জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন করতে হবে এবং তারা যে স্বপ্নের বাংলাদেশের জন্য জীবন দিয়েছেন, তা বাস্তবায়নে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
শনিবার (৮ আগস্ট) রাতে রাজধানীর উত্তরা ৯ নম্বর সেক্টরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিজ বাসার বারান্দায় পুলিশের গুলিতে নিহত নাঈমা সুলতানার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ডা. শফিকুর রহমান। পরে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন।
জামায়াত আমির বলেন, নাঈমা সুলতানা যে বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করাই এখন সবার অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। এ সময় তিনি নাঈমার পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
তিনি বলেন, নাঈমার মা অত্যন্ত যত্ন ও ভালোবাসায় তাকে বড় করেছিলেন। কিন্তু গণঅভ্যুত্থানের সময় গুলিতে তাকে হারাতে হয়েছে। শহীদ পরিবারের সদস্যদের এই ত্যাগ কোনোভাবেই ভোলার নয়।
ডা. শফিকুর রহমান জানান, তিনি ইতোমধ্যে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত অনেকের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। নাঈমার পরিবারের বাসা কাছাকাছি হওয়া সত্ত্বেও তাদের সঙ্গে দেখা করতে কিছুটা দেরি হওয়ায় তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।
সাক্ষাৎকালে তিনি নাঈমার পরিবারের জন্য দোয়া করেন এবং শহীদ পরিবারগুলোর প্রত্যাশা পূরণে নিজের পক্ষ থেকে ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে দেশ ও জাতির কল্যাণ ও মঙ্গল কামনা করেন।
এ সময় জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. রেজাউল করিম, অধ্যক্ষ আশরাফুল হক, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও উত্তরা পূর্ব অঞ্চলের পরিচালক জামাল উদ্দিন, উত্তরা পশ্চিম অঞ্চলের সহকারী পরিচালক মাহবুবুল আলমসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
পরে রাতে জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর উত্তরের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক আতাউর রহমান সরকারের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
Reporter Name 





















