Dhaka ০৭:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
নড়াইলে শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা: রবির দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর বিশ্বম্ভরপুরে নবাগত ইউএনও সখিনা আক্তারের সঙ্গে মতবিনিময় সভা বন্যাদুর্গত মানুষের কান্নায় ভারী দেশ: অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানালেন ফাতেমা আক্তার মাহমুদা ইভা হরিণাকুন্ডু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহীতে দেড় কেজি হেরোইনসহ যুবক গ্রেপ্তার, নেপথ্যের গডফাদারদের খুঁজছে ডিএনসি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১৫০ পরিবারের পাশে প্রবাসী অনলাইন গ্রুপ-সৌদি আরব (দাম্মাম) হুমকি, মারধর ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে দুইজনের নাম উল্লেখ করে থানায় অভিযোগ বীরগঞ্জে যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূকে নির্যাতন ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ জাসদ কর্নেল তাহের হত্যা দিবস পালন করেছে ডুমুরিয়ার টিপনা শেখ আমজাদ মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়: ‘আদর্শ গ্রাম’ হলেও মেলেনি সরকারীকরণের স্বীকৃতি
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

তাহিরপুরে ইজারা নিয়েও ফাজিলপুর খেয়াঘাটের সম্পূর্ণ দখল না পাওয়ার অভিযোগ

  • Reporter Name
  • সময়: ১২:১৭:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
  • ১৬ Time View

আমির হোসাইন,
স্টাফ রিপোর্টার, সুনামগঞ্জ


সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার ফাজিলপুর খেয়াঘাট জেলা পরিষদ থেকে বৈধভাবে ইজারা নেওয়ার পরও ঘাটটির সম্পূর্ণ দখল পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন ইজারাদার রেজুয়ান করিম। ফলে তিনি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বলে দাবি করেছেন।

ইজারাদারের অভিযোগ, জেলা পরিষদের ইজারা নীতিমালা অনুযায়ী কোনো ইজারাকৃত ঘাটের উজানে এক মাইল এবং ভাটিতে এক মাইলের মধ্যে নতুন কোনো খেয়াঘাট স্থাপন করা যায় না। কিন্তু বালিজুড়ি ইউনিয়ন পরিষদের ইজারার দাবি করে মাহতাবপুর এলাকায় একটি পৃথক খেয়াঘাট পরিচালনা করা হচ্ছে। ওই ঘাটে যাত্রীদের কাছ থেকে টোল আদায় করায় ফাজিলপুর খেয়াঘাটের আয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

রেজুয়ান করিম আরও অভিযোগ করেন, মাহতাবপুর ঘাটটি ফাজিলপুর খেয়াঘাটের সীমানার মধ্যে হওয়ায় সেখানে টোল আদায় বন্ধের অনুরোধ করলে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র তাকে হুমকি-ধমকি দেয় এবং আক্রমণের চেষ্টা করে।

পরে তিনি জেলা পরিষদে অভিযোগ করলে পরিষদের সার্ভেয়ার মো. এরশাদুল হক ঘটনাস্থলে গিয়ে ফাজিলপুর খেয়াঘাটের সীমানা নির্ধারণ করেন এবং লাল নিশান টাঙিয়ে দেন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের ওই ঘাট থেকে টোল আদায় বন্ধ করে দ্রুত উচ্ছেদের নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে অভিযোগ রয়েছে, ওই নির্দেশনা উপেক্ষা করে এখনো মাহতাবপুর ঘাটে টোল আদায় অব্যাহত রয়েছে।

অন্যদিকে মাহতাবপুর ঘাটের ইজারাদার আরশাদুল হকের নিয়োজিত টোল আদায়কারীরা দাবি করেন, তারা বালিজুড়ি ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বৈধভাবে ইজারা নিয়ে ঘাট পরিচালনা করছেন।

এ বিষয়ে জেলা পরিষদের সার্ভেয়ার মো. এরশাদুল হক বলেন, “নীতিমালা অনুযায়ী ইজারাকৃত কোনো ঘাটের উজান ও ভাটির নির্ধারিত সীমার মধ্যে নতুন ঘাট স্থাপনের সুযোগ নেই। আমি ফাজিলপুর ঘাটের সীমানা নির্ধারণ করে দিয়েছি। এরপরও কেউ নির্দেশনা অমান্য করলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

বালিজুড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজাদ হোসেন বলেন, “মাহতাবপুর ঘাটটি প্রায় ১০০ বছর ধরে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ইজারা দেওয়া হয়ে আসছে। এর মধ্যে দুই বছর জেলা পরিষদ ঘাটটি ইজারা দিয়েছিল। বর্তমানে আবার ইউনিয়ন পরিষদ থেকেই ঘাটটির ইজারা দেওয়া হয়েছে।”

আরও পড়ুনঃ  শিক্ষা, মেধা ও প্রত্যাবর্তনের গল্প: ডা. জোবাইদা রহমানের আলোকিত জীবন

এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক অসীম চন্দ্র বণিক বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

নড়াইলে শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা: রবির দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

তাহিরপুরে ইজারা নিয়েও ফাজিলপুর খেয়াঘাটের সম্পূর্ণ দখল না পাওয়ার অভিযোগ

সময়: ১২:১৭:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

আমির হোসাইন,
স্টাফ রিপোর্টার, সুনামগঞ্জ


সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার ফাজিলপুর খেয়াঘাট জেলা পরিষদ থেকে বৈধভাবে ইজারা নেওয়ার পরও ঘাটটির সম্পূর্ণ দখল পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন ইজারাদার রেজুয়ান করিম। ফলে তিনি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বলে দাবি করেছেন।

ইজারাদারের অভিযোগ, জেলা পরিষদের ইজারা নীতিমালা অনুযায়ী কোনো ইজারাকৃত ঘাটের উজানে এক মাইল এবং ভাটিতে এক মাইলের মধ্যে নতুন কোনো খেয়াঘাট স্থাপন করা যায় না। কিন্তু বালিজুড়ি ইউনিয়ন পরিষদের ইজারার দাবি করে মাহতাবপুর এলাকায় একটি পৃথক খেয়াঘাট পরিচালনা করা হচ্ছে। ওই ঘাটে যাত্রীদের কাছ থেকে টোল আদায় করায় ফাজিলপুর খেয়াঘাটের আয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

রেজুয়ান করিম আরও অভিযোগ করেন, মাহতাবপুর ঘাটটি ফাজিলপুর খেয়াঘাটের সীমানার মধ্যে হওয়ায় সেখানে টোল আদায় বন্ধের অনুরোধ করলে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র তাকে হুমকি-ধমকি দেয় এবং আক্রমণের চেষ্টা করে।

পরে তিনি জেলা পরিষদে অভিযোগ করলে পরিষদের সার্ভেয়ার মো. এরশাদুল হক ঘটনাস্থলে গিয়ে ফাজিলপুর খেয়াঘাটের সীমানা নির্ধারণ করেন এবং লাল নিশান টাঙিয়ে দেন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের ওই ঘাট থেকে টোল আদায় বন্ধ করে দ্রুত উচ্ছেদের নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে অভিযোগ রয়েছে, ওই নির্দেশনা উপেক্ষা করে এখনো মাহতাবপুর ঘাটে টোল আদায় অব্যাহত রয়েছে।

অন্যদিকে মাহতাবপুর ঘাটের ইজারাদার আরশাদুল হকের নিয়োজিত টোল আদায়কারীরা দাবি করেন, তারা বালিজুড়ি ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বৈধভাবে ইজারা নিয়ে ঘাট পরিচালনা করছেন।

এ বিষয়ে জেলা পরিষদের সার্ভেয়ার মো. এরশাদুল হক বলেন, “নীতিমালা অনুযায়ী ইজারাকৃত কোনো ঘাটের উজান ও ভাটির নির্ধারিত সীমার মধ্যে নতুন ঘাট স্থাপনের সুযোগ নেই। আমি ফাজিলপুর ঘাটের সীমানা নির্ধারণ করে দিয়েছি। এরপরও কেউ নির্দেশনা অমান্য করলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

বালিজুড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজাদ হোসেন বলেন, “মাহতাবপুর ঘাটটি প্রায় ১০০ বছর ধরে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ইজারা দেওয়া হয়ে আসছে। এর মধ্যে দুই বছর জেলা পরিষদ ঘাটটি ইজারা দিয়েছিল। বর্তমানে আবার ইউনিয়ন পরিষদ থেকেই ঘাটটির ইজারা দেওয়া হয়েছে।”

আরও পড়ুনঃ  সংসদে ৬ থেকে ১৬০ আসনের লক্ষ্য এনসিপির: হাসনাত আবদুল্লাহ

এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক অসীম চন্দ্র বণিক বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।