আর্থিক সক্ষমতা (Financial Self-Sufficiency) এখন আগের চেয়ে আরও বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। কর্তৃপক্ষের মূল লক্ষ্য হলো—দেশে প্রবেশের পর কোনো ব্যক্তি যেন সরকারি আর্থিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে না পড়েন। এ কারণে আবেদনকারীর আয়, সম্পদ, চাকরি, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং আর্থিক অবস্থা এখন নিবিড়ভাবে যাচাই করা হচ্ছে। খবর আইবিএননিউজ।

যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন আইনের “Public Charge” নীতির আওতায় কনস্যুলার কর্মকর্তা বা ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস (USCIS) আবেদনকারীর সামগ্রিক আর্থিক পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে দেখেন তিনি ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রে এসে নিজের খরচ বহন করতে পারবেন কি না। এজন্য ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, সম্পত্তির কাগজপত্র, বিনিয়োগ, নিয়মিত আয় এবং প্রয়োজনে স্পনসরের আর্থিক সক্ষমতার তথ্যও বিবেচনায় নেওয়া হয়।

অভিবাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধুমাত্র স্পনসর থাকলেই হবে না—অনেক ক্ষেত্রে আবেদনকারীর নিজস্ব আর্থিক ভিত্তিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে অভিবাসী ভিসা ও গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ দেখতে চায়, তারা যুক্তরাষ্ট্রে এসে দীর্ঘমেয়াদে স্বাবলম্বী থাকতে পারবেন কি না।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন “পাবলিক চার্জ” মূল্যায়ন সংক্রান্ত নীতিতে পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে, যার ফলে অভিবাসন কর্মকর্তারা আবেদনকারীর আর্থিক অবস্থা মূল্যায়নে আরও বিস্তৃত বিবেচনার সুযোগ পাচ্ছেন। এ কারণে আর্থিক নথিপত্র, আয়ের প্রমাণ এবং স্পনসরের কাগজপত্র সঠিকভাবে প্রস্তুত রাখা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

অভিবাসন আইনজীবীদের পরামর্শ, যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে আবেদনপত্র জমা দেওয়ার আগে নিজের আর্থিক তথ্য, কর রিটার্ন, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, চাকরির প্রমাণপত্র এবং স্পনসরের নথি ভালোভাবে প্রস্তুত রাখা উচিত। এতে ভিসা বা গ্রিন কার্ড আবেদন প্রক্রিয়ায় অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব বা জটিলতার ঝুঁকি কমে।

আরও পড়ুনঃ  বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াত দিবসে সুনামগঞ্জ জেলা শিল্প কলা একাডেমীর শ্রদ্ধার্ঘ নিবেদন