Dhaka ০১:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
শিক্ষা, মেধা ও প্রত্যাবর্তনের গল্প: ডা. জোবাইদা রহমানের আলোকিত জীবন মানবতার সেবায় কাজ করে যাচ্ছে নটরডেমিয়ান্স ফাউন্ডেশন ও সন্দীপ ফ্রেন্ডস ব্লাড ডোনার নেত্রকোনা সদরে জমি নিয়ে মারামারি এক মহিলা আহত থানার অভিযোগ জিয়াউর রহমানের হত্যাকারী মোজাফফর বনানী থেকে আটক নটরডেমিয়ান্স ফাউন্ডেশনের চিকিৎসা সেবা ও খাবার বিতরণে বন্যার্তদের মাঝে প্রাণের সঞ্চার “ত্রিশালে মৃত্যুর মাঝেও জন্ম, সেই ফাতেমা আজ ৪ বছরে” সুনামগঞ্জে ৩২ লাখ টাকার ভারতীয় কাতান শাড়ির চালান জব্দ রথযাত্রার শুভ লগ্নে-স্বাধীনতা দিবস উৎসব উদযাপন সমিতির ১৩ তম বর্ষ দুর্গোৎসবের খুঁটি পুজোর শুভ সূচনা হলো কক্সবাজারে বিজিবির পৃথক ৪ অভিযানে ২ লাখ ৭ হাজার ৭১৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার, আটক ৭ সাতকানিয়ায় বন্যার্তদের পাশে বাংলাদেশ বেতার চট্টগ্রাম
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

এয়ার ইন্ডিয়া নিয়ে শিল্পী ইমন চক্রবর্তী ও দেবাশিষ ভট্টাচারিয়ার তিক্ত অভিজ্ঞতা শেয়ার

সম্প্রতি শিল্পী ইমন চক্রবর্তী সামাজিক মাধ্যমে তাঁর একটি তিক্ত অভিজ্ঞতা জানিয়েছেন এয়ার ইন্ডিয়া নিয়ে। এই প্রসঙ্গে আমারও একটি তিক্ত অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে ইচ্ছে করছে বন্ধুদের সাথে।..
২০২৩-এ গেছিলাম ‘উত্তর আমেরিকা বঙ্গ সম্মেলন’ অর্থাৎ NABC তে, নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে। তিনদিনের অনুষ্ঠান-শেষে আমরা যখন এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানে ফিরছিলাম, নিউ জার্সির নেওয়ার্ক বিমানবন্দরে লাগেজ দেবার সময় আটকে দিলেন এয়ার ইন্ডিয়ারই এক ভারতীয় ‘মহান’ অফিসার। বললেন, আমার সিন্থেসাইজারের ফ্লাইট-কেসটা নাকি সাইজে কয়েক ইঞ্চি বড় ( ওজনে কোনও সমস্যা নেই )। সুতরাং দিতে হবে 240 ডলার, ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় ২০ হাজার টাকা। বললাম, যাবার সময় তো আপনাদের ফ্লাইটেই গেলাম, তখন তো লাগেনি, এখন কি আমেরিকা গিয়ে ফাইবারের বাক্সটা আকারে বেড়ে গেল? বললাম, আমরা সামান্য শিল্পী, এত পয়সা চলে গেলে থাকবে কি! ভদ্রলোক নিরুত্তর। আমরা তখন মহা বিপদে। কারণ, ফ্লাইট ছাড়তে দেরি নেই। সেই ভয়ে বাধ্য হয়ে এতগুলো ডলার দিয়ে ফ্লাইটে উঠলাম।
মজার ব্যাপার হলো, কলকাতা থেকে যাবার সময় ওই লাগেজের জন্য কিন্তু এক টাকাও দিতে হয়নি। অন্যান্য বারও আর কোনও কোম্পানির বিমানে কখনওই টাকা দিতে হয়নি। রসিকতার আরো বাকি আছে। ওখানে আর যারা সিন্থেসাইজার নিয়ে গেছিল, সকলের ছিল আমারই মডেল, Roland FA-06, এবং একই ফ্লাইট-কেস ( Sound X কোম্পানির )। তাদের কাছে টাকা চায়নি এয়ার ইন্ডিয়া। আমাদের একটা দোষ ছিল, আমরা কয়েকজন ফ্লাইট ছাড়ার খুব অল্প সময় আগে এয়ারপোর্টে পৌঁছেছিলাম। দেরিতে পৌঁছানোর এই সুযোগটাই নিল এয়ার ইন্ডিয়া।
কলকাতায় ফিরে একাধিক বার এয়ার ইন্ডিয়াকে মেইল করে টাকাটা ফেরত দিতে অনুরোধ করেছি। বলেছি, ভারতীয় বিমানে যদি ভারতীয়রাই সুবিধে না পায়, কে পাবে! কিন্তু ওরা আজ অব্দি টাকা ফেরত দেয়নি এবং দেবেও না। বরং উত্তর দিয়েছে, অন্যদের থেকে কেন টাকা নেওয়া হলো না, সেটা ওরা দেখছে।
ব্যক্তিগত উদ্যোগে কিছু টাকার ব্যবস্থা করেছিলেন শিল্পী শোভনসুন্দর বসু, দেব চৌধুরী এবং আমেরিকার এক দিদি । কিন্তু আমার পারিশ্রমিকের বাকি সিংহভাগ টাকাটাই আর উদ্ধার হলো না। বলা বাহুল্য, NABC ও এর কোনও দায় নেয়নি।
ফলে, সতর্ক হবেন বন্ধুরা।। প্রয়োজনে প্রতিবাদ করবেন।
আরও পড়ুনঃ  স্থানীয় নির্বাচন সামনে রেখে নতুন ভোটার নিবন্ধনের সুযোগ, ৩১ জুলাই পর্যন্ত আবেদন
Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

শিক্ষা, মেধা ও প্রত্যাবর্তনের গল্প: ডা. জোবাইদা রহমানের আলোকিত জীবন

এয়ার ইন্ডিয়া নিয়ে শিল্পী ইমন চক্রবর্তী ও দেবাশিষ ভট্টাচারিয়ার তিক্ত অভিজ্ঞতা শেয়ার

সময়: ১২:১১:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ মে ২০২৫
সম্প্রতি শিল্পী ইমন চক্রবর্তী সামাজিক মাধ্যমে তাঁর একটি তিক্ত অভিজ্ঞতা জানিয়েছেন এয়ার ইন্ডিয়া নিয়ে। এই প্রসঙ্গে আমারও একটি তিক্ত অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে ইচ্ছে করছে বন্ধুদের সাথে।..
২০২৩-এ গেছিলাম ‘উত্তর আমেরিকা বঙ্গ সম্মেলন’ অর্থাৎ NABC তে, নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে। তিনদিনের অনুষ্ঠান-শেষে আমরা যখন এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানে ফিরছিলাম, নিউ জার্সির নেওয়ার্ক বিমানবন্দরে লাগেজ দেবার সময় আটকে দিলেন এয়ার ইন্ডিয়ারই এক ভারতীয় ‘মহান’ অফিসার। বললেন, আমার সিন্থেসাইজারের ফ্লাইট-কেসটা নাকি সাইজে কয়েক ইঞ্চি বড় ( ওজনে কোনও সমস্যা নেই )। সুতরাং দিতে হবে 240 ডলার, ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় ২০ হাজার টাকা। বললাম, যাবার সময় তো আপনাদের ফ্লাইটেই গেলাম, তখন তো লাগেনি, এখন কি আমেরিকা গিয়ে ফাইবারের বাক্সটা আকারে বেড়ে গেল? বললাম, আমরা সামান্য শিল্পী, এত পয়সা চলে গেলে থাকবে কি! ভদ্রলোক নিরুত্তর। আমরা তখন মহা বিপদে। কারণ, ফ্লাইট ছাড়তে দেরি নেই। সেই ভয়ে বাধ্য হয়ে এতগুলো ডলার দিয়ে ফ্লাইটে উঠলাম।
মজার ব্যাপার হলো, কলকাতা থেকে যাবার সময় ওই লাগেজের জন্য কিন্তু এক টাকাও দিতে হয়নি। অন্যান্য বারও আর কোনও কোম্পানির বিমানে কখনওই টাকা দিতে হয়নি। রসিকতার আরো বাকি আছে। ওখানে আর যারা সিন্থেসাইজার নিয়ে গেছিল, সকলের ছিল আমারই মডেল, Roland FA-06, এবং একই ফ্লাইট-কেস ( Sound X কোম্পানির )। তাদের কাছে টাকা চায়নি এয়ার ইন্ডিয়া। আমাদের একটা দোষ ছিল, আমরা কয়েকজন ফ্লাইট ছাড়ার খুব অল্প সময় আগে এয়ারপোর্টে পৌঁছেছিলাম। দেরিতে পৌঁছানোর এই সুযোগটাই নিল এয়ার ইন্ডিয়া।
কলকাতায় ফিরে একাধিক বার এয়ার ইন্ডিয়াকে মেইল করে টাকাটা ফেরত দিতে অনুরোধ করেছি। বলেছি, ভারতীয় বিমানে যদি ভারতীয়রাই সুবিধে না পায়, কে পাবে! কিন্তু ওরা আজ অব্দি টাকা ফেরত দেয়নি এবং দেবেও না। বরং উত্তর দিয়েছে, অন্যদের থেকে কেন টাকা নেওয়া হলো না, সেটা ওরা দেখছে।
ব্যক্তিগত উদ্যোগে কিছু টাকার ব্যবস্থা করেছিলেন শিল্পী শোভনসুন্দর বসু, দেব চৌধুরী এবং আমেরিকার এক দিদি । কিন্তু আমার পারিশ্রমিকের বাকি সিংহভাগ টাকাটাই আর উদ্ধার হলো না। বলা বাহুল্য, NABC ও এর কোনও দায় নেয়নি।
ফলে, সতর্ক হবেন বন্ধুরা।। প্রয়োজনে প্রতিবাদ করবেন।
আরও পড়ুনঃ  ইরানের দাবি: মার্কিন এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন ভূপাতিত