Dhaka ১১:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
উখিয়ার কোনাপাড়ায় বন্যার্তদের মাঝে বিজিবির ত্রাণ বিতরণ নরসিংদীর শিবপুরে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসে সভাপতি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মুঃ আব্দুর রহিম গৌরীপুরের আহাদুজ্জামান খান আরজু হাত থেকে রেহাই পেতে মনোয়ারা বেগম থানার অভিযোগ ‎বরগুনায় পাউবো’র জমি অবৈধ দখল করে মার্কেট নির্মাণের অভিযোগ বগুড়া সদরে গভীর রাতে যাত্রীবাহী বাসে ৩০০ অ্যাম্পুল বুপ্রেনরফাইন ইনজেকশন উদ্ধার, গ্রেফতার ১!! উখিয়ায় বিজিবির জালে ২ চোরাকারবারি, উদ্ধার ১২ লাখ ৪৮ হাজার টাকা টেকনাফে ডিএনসির অভিযানে ২ হাজার ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা নারী আটক সুনামগঞ্জ জেলা জাতীয়তাবাদি পূজা উদযাপন ফ্রন্টের উদ্যোগে বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত পাবনা সদরের এমপির বিরুদ্ধে ‘কটূক্তির’ প্রতিবাদে ভাঙ্গুড়া উপজেলা ছাত্রদলের বিক্ষোভ, এনসিপি অবাঞ্ছিত ঘোষণা ডিম বোঝায় ট্রাকের দুর্ঘটনা,ডিম কুড়াতে সড়ক অবরোধ,সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫,অতিউৎসাহী হয়ে একাধিক বাসে দুর্বৃত্তদের আগুন
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

সুনামগঞ্জ এইচএসসিতে ফল বিপর্যয়: অভিভাবকরা হতাশ

 

সুনামগঞ্জ বিশেষ প্রতিনিধি: তৌফিকুর রহমান তাহের,

 

সুনামগঞ্জ জেলায় এইচএসসি পরীক্ষায় এবার ভয়াবহ ফল বিপর্যয় ঘটেছে। জেলার প্রতিটি কলেজে ফলাফল নিয়ে হতাশ অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা।

 

 

সিলেট শিক্ষা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর সুনামগঞ্জ জেলার ১২ হাজার ৫৩৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র ৫ হাজার ৭৬৫ জন পাস করেছে। পাশের হার ৪৭.৩৫ শতাংশ। অর্থাৎ, ফেল করেছে ৬ হাজার ৭৭০ জন শিক্ষার্থী, যা মোট পরীক্ষার্থীর ৫২.৬৫ শতাংশ।

 

 

গত বছর পাশের হার ছিল ৮৬.৯৪ শতাংশ — এক বছরের ব্যবধানে ৩৯.৫৯ শতাংশ কমে যাওয়া দেশের অন্য কোনো জেলায় নজিরবিহীন।

 

 

 

জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে বড় ধস
২০২৪ সালে সুনামগঞ্জে ৪৩৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেলেও, ২০২৫ সালে এই সংখ্যা নেমে এসেছে মাত্র ৬০ জনে। এক বছরে ৩৭৬ জনের পতন, যা ৮৬ শতাংশ হ্রাস নির্দেশ করে।

 

 

সেরা প্রতিষ্ঠান

জিপিএ-৫ প্রাপ্তির দিক থেকে সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ সবচেয়ে এগিয়ে, যেখানে ৩২ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।

পাশের হারে শীর্ষে রয়েছে দোয়ারাবাজার উপজেলার সমুজ আলী হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, যার পাশের হার ৯৪.৬৪ শতাংশ। উপজেলাভিত্তিক ফলাফলে শাল্লা উপজেলা সামগ্রিকভাবে এগিয়ে।

 

 

 

সবচেয়ে খারাপ ফলাফল

•   দোয়ারাবাজারের প্রগতি হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ: ৭৩ জনের     মধ্যে পাস ৪ জন (৫.৪৮%)।

•   দিরাইয়ের রজনীগঞ্জ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ: ৪৭ জনের     মধ্যে পাস ৩ জন (৬.৩৮%)।

•  ধর্মপাশার গোলকপুর হাজী এ. হাফেজ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ: ১৫ জনের মধ্যে পাস ১ জন (৬.৬৭%)।

 

এছাড়াও জেলার ২৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশের হার ৩০ শতাংশের নিচে।

 

 

 

অভিভাবকদের প্রতিক্রিয়া

ফল বিপর্যয়ে হতাশ অভিভাবকরা বলেন,

আমরা অনেক আশা নিয়ে সন্তানদের কলেজে পাঠাই যেন তারা লেখাপড়া করে ভালো ফল করে আমাদের মুখ উজ্জ্বল করে। এবারের ফলাফল আমাদের খুব কষ্ট দিয়েছে। এখন ছাত্র-শিক্ষক-অভিভাবক সবাইকে মিলে পড়ালেখার পরিবেশ ঠিক করতে হবে।”

 

আরও পড়ুনঃ  ভাঙা বাঁধে লোকালয়ে ঢুকছে বন্যার পানি, দুর্ভোগে মৌলভীবাজারের মানুষ

 

প্রশাসনের মন্তব্য

এ বিষয়ে দিরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সঞ্জীব সরকার বলেন,

আশানুরূপ ফল হয়নি। আমরা কলেজগুলোতে শিক্ষার মান উন্নয়নে পদক্ষেপ নেব।”

 

 

 

 

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

উখিয়ার কোনাপাড়ায় বন্যার্তদের মাঝে বিজিবির ত্রাণ বিতরণ

সুনামগঞ্জ এইচএসসিতে ফল বিপর্যয়: অভিভাবকরা হতাশ

সময়: ০৬:৫৮:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫

 

সুনামগঞ্জ বিশেষ প্রতিনিধি: তৌফিকুর রহমান তাহের,

 

সুনামগঞ্জ জেলায় এইচএসসি পরীক্ষায় এবার ভয়াবহ ফল বিপর্যয় ঘটেছে। জেলার প্রতিটি কলেজে ফলাফল নিয়ে হতাশ অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা।

 

 

সিলেট শিক্ষা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর সুনামগঞ্জ জেলার ১২ হাজার ৫৩৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র ৫ হাজার ৭৬৫ জন পাস করেছে। পাশের হার ৪৭.৩৫ শতাংশ। অর্থাৎ, ফেল করেছে ৬ হাজার ৭৭০ জন শিক্ষার্থী, যা মোট পরীক্ষার্থীর ৫২.৬৫ শতাংশ।

 

 

গত বছর পাশের হার ছিল ৮৬.৯৪ শতাংশ — এক বছরের ব্যবধানে ৩৯.৫৯ শতাংশ কমে যাওয়া দেশের অন্য কোনো জেলায় নজিরবিহীন।

 

 

 

জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে বড় ধস
২০২৪ সালে সুনামগঞ্জে ৪৩৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেলেও, ২০২৫ সালে এই সংখ্যা নেমে এসেছে মাত্র ৬০ জনে। এক বছরে ৩৭৬ জনের পতন, যা ৮৬ শতাংশ হ্রাস নির্দেশ করে।

 

 

সেরা প্রতিষ্ঠান

জিপিএ-৫ প্রাপ্তির দিক থেকে সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ সবচেয়ে এগিয়ে, যেখানে ৩২ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।

পাশের হারে শীর্ষে রয়েছে দোয়ারাবাজার উপজেলার সমুজ আলী হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, যার পাশের হার ৯৪.৬৪ শতাংশ। উপজেলাভিত্তিক ফলাফলে শাল্লা উপজেলা সামগ্রিকভাবে এগিয়ে।

 

 

 

সবচেয়ে খারাপ ফলাফল

•   দোয়ারাবাজারের প্রগতি হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ: ৭৩ জনের     মধ্যে পাস ৪ জন (৫.৪৮%)।

•   দিরাইয়ের রজনীগঞ্জ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ: ৪৭ জনের     মধ্যে পাস ৩ জন (৬.৩৮%)।

•  ধর্মপাশার গোলকপুর হাজী এ. হাফেজ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ: ১৫ জনের মধ্যে পাস ১ জন (৬.৬৭%)।

 

এছাড়াও জেলার ২৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশের হার ৩০ শতাংশের নিচে।

 

 

 

অভিভাবকদের প্রতিক্রিয়া

ফল বিপর্যয়ে হতাশ অভিভাবকরা বলেন,

আমরা অনেক আশা নিয়ে সন্তানদের কলেজে পাঠাই যেন তারা লেখাপড়া করে ভালো ফল করে আমাদের মুখ উজ্জ্বল করে। এবারের ফলাফল আমাদের খুব কষ্ট দিয়েছে। এখন ছাত্র-শিক্ষক-অভিভাবক সবাইকে মিলে পড়ালেখার পরিবেশ ঠিক করতে হবে।”

 

আরও পড়ুনঃ  চট্টগ্রামে পাহাড়ধসের ঝুঁকি হ্রাসে প্রয়োজন পূর্ব সতর্কীকরণ ও প্রাথমিক ব্যবস্থার উন্নয়ন

 

প্রশাসনের মন্তব্য

এ বিষয়ে দিরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সঞ্জীব সরকার বলেন,

আশানুরূপ ফল হয়নি। আমরা কলেজগুলোতে শিক্ষার মান উন্নয়নে পদক্ষেপ নেব।”