কুড়িগ্রাম ও ঠাকুরগাঁওয়ের দুই মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে এমপিওভুক্তিতে জালিয়াতি, ভুয়া তথ্য ও স্বাক্ষর ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। অভিযোগ প্রমাণিত হলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি বেতন-ভাতা বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অভিযুক্তরা হলেন কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার কুটিরগ্রাম এম.এইচ বালিকা দাখিল মাদ্রাসার সুপার মো. মাহফুজুর রহমান খন্দকার এবং ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার কিসমত দৌলতপুর দাখিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার মো. নাজিমুল আলম।
অধিদপ্তরের চিঠি অনুযায়ী, মাহফুজুর রহমানের বিরুদ্ধে এর আগেও জালিয়াতির মাধ্যমে একজনের এমপিওভুক্তির আবেদন করার অভিযোগ উঠেছিল। ওই আবেদন বাতিলের পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। এরপর চলতি আগস্টে মীম আক্তার নামে আরেকজনকে এমপিওভুক্ত করতে মহাপরিচালকের প্রতিনিধির স্বাক্ষর ও সিল জাল করে ভুয়া নিয়োগ বোর্ড গঠনের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আবেদনটি বাতিল করা হয়েছে।
এবার মাহফুজুর রহমানের বেতন-ভাতা স্থায়ীভাবে কেন বন্ধ করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। নোটিশ পাওয়ার তিন কার্যদিবসের মধ্যে তাকে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।
অন্যদিকে, নাজিমুল আলমের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার স্বাক্ষর জাল করে তিন শিক্ষকের উচ্চতর স্কেল বা বিএড স্কেলের জন্য মেমিস সিস্টেমে আবেদন করার অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে তাকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে অধিদপ্তরে সশরীরে হাজির হয়ে লিখিত ও মৌখিক ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, অভিযোগগুলোর বিষয়ে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা না পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Reporter Name 






















