
সোহাগ মিয়া, মাধবপুর প্রতিনিধি:
মাধবপুরে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়েছেন স্ত্রী। ৬ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন ওই নারী। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্ত্রী মোছাঃ আকলিমা খাতুন সহ অজ্ঞাত ৩/৪জনের বিরুদ্ধে হবিগঞ্জ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কগ-০৬ আদালতে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী স্বামী জমসেদ মিয়া।
মামলা সূত্রে জানা যায়, মাধবপুর উপজেলার বাঘাসুরা ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামের আমিরুল হকের পুত্র জমসেদ মিয়ার সাথে একই ইউনিয়নের কালিনগর গ্রামের বাসিন্দা মৃত: বাচ্চু মিয়ার কন্যা মোছাঃ আকলিমা খাতুন এর শরীয়তের বিদানমতে বিয়ে হয়।
গত বুধবার (০৪মার্চ) সকাল আনুমানিক ১১ঘটিকার দিকে স্বামীর বসতঘর থেকে স্বামীর বিদেশে যাওয়ার জন্য জমানো দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা, ১ভরি স্বর্ণালঙ্কার যাহার মূল আনুমানিক দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা, কাপড়চোপড় যাহার মূল আনুমানিক বিশ হাজার টাকা, সর্বমোট ৫ পাঁচ লক্ষ বিশ হাজার টাকার মালামাল নিয়ে বাড়ি থেকে উধাও হয় স্ত্রী মোছাঃ আকলিমা খাতুন। এরপর থেকে প্রায় ৬দিন পেরিয়ে গেলেও তার কোনো সন্ধান মেলেনি।
ভোক্তভোগী জমসেদ মিয়া বলেন, বেশ কিছু দিন যাবৎ লোকমুখে শুনতে পাই আমার স্ত্রী সংসারের প্রতি উদাসীন হয়ে আমার অগোচরে বিভিন্ন সময় বাবার বাড়ি ও অজ্ঞাত স্থানে আসা যাওয়া করত, ওই দিন আমি জরুরি কাজে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে যাই। কাজ শেষে বাড়ি ফিরে আমার স্ত্রীকে না পেয়ে মোবাইলে যোগাযোগ করতে চাইলে মোবাইলটি বন্ধ পাই। তৎক্ষনাৎ আশপাশে বিভিন্ন স্থানে খোজাখুজি করার প্রাক্কালে লোকমুখে জানতে পারি আমার স্ত্রী হাতে একটি ট্রলি ব্যাগ নিয়ে বাবার বাড়ির দিকে রওনা দেয়।
পরবর্তীতে আমার শ্বশুর বাড়িতে যোগাযোগ করা হলেও কোন ধরনের সদুত্তর না পেয়ে এবং আমার স্ত্রীসহ চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার না করতে পেরে আমি আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়েছি।
ভুক্তভোগী জমসেদ মিয়া আরও বলেন, ‘আমার সুখের সংসার ছিল। আমার স্ত্রী কষ্টার্জিত টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়েছে। আমি প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাই, তাকে আটক করে আমার অর্থ ও স্বর্ণালংকার উদ্ধারের ব্যবস্থা করা হোক।’
এ বিষয়ে আসামী মোছাঃ আকলিমা খাতুনের গর্ভধারিণী মায়ের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমার মেয়ের বিয়ের পর থেকে খুব সুন্দরমতো স্বামীর সংসার করে আসছে, মেয়ের স্বামীও তাকে খুব ভালবাসে। কারও প্ররোচনায় পড়ে স্বামীর সাথে এমন করল কিনা তা ভাবার বিষয়। আমিও জানি না মেয়েটা কোথায় আছে, কি করছে।
মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুব মোরশেদ খাঁন বলেন, আদালত থেকে মামলার নথি থানায় আসলে আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করব।
Reporter Name 
























