Dhaka ০১:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
ছয় বছর ধরে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির ই-মেল, পরিচিতদের কাছে নানা অভিযোগ ও টাকা চাওয়ার বার্তা সামরিক স্থাপনা থেকে দূরে থাকার আহ্বান, হামলার ছবি-ভিডিও ধারণ ও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশে নিষেধ পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন আসছে রোববার, জানা গেল বিলম্বের কারণ দুবাইয়ে ৭৩ বাংলাদেশির সম্পদের তথ্য চাবে দুদক ইসলামী ব্যাংকে এস আলমের ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার অবরুদ্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের ঢাকা-মস্কো সংসদীয় সম্পর্ক জোরদারে নতুন উদ্যোগ, রুশ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে মৈত্রী গ্রুপের বৈঠক কক্সবাজারে দীঘির নতুন লুক, ছবি প্রকাশের পর ভক্তদের প্রশংসা সরকারি হাসপাতাল থেকে দালালচক্র নির্মূলে কঠোর পদক্ষেপ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী কালীগঞ্জে যাত্রীবাহী বাস খাদে, আহত ২০ নিজ বাড়িতে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী, ৩ বছরের কন্যাসহ জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী খুন
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

যেখানে মানুষের পরিচয়ই সবচেয়ে বড়

  • Reporter Name
  • সময়: ০৯:১৪:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩৫ Time View

“আবেদা সুলতানার কণ্ঠে নজরুলের কালজয়ী কবিতা”

 

মানুষের সবচেয়ে বড় পরিচয় তার মানবিকতায়। তার চিন্তা, মূল্যবোধ, অনুভূতি ও সৃষ্টিশীলতার মধ্য দিয়েই একজন মানুষ নিজেকে আলাদা করে তুলে ধরেন। আর কবিতা—মানুষের সেই অন্তর্গত অনুভূতিকে শব্দের সৌন্দর্যে প্রকাশ করার এক অনন্য শিল্পমাধ্যম।

সম্প্রতি আবেদা সুলতানার কণ্ঠে কাজী নজরুল ইসলামের একটি কালজয়ী কবিতা শোনার সুযোগ হলো। তাঁর কণ্ঠের সাবলীলতা, আবেগ, শব্দের স্পষ্ট উচ্চারণ এবং আন্তরিক উপস্থাপনা কবিতাটিকে যেন নতুন এক আবহে শ্রোতাদের সামনে তুলে ধরেছে। তাঁর আবৃত্তিতে নজরুলের কবিতার শক্তি, মানবিকতা ও গভীর অনুভূতি সুন্দরভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

আবেদা সুলতানার কবিতার সঙ্গে সম্পর্ক আজকের নয়। এর আগেও তিনি বিভিন্ন সময়ে কবিতা আবৃত্তি করেছেন। কবিতার প্রতি তাঁর ভালোবাসা ও অনুরাগ শুধু আবৃত্তিতেই সীমাবদ্ধ নয়—তিনি নিজেও কবিতা লেখেন। অর্থাৎ কবিতাকে তিনি কখনো কণ্ঠে ধারণ করেন, আবার কখনো নিজের অনুভূতি ও চিন্তার ভাষায় শব্দে প্রকাশ করেন। এই দ্বিমুখী সৃষ্টিশীলতাই তাঁর শিল্পীসত্তাকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।

নজরুলের কবিতা মানেই বিদ্রোহ, সাম্য, মানবতা, ভালোবাসা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে উচ্চারণ। তাঁর কবিতার প্রতিটি শব্দ যেন মানুষকে জাগিয়ে তোলে, অন্যায়ের সামনে মাথা নত না করার সাহস দেয়। আবেদা সুলতানার মতো একজন আবৃত্তিশিল্পীর কণ্ঠে নজরুলের সেই চিরন্তন বার্তা নতুন প্রজন্মের কাছেও পৌঁছে যেতে পারে।

একজন কবি যখন নিজের অনুভূতি শব্দে প্রকাশ করেন, আর একজন আবৃত্তিশিল্পী যখন সেই শব্দকে কণ্ঠে প্রাণ দেন—তখন কবিতা শুধু পড়া হয় না, তা অনুভব করা যায়। আবেদা সুলতানার আবৃত্তিতে সেই অনুভবের স্পর্শই বিশেষভাবে লক্ষণীয়।

তাঁর সুন্দর আবৃত্তির জন্য রইল আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা। তাঁর কণ্ঠে ভবিষ্যতে আরও অনেক কালজয়ী কবিতা শোনার পাশাপাশি তাঁর নিজের লেখা কবিতাগুলোও বৃহত্তর পাঠকসমাজের কাছে পৌঁছাবে—এমন প্রত্যাশা রইল।

শিল্প ও সাহিত্যচর্চার এই সুন্দর পথচলা আরও সমৃদ্ধ হোক। তাঁর সৃষ্টিশীল কণ্ঠ ও কলমে আরও অনেক সুন্দর কবিতার জন্ম হোক—কবি আবিদা সুলতানার নিরন্তর শুভকামনা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী দুই সাংবাদিক মোঃনাসির ও সিনিয়র সাংবাদিক এবং লায়ন হাকিকুল ইসলাম খোকন ।

আরও পড়ুনঃ  শতাধিক কবিতা প্রকাশ, সাহিত্যাঙ্গনে স্বতন্ত্র পদচিহ্ন
Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

ছয় বছর ধরে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির ই-মেল, পরিচিতদের কাছে নানা অভিযোগ ও টাকা চাওয়ার বার্তা

যেখানে মানুষের পরিচয়ই সবচেয়ে বড়

সময়: ০৯:১৪:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

“আবেদা সুলতানার কণ্ঠে নজরুলের কালজয়ী কবিতা”

 

মানুষের সবচেয়ে বড় পরিচয় তার মানবিকতায়। তার চিন্তা, মূল্যবোধ, অনুভূতি ও সৃষ্টিশীলতার মধ্য দিয়েই একজন মানুষ নিজেকে আলাদা করে তুলে ধরেন। আর কবিতা—মানুষের সেই অন্তর্গত অনুভূতিকে শব্দের সৌন্দর্যে প্রকাশ করার এক অনন্য শিল্পমাধ্যম।

সম্প্রতি আবেদা সুলতানার কণ্ঠে কাজী নজরুল ইসলামের একটি কালজয়ী কবিতা শোনার সুযোগ হলো। তাঁর কণ্ঠের সাবলীলতা, আবেগ, শব্দের স্পষ্ট উচ্চারণ এবং আন্তরিক উপস্থাপনা কবিতাটিকে যেন নতুন এক আবহে শ্রোতাদের সামনে তুলে ধরেছে। তাঁর আবৃত্তিতে নজরুলের কবিতার শক্তি, মানবিকতা ও গভীর অনুভূতি সুন্দরভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

আবেদা সুলতানার কবিতার সঙ্গে সম্পর্ক আজকের নয়। এর আগেও তিনি বিভিন্ন সময়ে কবিতা আবৃত্তি করেছেন। কবিতার প্রতি তাঁর ভালোবাসা ও অনুরাগ শুধু আবৃত্তিতেই সীমাবদ্ধ নয়—তিনি নিজেও কবিতা লেখেন। অর্থাৎ কবিতাকে তিনি কখনো কণ্ঠে ধারণ করেন, আবার কখনো নিজের অনুভূতি ও চিন্তার ভাষায় শব্দে প্রকাশ করেন। এই দ্বিমুখী সৃষ্টিশীলতাই তাঁর শিল্পীসত্তাকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।

নজরুলের কবিতা মানেই বিদ্রোহ, সাম্য, মানবতা, ভালোবাসা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে উচ্চারণ। তাঁর কবিতার প্রতিটি শব্দ যেন মানুষকে জাগিয়ে তোলে, অন্যায়ের সামনে মাথা নত না করার সাহস দেয়। আবেদা সুলতানার মতো একজন আবৃত্তিশিল্পীর কণ্ঠে নজরুলের সেই চিরন্তন বার্তা নতুন প্রজন্মের কাছেও পৌঁছে যেতে পারে।

একজন কবি যখন নিজের অনুভূতি শব্দে প্রকাশ করেন, আর একজন আবৃত্তিশিল্পী যখন সেই শব্দকে কণ্ঠে প্রাণ দেন—তখন কবিতা শুধু পড়া হয় না, তা অনুভব করা যায়। আবেদা সুলতানার আবৃত্তিতে সেই অনুভবের স্পর্শই বিশেষভাবে লক্ষণীয়।

তাঁর সুন্দর আবৃত্তির জন্য রইল আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা। তাঁর কণ্ঠে ভবিষ্যতে আরও অনেক কালজয়ী কবিতা শোনার পাশাপাশি তাঁর নিজের লেখা কবিতাগুলোও বৃহত্তর পাঠকসমাজের কাছে পৌঁছাবে—এমন প্রত্যাশা রইল।

শিল্প ও সাহিত্যচর্চার এই সুন্দর পথচলা আরও সমৃদ্ধ হোক। তাঁর সৃষ্টিশীল কণ্ঠ ও কলমে আরও অনেক সুন্দর কবিতার জন্ম হোক—কবি আবিদা সুলতানার নিরন্তর শুভকামনা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী দুই সাংবাদিক মোঃনাসির ও সিনিয়র সাংবাদিক এবং লায়ন হাকিকুল ইসলাম খোকন ।

আরও পড়ুনঃ  শতাধিক কবিতা প্রকাশ, সাহিত্যাঙ্গনে স্বতন্ত্র পদচিহ্ন