Dhaka ০৮:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় বাড়ায় কর্মীদের বেতন-চেকে চাপ সিনেটের লড়াইয়ে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কারিশমা মানজুর এনবিসি সঞ্চালক ক্রিস্টেন ওয়েলকারকে এফসিসির মাধ্যমে শাস্তির হুমকি ট্রাম্পের বাঘায় মাদকদ্রব্যসহ গ্রেপ্তার ১, পরোয়ানাভুক্ত আরও ৫ আসামি আটক ভাঙ্গুড়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব হলেন আলাউদ্দিন সরকার গোদাগাড়ীর কৃতী সন্তান সাবেক আইজিপি বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. এম এনামুল হককে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সরকারি গাড়িতে চা-পার্টিতে যাওয়ার অভিযোগ, গণপিটুনির শিকার এসিল্যান্ডসহ কয়েকজন ঠাকুরগাঁওয়ের সমতলের চা বাগান দেখে মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত নরসিংদীর শিবপুরে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন ৫ সেপ্টেম্বরের লংমার্চ-সমাবেশ ঘিরে সিএমপি কমিশনারের সঙ্গে জামায়াতের মতবিনিময়
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

ইরানকে চাপে ফেলতে ট্রাম্পের নতুন অর্থনৈতিক যুদ্ধ, চীনের সহযোগিতা কি মিলবে?

  • Reporter Name
  • সময়: ০৮:০৪:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৪ Time View

গত সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ইরানের বিরুদ্ধে নতুন একটি ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ ঘোষণা করেছেন। সামরিক অভিযানের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ার পর এবার অর্থনৈতিকভাবে তেহরানকে কোণঠাসা করার কৌশল নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন।

সাধারণত ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির মতো সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র প্রথমে কূটনৈতিক পথ অনুসরণ করে। এরপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা বাড়ানো হয় এবং সবশেষে সামরিক শক্তি ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনায় আসে। কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসন এবার সেই প্রচলিত ধারার বাইরে গিয়ে কূটনীতির পর সামরিক হামলার পথ বেছে নেয়।

ট্রাম্পের লক্ষ্য ছিল ইরানের প্রায় ১১ টন সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত পরিত্যাগে বাধ্য করা এবং সম্ভব হলে দেশটির সরকারকে পতনের দিকে ঠেলে দেওয়া। তবে ১৮ জন মার্কিন সেনা ও শত শত, এমনকি হাজারো ইরানির প্রাণহানি এবং ১০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয়ের পরও সেই লক্ষ্য অর্জিত হয়নি।

এখন নতুন করে ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ নামে বড় ধরনের অর্থনৈতিক অভিযান শুরু করতে চাইছে ওয়াশিংটন। হোয়াইট হাউসের ভাষায়, এর লক্ষ্য হলো ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখা অবশিষ্ট সব অর্থনৈতিক জীবনরেখা বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া।

পরিকল্পনার আওতায় ইরানে অর্থ প্রবাহের সবশেষ পথও বন্ধ করার চেষ্টা করা হবে। এর মধ্যে ছদ্মবেশী ডিজিটাল লেনদেন, জাহাজ থেকে জাহাজে তেল স্থানান্তর এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বর্ণের লেনদেনের মতো ব্যবস্থাও রয়েছে।

মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেছেন, ইরানের হাতে থাকা প্রতিটি বিকল্প ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত এই অভিযান চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে নতুন এই উদ্যোগকে ঘিরে বড় প্রশ্নও উঠেছে। যদি এত কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রয়োগের সুযোগ আগে থেকেই থাকে, তাহলে সামরিক অভিযান শুরুর আগে সেগুলো ব্যবহার করা হয়নি কেন? সামরিক সংঘাতের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের গোলাবারুদের মজুত এবং সামরিক সক্ষমতার সীমাবদ্ধতাও প্রকাশ্যে এসেছে।

চীনের ভূমিকা নিয়েই বড় প্রশ্ন

ইরানের অর্থনীতিকে কার্যকরভাবে চাপে ফেলতে হলে চীনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ২০২৫ সালে ইরানের মোট তেল রপ্তানির ৮০ শতাংশের বেশি কিনেছে চীন।

আরও পড়ুনঃ  কর্মজীবনে চাকরি নয়, আত্মউন্নয়নই হোক লক্ষ্য

ফলে ইরানের তেল বিক্রির প্রধান বাজার চীনের ওপর চাপ না দিয়ে ওয়াশিংটনের নতুন অর্থনৈতিক অভিযান কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। একই সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, তাইওয়ান, পারমাণবিক সম্প্রসারণ এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যে অতিরিক্ত উৎপাদনসহ বিভিন্ন ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে উত্তেজনা চলছে।

১৯৪৪ সালের নরমান্ডি অভিযানের মূল ‘ডি-ডে’-তে চীনের সহযোগিতার প্রয়োজন ছিল না। কিন্তু ইরানের বিরুদ্ধে এই অর্থনৈতিক ‘ডি-ডে’ সফল করতে চীনের সহযোগিতা প্রয়োজন হতে পারে।

বিশেষ করে এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ওয়াশিংটনে সম্ভাব্য রাষ্ট্রীয় সফরের মাত্র এক মাস আগে বেইজিং ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে সহযোগিতা করবে—এমন কোনো স্পষ্ট ইঙ্গিত এখনো পাওয়া যায়নি।

জর্জটাউন ল স্কুলের ভিজিটিং স্কলার পিটার হ্যারেলের মতে, বিষয়টি অত্যন্ত জটিল। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরুতে ইরানকে চাপে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় ট্রাম্পের সামনে দুটি বড় পথ ছিল—চীনের ওপর কঠোর চাপ সৃষ্টি করা অথবা ইরানি তেলবাহী ট্যাঙ্কারের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ আরোপ করা।

নিষেধাজ্ঞার পুরোনো পথেই ফিরছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে স্নায়ুযুদ্ধের শেষ দিকের পূর্ব ইউরোপের পরিস্থিতির সরাসরি তুলনা করাও কঠিন। বার্লিন প্রাচীর পতনের সময় সেখানে কোনো সক্রিয় বাহ্যিক যুদ্ধ চলছিল না। বরং সোভিয়েত ইউনিয়ন ও তার মিত্রদের রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ছিল।

তবু ট্রাম্প প্রশাসনের বর্তমান কৌশলের পেছনে হয়তো সেই ইতিহাস থেকেই শিক্ষা নেওয়ার চেষ্টা রয়েছে।

গত ফেব্রুয়ারিতে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার পরিবর্তে দ্রুত সামরিক শক্তি প্রয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার মধ্য দিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন কার্যত স্বীকার করেছিল যে নিষেধাজ্ঞা ধীরগতিতে কাজ করে এবং ইতিহাসে এর সাফল্যও সীমিত।

কিন্তু সামরিক অভিযান প্রত্যাশিত ফল না দেওয়ায় এখন আবার সেই অর্থনৈতিক চাপের পথেই ফিরছে ওয়াশিংটন।

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো—ইরানের প্রধান তেল ক্রেতা চীনকে পাশে না পেলে ট্রাম্পের এই নতুন অর্থনৈতিক ‘ডি-ডে’ আদৌ কতটা সফল হবে?

আরও পড়ুনঃ  কর্মজীবনে চাকরি নয়, আত্মউন্নয়নই হোক লক্ষ্য
Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় বাড়ায় কর্মীদের বেতন-চেকে চাপ

ইরানকে চাপে ফেলতে ট্রাম্পের নতুন অর্থনৈতিক যুদ্ধ, চীনের সহযোগিতা কি মিলবে?

সময়: ০৮:০৪:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গত সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ইরানের বিরুদ্ধে নতুন একটি ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ ঘোষণা করেছেন। সামরিক অভিযানের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ার পর এবার অর্থনৈতিকভাবে তেহরানকে কোণঠাসা করার কৌশল নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন।

সাধারণত ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির মতো সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র প্রথমে কূটনৈতিক পথ অনুসরণ করে। এরপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা বাড়ানো হয় এবং সবশেষে সামরিক শক্তি ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনায় আসে। কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসন এবার সেই প্রচলিত ধারার বাইরে গিয়ে কূটনীতির পর সামরিক হামলার পথ বেছে নেয়।

ট্রাম্পের লক্ষ্য ছিল ইরানের প্রায় ১১ টন সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত পরিত্যাগে বাধ্য করা এবং সম্ভব হলে দেশটির সরকারকে পতনের দিকে ঠেলে দেওয়া। তবে ১৮ জন মার্কিন সেনা ও শত শত, এমনকি হাজারো ইরানির প্রাণহানি এবং ১০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয়ের পরও সেই লক্ষ্য অর্জিত হয়নি।

এখন নতুন করে ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ নামে বড় ধরনের অর্থনৈতিক অভিযান শুরু করতে চাইছে ওয়াশিংটন। হোয়াইট হাউসের ভাষায়, এর লক্ষ্য হলো ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখা অবশিষ্ট সব অর্থনৈতিক জীবনরেখা বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া।

পরিকল্পনার আওতায় ইরানে অর্থ প্রবাহের সবশেষ পথও বন্ধ করার চেষ্টা করা হবে। এর মধ্যে ছদ্মবেশী ডিজিটাল লেনদেন, জাহাজ থেকে জাহাজে তেল স্থানান্তর এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বর্ণের লেনদেনের মতো ব্যবস্থাও রয়েছে।

মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেছেন, ইরানের হাতে থাকা প্রতিটি বিকল্প ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত এই অভিযান চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে নতুন এই উদ্যোগকে ঘিরে বড় প্রশ্নও উঠেছে। যদি এত কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রয়োগের সুযোগ আগে থেকেই থাকে, তাহলে সামরিক অভিযান শুরুর আগে সেগুলো ব্যবহার করা হয়নি কেন? সামরিক সংঘাতের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের গোলাবারুদের মজুত এবং সামরিক সক্ষমতার সীমাবদ্ধতাও প্রকাশ্যে এসেছে।

চীনের ভূমিকা নিয়েই বড় প্রশ্ন

ইরানের অর্থনীতিকে কার্যকরভাবে চাপে ফেলতে হলে চীনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ২০২৫ সালে ইরানের মোট তেল রপ্তানির ৮০ শতাংশের বেশি কিনেছে চীন।

আরও পড়ুনঃ  কর্মজীবনে চাকরি নয়, আত্মউন্নয়নই হোক লক্ষ্য

ফলে ইরানের তেল বিক্রির প্রধান বাজার চীনের ওপর চাপ না দিয়ে ওয়াশিংটনের নতুন অর্থনৈতিক অভিযান কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। একই সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, তাইওয়ান, পারমাণবিক সম্প্রসারণ এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যে অতিরিক্ত উৎপাদনসহ বিভিন্ন ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে উত্তেজনা চলছে।

১৯৪৪ সালের নরমান্ডি অভিযানের মূল ‘ডি-ডে’-তে চীনের সহযোগিতার প্রয়োজন ছিল না। কিন্তু ইরানের বিরুদ্ধে এই অর্থনৈতিক ‘ডি-ডে’ সফল করতে চীনের সহযোগিতা প্রয়োজন হতে পারে।

বিশেষ করে এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ওয়াশিংটনে সম্ভাব্য রাষ্ট্রীয় সফরের মাত্র এক মাস আগে বেইজিং ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে সহযোগিতা করবে—এমন কোনো স্পষ্ট ইঙ্গিত এখনো পাওয়া যায়নি।

জর্জটাউন ল স্কুলের ভিজিটিং স্কলার পিটার হ্যারেলের মতে, বিষয়টি অত্যন্ত জটিল। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরুতে ইরানকে চাপে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় ট্রাম্পের সামনে দুটি বড় পথ ছিল—চীনের ওপর কঠোর চাপ সৃষ্টি করা অথবা ইরানি তেলবাহী ট্যাঙ্কারের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ আরোপ করা।

নিষেধাজ্ঞার পুরোনো পথেই ফিরছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে স্নায়ুযুদ্ধের শেষ দিকের পূর্ব ইউরোপের পরিস্থিতির সরাসরি তুলনা করাও কঠিন। বার্লিন প্রাচীর পতনের সময় সেখানে কোনো সক্রিয় বাহ্যিক যুদ্ধ চলছিল না। বরং সোভিয়েত ইউনিয়ন ও তার মিত্রদের রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ছিল।

তবু ট্রাম্প প্রশাসনের বর্তমান কৌশলের পেছনে হয়তো সেই ইতিহাস থেকেই শিক্ষা নেওয়ার চেষ্টা রয়েছে।

গত ফেব্রুয়ারিতে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার পরিবর্তে দ্রুত সামরিক শক্তি প্রয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার মধ্য দিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন কার্যত স্বীকার করেছিল যে নিষেধাজ্ঞা ধীরগতিতে কাজ করে এবং ইতিহাসে এর সাফল্যও সীমিত।

কিন্তু সামরিক অভিযান প্রত্যাশিত ফল না দেওয়ায় এখন আবার সেই অর্থনৈতিক চাপের পথেই ফিরছে ওয়াশিংটন।

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো—ইরানের প্রধান তেল ক্রেতা চীনকে পাশে না পেলে ট্রাম্পের এই নতুন অর্থনৈতিক ‘ডি-ডে’ আদৌ কতটা সফল হবে?

আরও পড়ুনঃ  কর্মজীবনে চাকরি নয়, আত্মউন্নয়নই হোক লক্ষ্য