Dhaka ১০:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
ইস্টার্ন রিফাইনারি আধুনিকায়নে আইডিবির সঙ্গে বিলিয়ন ডলারের ঋণচুক্তি যেখানে মানুষের পরিচয়ই সবচেয়ে বড় সুনামগঞ্জে শ্রীকৃষ্ণ ও রাধারানীর আবির্ভাব তিথি উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন ও কুইজ প্রতিযোগিতা ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ২ নং চাড়োল ইউনিয়ন বিএনপির প্রস্তুতি মুলক সভা অনুষ্ঠিত পুঠিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে মন্টু আলী গ্রেপ্তার, ৩ মাসের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড বিএমএসএফ রংপুর জেলা সম্পাদক মশিউর রহমান উৎস হত্যা; মূল আসামীকে খালাস দেওয়ায় ক্ষুব্ধ মা মিয়ানমারে পাচারের সময় ১১ হাজার কেজি সারসহ ৩ পাচারকারী আটক জ্বিন তাড়ানোর নামে তরুণীকে পিটিয়ে জখম: যশোরে ‘আয়না কবিরাজ’-এর প্রতারণার মুখোশ উন্মোচন শান্তিগঞ্জে হ্যান্ডকাফ পরা অবস্থায় আসামিকে ছিনিয়ে নিল স্বজনরা বোয়ালমারী জর্জ একাডেমির পরিবর্তে দানবীর ছবদু মিয়া একাডেমির প্রস্তাব জনমনে
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

যেখানে মানুষের পরিচয়ই সবচেয়ে বড়

  • Reporter Name
  • সময়: ০৯:১৪:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫ Time View

“আবেদা সুলতানার কণ্ঠে নজরুলের কালজয়ী কবিতা”

 

মানুষের সবচেয়ে বড় পরিচয় তার মানবিকতায়। তার চিন্তা, মূল্যবোধ, অনুভূতি ও সৃষ্টিশীলতার মধ্য দিয়েই একজন মানুষ নিজেকে আলাদা করে তুলে ধরেন। আর কবিতা—মানুষের সেই অন্তর্গত অনুভূতিকে শব্দের সৌন্দর্যে প্রকাশ করার এক অনন্য শিল্পমাধ্যম।

সম্প্রতি আবেদা সুলতানার কণ্ঠে কাজী নজরুল ইসলামের একটি কালজয়ী কবিতা শোনার সুযোগ হলো। তাঁর কণ্ঠের সাবলীলতা, আবেগ, শব্দের স্পষ্ট উচ্চারণ এবং আন্তরিক উপস্থাপনা কবিতাটিকে যেন নতুন এক আবহে শ্রোতাদের সামনে তুলে ধরেছে। তাঁর আবৃত্তিতে নজরুলের কবিতার শক্তি, মানবিকতা ও গভীর অনুভূতি সুন্দরভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

আবেদা সুলতানার কবিতার সঙ্গে সম্পর্ক আজকের নয়। এর আগেও তিনি বিভিন্ন সময়ে কবিতা আবৃত্তি করেছেন। কবিতার প্রতি তাঁর ভালোবাসা ও অনুরাগ শুধু আবৃত্তিতেই সীমাবদ্ধ নয়—তিনি নিজেও কবিতা লেখেন। অর্থাৎ কবিতাকে তিনি কখনো কণ্ঠে ধারণ করেন, আবার কখনো নিজের অনুভূতি ও চিন্তার ভাষায় শব্দে প্রকাশ করেন। এই দ্বিমুখী সৃষ্টিশীলতাই তাঁর শিল্পীসত্তাকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।

নজরুলের কবিতা মানেই বিদ্রোহ, সাম্য, মানবতা, ভালোবাসা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে উচ্চারণ। তাঁর কবিতার প্রতিটি শব্দ যেন মানুষকে জাগিয়ে তোলে, অন্যায়ের সামনে মাথা নত না করার সাহস দেয়। আবেদা সুলতানার মতো একজন আবৃত্তিশিল্পীর কণ্ঠে নজরুলের সেই চিরন্তন বার্তা নতুন প্রজন্মের কাছেও পৌঁছে যেতে পারে।

একজন কবি যখন নিজের অনুভূতি শব্দে প্রকাশ করেন, আর একজন আবৃত্তিশিল্পী যখন সেই শব্দকে কণ্ঠে প্রাণ দেন—তখন কবিতা শুধু পড়া হয় না, তা অনুভব করা যায়। আবেদা সুলতানার আবৃত্তিতে সেই অনুভবের স্পর্শই বিশেষভাবে লক্ষণীয়।

তাঁর সুন্দর আবৃত্তির জন্য রইল আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা। তাঁর কণ্ঠে ভবিষ্যতে আরও অনেক কালজয়ী কবিতা শোনার পাশাপাশি তাঁর নিজের লেখা কবিতাগুলোও বৃহত্তর পাঠকসমাজের কাছে পৌঁছাবে—এমন প্রত্যাশা রইল।

শিল্প ও সাহিত্যচর্চার এই সুন্দর পথচলা আরও সমৃদ্ধ হোক। তাঁর সৃষ্টিশীল কণ্ঠ ও কলমে আরও অনেক সুন্দর কবিতার জন্ম হোক—কবি আবিদা সুলতানার নিরন্তর শুভকামনা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী দুই সাংবাদিক মোঃনাসির ও সিনিয়র সাংবাদিক এবং লায়ন হাকিকুল ইসলাম খোকন ।

আরও পড়ুনঃ  শতাধিক কবিতা প্রকাশ, সাহিত্যাঙ্গনে স্বতন্ত্র পদচিহ্ন
Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

ইস্টার্ন রিফাইনারি আধুনিকায়নে আইডিবির সঙ্গে বিলিয়ন ডলারের ঋণচুক্তি

যেখানে মানুষের পরিচয়ই সবচেয়ে বড়

সময়: ০৯:১৪:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

“আবেদা সুলতানার কণ্ঠে নজরুলের কালজয়ী কবিতা”

 

মানুষের সবচেয়ে বড় পরিচয় তার মানবিকতায়। তার চিন্তা, মূল্যবোধ, অনুভূতি ও সৃষ্টিশীলতার মধ্য দিয়েই একজন মানুষ নিজেকে আলাদা করে তুলে ধরেন। আর কবিতা—মানুষের সেই অন্তর্গত অনুভূতিকে শব্দের সৌন্দর্যে প্রকাশ করার এক অনন্য শিল্পমাধ্যম।

সম্প্রতি আবেদা সুলতানার কণ্ঠে কাজী নজরুল ইসলামের একটি কালজয়ী কবিতা শোনার সুযোগ হলো। তাঁর কণ্ঠের সাবলীলতা, আবেগ, শব্দের স্পষ্ট উচ্চারণ এবং আন্তরিক উপস্থাপনা কবিতাটিকে যেন নতুন এক আবহে শ্রোতাদের সামনে তুলে ধরেছে। তাঁর আবৃত্তিতে নজরুলের কবিতার শক্তি, মানবিকতা ও গভীর অনুভূতি সুন্দরভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

আবেদা সুলতানার কবিতার সঙ্গে সম্পর্ক আজকের নয়। এর আগেও তিনি বিভিন্ন সময়ে কবিতা আবৃত্তি করেছেন। কবিতার প্রতি তাঁর ভালোবাসা ও অনুরাগ শুধু আবৃত্তিতেই সীমাবদ্ধ নয়—তিনি নিজেও কবিতা লেখেন। অর্থাৎ কবিতাকে তিনি কখনো কণ্ঠে ধারণ করেন, আবার কখনো নিজের অনুভূতি ও চিন্তার ভাষায় শব্দে প্রকাশ করেন। এই দ্বিমুখী সৃষ্টিশীলতাই তাঁর শিল্পীসত্তাকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।

নজরুলের কবিতা মানেই বিদ্রোহ, সাম্য, মানবতা, ভালোবাসা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে উচ্চারণ। তাঁর কবিতার প্রতিটি শব্দ যেন মানুষকে জাগিয়ে তোলে, অন্যায়ের সামনে মাথা নত না করার সাহস দেয়। আবেদা সুলতানার মতো একজন আবৃত্তিশিল্পীর কণ্ঠে নজরুলের সেই চিরন্তন বার্তা নতুন প্রজন্মের কাছেও পৌঁছে যেতে পারে।

একজন কবি যখন নিজের অনুভূতি শব্দে প্রকাশ করেন, আর একজন আবৃত্তিশিল্পী যখন সেই শব্দকে কণ্ঠে প্রাণ দেন—তখন কবিতা শুধু পড়া হয় না, তা অনুভব করা যায়। আবেদা সুলতানার আবৃত্তিতে সেই অনুভবের স্পর্শই বিশেষভাবে লক্ষণীয়।

তাঁর সুন্দর আবৃত্তির জন্য রইল আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা। তাঁর কণ্ঠে ভবিষ্যতে আরও অনেক কালজয়ী কবিতা শোনার পাশাপাশি তাঁর নিজের লেখা কবিতাগুলোও বৃহত্তর পাঠকসমাজের কাছে পৌঁছাবে—এমন প্রত্যাশা রইল।

শিল্প ও সাহিত্যচর্চার এই সুন্দর পথচলা আরও সমৃদ্ধ হোক। তাঁর সৃষ্টিশীল কণ্ঠ ও কলমে আরও অনেক সুন্দর কবিতার জন্ম হোক—কবি আবিদা সুলতানার নিরন্তর শুভকামনা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী দুই সাংবাদিক মোঃনাসির ও সিনিয়র সাংবাদিক এবং লায়ন হাকিকুল ইসলাম খোকন ।

আরও পড়ুনঃ  শতাধিক কবিতা প্রকাশ, সাহিত্যাঙ্গনে স্বতন্ত্র পদচিহ্ন