Dhaka ০৯:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
লালমনিরহাট সদরে প্রকল্পের রক্ষক যখন ভক্ষক, পিআইওর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ রোহিঙ্গা সংকট ছাড়িয়েছে মানবিকতার গণ্ডি, যুক্ত হয়েছে নিরাপত্তা ও অভিবাসন উদ্বেগ আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বিদেশে পালানোর আশঙ্কা, যুবলীগের সাবেক চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ও স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি ও সুরক্ষা সংবিধানে নিশ্চিত করা হবে চাঁদা না পেয়ে পিস্তল তাক, পরে তিন রাউন্ড ফাঁকা গুলি বুড়িচংয়ের কংশনগর বাজারে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি,দুই রেস্টুরেন্টকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা খুলনায় তিন শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারকে বিদায় সংবর্ধনা মসজিদের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুপারিশ সংসদীয় কমিটির শিমু হত্যা মামলায় ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকের সাক্ষ্য, আত্মপক্ষ শুনানি ২৬ অক্টোবর
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

প্রেমের বিরোধে সুমিকে হত্যা, মরদেহ পোড়ানোর মামলায় প্রেমিকের মৃত্যুদণ্ড

  • Reporter Name
  • সময়: ০৭:১৯:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৩ Time View

 

রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে হাছিনা বেগম সুমি হত্যা ও মরদেহ পুড়িয়ে ফেলার মামলায় তার প্রেমিক মোহাম্মদ মাহিবুর কামাল মহিবুল্লাহকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আহসান তারেক এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় মামলার একমাত্র আসামি মহিবুল্লাহ আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

স্কুলে ডেকে নিয়ে মাথায় ইট দিয়ে আঘাত

মামলার বিবরণ ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের মার্চে প্রেমের সম্পর্ক ও আর্থিক লেনদেন নিয়ে বিরোধের জেরে মহিবুল্লাহ সুমিকে কাপ্তাইয়ের বিএফআইডিসি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভেতরে ডেকে নেন।

সেখানে ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে সুমিকে হত্যা করেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

মরদেহ গুমে টয়লেটে আগুন

হত্যার পর আলামত নষ্ট এবং মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে সুমির মরদেহ বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত একটি টয়লেটে নিয়ে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয় বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

ঘটনার পর সুমির মা আমেনা বেগম বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। পরে মোবাইল ফোনের কললিস্টের সূত্র ধরে র‌্যাব ও পুলিশ অভিযান চালিয়ে মহিবুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে।

১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

মামলার তদন্ত ও বিচারিক কার্যক্রম চলাকালে আসামি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

পরে মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন আলামত ও নথিপত্র পর্যালোচনা করেন আদালত।

অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত: রাষ্ট্রপক্ষ

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী প্রতিম রায় পাম্পু বলেন, আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি, সুরতহাল ও মেডিকেল প্রতিবেদন এবং সাক্ষীদের দেওয়া সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

এর পরিপ্রেক্ষিতে দণ্ডবিধির ৩০২ ও ২০১ ধারায় মোহাম্মদ মাহিবুর কামাল মহিবুল্লাহকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন আদালত।

আরও পড়ুনঃ  পলাশে নিখোঁজের তিন দিন পর বৃদ্ধের বিচ্ছিন্ন হাত-পাসহ মরদেহ উদ্ধার
Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

লালমনিরহাট সদরে প্রকল্পের রক্ষক যখন ভক্ষক, পিআইওর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

প্রেমের বিরোধে সুমিকে হত্যা, মরদেহ পোড়ানোর মামলায় প্রেমিকের মৃত্যুদণ্ড

সময়: ০৭:১৯:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

 

রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে হাছিনা বেগম সুমি হত্যা ও মরদেহ পুড়িয়ে ফেলার মামলায় তার প্রেমিক মোহাম্মদ মাহিবুর কামাল মহিবুল্লাহকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আহসান তারেক এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় মামলার একমাত্র আসামি মহিবুল্লাহ আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

স্কুলে ডেকে নিয়ে মাথায় ইট দিয়ে আঘাত

মামলার বিবরণ ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের মার্চে প্রেমের সম্পর্ক ও আর্থিক লেনদেন নিয়ে বিরোধের জেরে মহিবুল্লাহ সুমিকে কাপ্তাইয়ের বিএফআইডিসি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভেতরে ডেকে নেন।

সেখানে ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে সুমিকে হত্যা করেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

মরদেহ গুমে টয়লেটে আগুন

হত্যার পর আলামত নষ্ট এবং মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে সুমির মরদেহ বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত একটি টয়লেটে নিয়ে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয় বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

ঘটনার পর সুমির মা আমেনা বেগম বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। পরে মোবাইল ফোনের কললিস্টের সূত্র ধরে র‌্যাব ও পুলিশ অভিযান চালিয়ে মহিবুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে।

১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

মামলার তদন্ত ও বিচারিক কার্যক্রম চলাকালে আসামি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

পরে মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন আলামত ও নথিপত্র পর্যালোচনা করেন আদালত।

অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত: রাষ্ট্রপক্ষ

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী প্রতিম রায় পাম্পু বলেন, আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি, সুরতহাল ও মেডিকেল প্রতিবেদন এবং সাক্ষীদের দেওয়া সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

এর পরিপ্রেক্ষিতে দণ্ডবিধির ৩০২ ও ২০১ ধারায় মোহাম্মদ মাহিবুর কামাল মহিবুল্লাহকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন আদালত।

আরও পড়ুনঃ  গঙ্গাচড়ায় সংবাদ প্রকাশের জেরে হত্যার উদ্দেশ্যে সাংবাদিকের উপর হামলায়