
রুনু হাসান, নোয়াখালী
নোয়াখালী পৌরসভা এলাকার শ্রীপুরে, সোনাপুর পৌর বাজারের বিশিষ্ট টিন ব্যবসায়ী ফরহাদের বাড়িতে ৩০ জুলাই বৃহস্পতিবার রাত ৩ টা ২০ মিঃ থেকে ৪ টা ১০ মিঃ সময়ের মধ্যে এই দূর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ৮/৯ জনের মুখোশধারী ডাকাত দল স্বশস্র আগ্নেয় অস্ত্র ও ধারালো অস্ত্রে স্বজ্জিত হয়ে তারা বাড়ির কলাপ্সিবল গেইট কেটে ঘরে ঢুকে পরিবারের সকল সদস্যের মূখ সহ বেঁধে ফেলে। যার ফলে ঘরে থাকা পরিবারের সদস্যরা কোন কথা বা চিৎকার করতে পারেনি। তবে এ সময় রাত আড়াইটার পর থেকে মুসুল ধারে বৃষ্টি হচ্ছিল। এ সুযোগেই ডাকাতেরা ডাকাতি করে বলে ব্যবসায়ী ফরহাদ জানান। ডাকাত দল ঘরের আলমারি ভেঙ্গে ও আসবাবপত্র তছনছ করে এবং নগদ ৬ লক্ষ টাকা ও ৩ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও প্রায় ২ লক্ষাধিক টাকা মূল্য মানের ৯ টি মোবাইল ডাকাতেরা লুট করে নিয়ে যায়। বাড়ির মালিক ফরহাদ আরো জানান আমার ছেলে ফায়সাদ (৩০) ও নিলয় (৩২) প্রতিবাদ করার চেষ্টা করলে আমাদের সকলকে ধারালো ও আগ্নেয় অস্ত্রের মারাত্বক ভয় দেখিয়ে ছেলেদেরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে মুখোশধারী ডাকাতরা। তারা রক্তাক্ত জখম হয়,তাদের চিকিৎসা চলছে। ব্যবসায়ী ফরহাদ আরো জানান, পরে সি,সি টিভি ফুটেজে দেখা গেছে বাহিরেও মুখোশধারী ৪ জন ডাকাত পাহারায় ছিলো। দূর্ধর্ষ ডাকাতি সংগঠিত করে ডাকাতরা ৪টা ১০ মিঃ সময়ে সি,এন,জি অটোরিকশা যোগে পালিয়ে যায় বলে ব্যবসায়ী ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী ফরহাদ জানান। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক নোয়াখালীর অতিঃ পুলিশ সুপার ( অর্থ ও প্রশাসন) আবু তৈয়ব মোঃ আরিফ হোসেন,সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লিয়াকত আকবর ও সুধারাম মডেল থানার ওসি নজরুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ভিকটিমদের স্বাক্ষ্য গ্রহন ও তথ্যাদী সংগ্রহ করেন।নোয়াখালী সদর পৌরসভা এলাকার “টপ অব দা টাউনে ” দুর্ধর্ষ ডাকাতির এ ঘটনার বিষয়ে সুধারাম মডেল থানার ওসি নজরুল ইসলাম এর কাছে পহেলা আগষ্ট বিকেলে আপডেট মোবাইলে জানতে চাহিলে, তিনি এ প্রতিনিধিকে বলেন, শ্রীপুরের ডাকাতির ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে, প্রকাশ্য ও গোপন তদন্ত চলছে। তবে দুর্ধর্ষ এই ডাকাতির ঘটনায় এখনো কোন ক্লু পাওয়া যায়নি বলে সুধারাম থানার ওসি নজরুল ইসলাম এ প্রতিনিধিকে জানান।
Reporter Name 


























