Dhaka ০৬:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
শরিফাতুন্নিছা মহিলা মাদরাসায় অভিভাবক সম্মেলন ও বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়নে গ্রীন রোড শো মানুষকে পরিবেশ সচেতন করে তুলবে ভালো বেতনের চাকুরির দেওয়ার প্রলোভন দেকিয়ে নোয়াখালীর যুবক কে কালীগঞ্জে ডেকে এনে অপহরণ করে মুক্তি পনের জন্য নির্যাতন চার যুবক আটক বুড়িচংয়ে ৩ হাজার ৩৩০ কৃষকের মাঝে কৃষি প্রণোদনা বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন মরিচ ক্ষেতে ১০ ফুট লম্বা গাঁজা গাছ উদ্ধার, কৃষকের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি জামালপুর বিএনপির উদ্যোগে মাদকবিরোধী র‍্যালি অনুষ্ঠিত- জুলাইকে প্রশ্নবিদ্ধ করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে জুলাই যোদ্ধাদের সংবাদ সম্মেলন। আদর্শিক ও সাংগঠনিক উন্নয়নে মণিরামপুরে ইসলামী আন্দোলনের তালিম কর্মসূচি অনুষ্ঠিত ‎সুপার ট্যালেন্টপুল বৃত্তি অর্জন করে পুরাইকলা সবুজ বাংলা একাডেমির মুখ উজ্জ্বল করল সিদরাতুল মুনতাহা লামিয়া আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নে কাজের প্রত্যয় কালিগঞ্জ থানায় নতুন ওসি শহিদুল ইসলাম
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

৫০ বছরের মধ্যে নিউইয়র্কে সবচেয়ে বড় আবাসন প্রকল্প

  • Reporter Name
  • সময়: ১০:৫৭:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬
  • ৯৭ Time View

 

নিউইয়র্কের ব্যস্ততম রেলইয়ার্ড সানিসাইড ইয়ার্ডকে ঘিরে তৈরি হতে যাচ্ছে একটি বৃহৎ প্রকল্প। এখানে ২১ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি ফেডারেল অনুদান ব্যবহার করে বিশ্বের বৃহত্তম ডেক নির্মাণ করা হবে, যার ওপর গড়ে উঠবে ১২ হাজার নতুন সাশ্রয়ী আবাসন ইউনিট। এর মধ্যে ছয় হাজার হবে মিচেল-লামা ধাঁচের দীর্ঘমেয়াদি সাশ্রয়ী বাসস্থান। এতে ৩০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে। এই প্রকল্প নির্মাণের জন্য মেয়র জোহরান মামদানি চেষ্টা করছেন। সেখানে সরকারের সহায়তাও চেয়েছেন। ইতোমধ্যে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে বিষয়টি উঠে এসেছে।

গত ২৬ ফেব্রুয়ারি নিউইয়র্ক সিটির আবাসন সংকট মোকাবিলায় এক যুগান্তকারী পদক্ষেপের অংশ হিসেবে সিটি মেয়র জোহরান মামদানি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে কুইন্সের সানিসাইড ইয়ার্ড এলাকায় বৃহৎ পরিসরে সাশ্রয়ী আবাসন নির্মাণে ফেডারেল বিনিয়োগ নিশ্চিত করার প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়।

মেয়রের অফিস থেকে জানানো হয়, উত্তর আমেরিকার ব্যস্ততম রেলইয়ার্ড সানিসাইড ইয়ার্ডকে ঘিরে প্রস্তাবিত এই প্রকল্পকে ‘এক প্রজন্মে একবার আসা’ সুযোগ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২১ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি ফেডারেল অনুদান ব্যবহার করে বিশ্বের বৃহত্তম ডেক নির্মাণ করা হবে, যার ওপর গড়ে উঠবে ১২ হাজার নতুন সাশ্রয়ী আবাসন ইউনিট। এর মধ্যে ছয় হাজার হবে মিচেল-লামা ধাঁচের দীর্ঘমেয়াদি সাশ্রয়ী বাসস্থান। এ ছাড়া প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সৃষ্টি হবে ৩০ হাজার মানসম্মত ইউনিয়ন চাকরি এবং এলাকায় যুক্ত হবে নতুন পার্ক, স্কুল ও স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি গত ৫০ বছরের মধ্যে নিউইয়র্ক সিটির সবচেয়ে বড় আবাসন ও অবকাঠামো বিনিয়োগ হিসেবে ইতিহাসে স্থান নিতে পারে।

বৈঠক শেষে মেয়র মামদানি বলেন, নিউইয়র্ক সিটি আজ প্রজন্মব্যাপী এক ব্যয়-সংকটের মুখোমুখি। যেসব পরিশ্রমী পরিবার এই শহর গড়েছে, তারা ক্রমেই নিজ নিজ পাড়া থেকে বিতাড়িত হচ্ছে। এই মুহূর্তে আমাদের এমন এক ফেডারেল অংশীদার দরকার, যারা সাহসী বিনিয়োগ ও দ্রুত পদক্ষেপে প্রস্তুত। ১৯৭৩ সালের পর একক কোনো প্রকল্পে এত বিপুল আবাসন নির্মাণের সম্ভাবনা নিয়ে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগকে আমি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি।

আরও পড়ুনঃ  আত্রাই রেললাইনের পাশে পড়ে ছিল কলেজ অধ্যক্ষের মরদেহ!!

মেয়র জোর দিয়ে বলেন, সাশ্রয়ী আবাসন উন্নয়নে সহায়ক অর্থায়ন কাঠামো শক্তিশালী করা, সরকারি আবাসন সংরক্ষণ এবং শ্রমমান ও কমিউনিটির অংশগ্রহণ অক্ষুণ্ন রেখে নির্মাণ-প্রক্রিয়া দ্রুততর করতে নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ এখন সময়ের দাবি। তিনি আশ্বস্ত করেন, ফেডারেল তহবিল ব্যবহারে নগর প্রশাসন স্বচ্ছতা, আর্থিক দায়িত্বশীলতা ও পারস্পরিক সহযোগিতাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবে, যাতে প্রতিটি ডলার নিউইয়র্কবাসীর জন্য নিরাপদ ও সত্যিকারের সাশ্রয়ী আবাসনে রূপ নেয়।

বৈঠক শেষে উভয় পক্ষই আগামী সপ্তাহগুলোতে আলোচনা অব্যাহত রাখার বিষয়ে একমত হন, যা নিউইয়র্ক সিটির আবাসন ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

তথ্যসূত্র:

  1. আইবিএননিউজ (IBN News) – সংবাদ সূত্র হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

  2. হাকিকুল ইসলাম খোকন – প্রতিবেদক/সংবাদদাতা (বাপসনিউজ)।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

শরিফাতুন্নিছা মহিলা মাদরাসায় অভিভাবক সম্মেলন ও বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

৫০ বছরের মধ্যে নিউইয়র্কে সবচেয়ে বড় আবাসন প্রকল্প

সময়: ১০:৫৭:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

 

নিউইয়র্কের ব্যস্ততম রেলইয়ার্ড সানিসাইড ইয়ার্ডকে ঘিরে তৈরি হতে যাচ্ছে একটি বৃহৎ প্রকল্প। এখানে ২১ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি ফেডারেল অনুদান ব্যবহার করে বিশ্বের বৃহত্তম ডেক নির্মাণ করা হবে, যার ওপর গড়ে উঠবে ১২ হাজার নতুন সাশ্রয়ী আবাসন ইউনিট। এর মধ্যে ছয় হাজার হবে মিচেল-লামা ধাঁচের দীর্ঘমেয়াদি সাশ্রয়ী বাসস্থান। এতে ৩০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে। এই প্রকল্প নির্মাণের জন্য মেয়র জোহরান মামদানি চেষ্টা করছেন। সেখানে সরকারের সহায়তাও চেয়েছেন। ইতোমধ্যে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে বিষয়টি উঠে এসেছে।

গত ২৬ ফেব্রুয়ারি নিউইয়র্ক সিটির আবাসন সংকট মোকাবিলায় এক যুগান্তকারী পদক্ষেপের অংশ হিসেবে সিটি মেয়র জোহরান মামদানি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে কুইন্সের সানিসাইড ইয়ার্ড এলাকায় বৃহৎ পরিসরে সাশ্রয়ী আবাসন নির্মাণে ফেডারেল বিনিয়োগ নিশ্চিত করার প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়।

মেয়রের অফিস থেকে জানানো হয়, উত্তর আমেরিকার ব্যস্ততম রেলইয়ার্ড সানিসাইড ইয়ার্ডকে ঘিরে প্রস্তাবিত এই প্রকল্পকে ‘এক প্রজন্মে একবার আসা’ সুযোগ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২১ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি ফেডারেল অনুদান ব্যবহার করে বিশ্বের বৃহত্তম ডেক নির্মাণ করা হবে, যার ওপর গড়ে উঠবে ১২ হাজার নতুন সাশ্রয়ী আবাসন ইউনিট। এর মধ্যে ছয় হাজার হবে মিচেল-লামা ধাঁচের দীর্ঘমেয়াদি সাশ্রয়ী বাসস্থান। এ ছাড়া প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সৃষ্টি হবে ৩০ হাজার মানসম্মত ইউনিয়ন চাকরি এবং এলাকায় যুক্ত হবে নতুন পার্ক, স্কুল ও স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি গত ৫০ বছরের মধ্যে নিউইয়র্ক সিটির সবচেয়ে বড় আবাসন ও অবকাঠামো বিনিয়োগ হিসেবে ইতিহাসে স্থান নিতে পারে।

বৈঠক শেষে মেয়র মামদানি বলেন, নিউইয়র্ক সিটি আজ প্রজন্মব্যাপী এক ব্যয়-সংকটের মুখোমুখি। যেসব পরিশ্রমী পরিবার এই শহর গড়েছে, তারা ক্রমেই নিজ নিজ পাড়া থেকে বিতাড়িত হচ্ছে। এই মুহূর্তে আমাদের এমন এক ফেডারেল অংশীদার দরকার, যারা সাহসী বিনিয়োগ ও দ্রুত পদক্ষেপে প্রস্তুত। ১৯৭৩ সালের পর একক কোনো প্রকল্পে এত বিপুল আবাসন নির্মাণের সম্ভাবনা নিয়ে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগকে আমি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি।

আরও পড়ুনঃ  রংপুরের পীরগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় ৬৬৫ জন নারী

মেয়র জোর দিয়ে বলেন, সাশ্রয়ী আবাসন উন্নয়নে সহায়ক অর্থায়ন কাঠামো শক্তিশালী করা, সরকারি আবাসন সংরক্ষণ এবং শ্রমমান ও কমিউনিটির অংশগ্রহণ অক্ষুণ্ন রেখে নির্মাণ-প্রক্রিয়া দ্রুততর করতে নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ এখন সময়ের দাবি। তিনি আশ্বস্ত করেন, ফেডারেল তহবিল ব্যবহারে নগর প্রশাসন স্বচ্ছতা, আর্থিক দায়িত্বশীলতা ও পারস্পরিক সহযোগিতাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবে, যাতে প্রতিটি ডলার নিউইয়র্কবাসীর জন্য নিরাপদ ও সত্যিকারের সাশ্রয়ী আবাসনে রূপ নেয়।

বৈঠক শেষে উভয় পক্ষই আগামী সপ্তাহগুলোতে আলোচনা অব্যাহত রাখার বিষয়ে একমত হন, যা নিউইয়র্ক সিটির আবাসন ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

তথ্যসূত্র:

  1. আইবিএননিউজ (IBN News) – সংবাদ সূত্র হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

  2. হাকিকুল ইসলাম খোকন – প্রতিবেদক/সংবাদদাতা (বাপসনিউজ)।