Dhaka ১১:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
এসএসসির ফলাফলে বুড়িচংয়ে সেরা বুড়িচং মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ চট্টগ্রাম বোর্ডে এসএসসিতে ফল বিপর্যয়, পাসের হার ৫৯.৪৮ শতাংশ; ৮ বিদ্যালয়ে কেউ পাস করেনি চট্টগ্রামে দলকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করার নির্দেশ তারেক রহমানের কচুয়ায় ইয়াবা ও নেশাজাতীয় ইনজেকশনসহ চিকিৎসক গ্রেপ্তার অভাবের সুযোগ নিয়ে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা ট্রলি চালক থেকে কোটি টাকার মালিক, মাদক ও জমি দখলের অভিযোগ নয়ন ডাক্তারের বিরুদ্ধে বীরগঞ্জ সম্মিলিত সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীর নতুন নেতৃত্বে সঞ্জয় ঘোষ ও আব্দুর রাজ্জাক  “আমি নারী” এসএসসিতে জামালগঞ্জে সেরা শুভ্রদীপ, ১২৫০-এ ১১৭১ নম্বর পেয়ে জিপিএ-৫ এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়ায় আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের সদস্য সচিবের কন্যাকে অভিনন্দন
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

বকশীগঞ্জে এসএসসি-দাখিলে পাসের হারে বড় ব্যবধান সর্বোচ্চ ৯৮.৩১, সর্বনিম্ন শূন্য শতাংশ

  • Reporter Name
  • সময়: ০৮:৪৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৬ Time View

মোঃ মোনাহার মিয়া,
স্টাফ রিপোর্টার


জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে প্রতিষ্ঠানভেদে পাসের হারে বড় ধরনের পার্থক্য দেখা গেছে। উপজেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার ফলাফল পর্যালোচনায় সর্বোচ্চ পাসের হার ৯৮ দশমিক ৩১ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন পাসের হার শূন্য শতাংশ।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বকশীগঞ্জ উলফাতুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ৯৮ দশমিক ৩১ শতাংশ পাসের হার নিয়ে উপজেলায় শীর্ষে রয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ফারাজী পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়, পাসের হার ৭৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ। তৃতীয় জাগিরপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়, ৭০ দশমিক ৪৮ শতাংশ এবং চতুর্থ বকশীগঞ্জ খয়ের উদ্দিন আলিম মাদ্রাসা, ৬৮ দশমিক ০৯ শতাংশ।

এছাড়া চন্দ্রবাজ রশিদা বেগম উচ্চ বিদ্যালয় ৬১ দশমিক ২৫ শতাংশ, নীলাখিয়া আর.জে. পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ৬০ দশমিক ৪৭ শতাংশ, বকশীগঞ্জ নূর মুহাম্মদ উচ্চ বিদ্যালয় ৫৯ দশমিক ৮৩ শতাংশ, গোপালপুর কো-অপারেটিভ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ৫৯ দশমিক ৪২ শতাংশ এবং ঘাসিরপাড়া রোকেয়া বেগম উচ্চ বিদ্যালয় ৫৮ দশমিক ৮২ শতাংশ পাসের হার অর্জন করেছে।

৫০ শতাংশের বেশি পাসের হার পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে—জানকীপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ৫৬ দশমিক ৫২ শতাংশ, বগারচর আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ৫৬ দশমিক ২৫ শতাংশ, সারমারা নাছির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় ৫৩ দশমিক ৪১ শতাংশ, আইরমারী আয়মনা মাদবর উচ্চ বিদ্যালয় ৫১ দশমিক ৩৫ শতাংশ এবং হালিমা সুরুজ উচ্চ বিদ্যালয় ৫১ দশমিক ২২ শতাংশ।

রাহিলা কাদির স্কুল এন্ড কলেজ ৫৭ দশমিক ৫০ শতাংশ। হাছিনা গাজী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও ধানুয়া কামালপুর কো-অপারেটিভ উচ্চ বিদ্যালয়ের পাসের হার ৫০ শতাংশ।

অন্যদিকে, ৫০ শতাংশের নিচে পাসের হার পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে মালিরচর জিগাতলা মাহবুবা ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয় ৪৮ দশমিক ৭৫ শতাংশ, আলীরপাড়া এম ইউ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় ৪৩ দশমিক ৮২ শতাংশ, কামালের বার্ত্তী বাঙ্গালপাড়া মডেল সেসিপ উচ্চ বিদ্যালয় ৪৩ দশমিক ৭০ শতাংশ, বাট্টাজোড় নগর মামুদ উচ্চ বিদ্যালয় ৪৩ দশমিক ১৮ শতাংশ, টুপকারচর কাঠালতলী দাখিল মাদ্রাসা ৪০ দশমিক ৫৪ শতাংশ, গোয়ালগাঁও পূর্বপাড়া জয়মনা ইছিমদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় ৩৯ দশমিক ৫৩ শতাংশ এবং বাট্টাজোড় কে আর আই ফাজিল মাদ্রাসা ৩৮ দশমিক ৪৬ শতাংশ।

আরও পড়ুনঃ  বগুড়ায় দাড়িয়ে থাকা ট্রাকের পিছনে ধাক্কায় নিহত- ৩,আহত-২!

এছাড়া সাধুরপাড়া নজরুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩৬ দশমিক ২৩ শতাংশ, পূর্ব বাঙ্গালপাড়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩৫ দশমিক ৯৪ শতাংশ, চরকাউরিয়া খামারপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩৪ দশমিক ৭২ শতাংশ, কলকিহারা বাঘাডুবি দাখিল মাদ্রাসায় ৩৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ এবং খেওয়ারচর উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩১ দশমিক ৩৭ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে।

আরও কম পাসের হার পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে টাঙ্গারীপাড়া আয়েশা খাতুন দাখিল মাদ্রাসা ২৮ দশমিক ১৩ শতাংশ, মেরুরচর হাছেন আলী উচ্চ বিদ্যালয় ২৭ দশমিক ৩৭ শতাংশ, ভাটি খেওয়ার চর উচ্চ বিদ্যালয় ২৩ দশমিক ০৮ শতাংশ, লাউচাপড়া উচ্চ বিদ্যালয় ১৯ দশমিক ০৫ শতাংশ এবং বকশীগঞ্জ কহিনুর আইডিয়াল মহিলা দাখিল মাদ্রাসা ১৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

তবে সবচেয়ে হতাশাজনক ফলাফল হয়েছে শেফালী মফিজ মহিলা আলিম মাদ্রাসায়। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার শূন্য শতাংশ।

ফলাফলে দেখা যায়, একই উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে পাসের হারে রয়েছে উল্লেখযোগ্য ব্যবধান। একদিকে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ৭০ থেকে প্রায় ১০০ শতাংশ পর্যন্ত পাসের হার অর্জন করেছে, অন্যদিকে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে পাসের হার ২০ শতাংশের নিচে এবং একটি প্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি।

শিক্ষাবিদ ও সংশ্লিষ্টদের মতে, যেসব প্রতিষ্ঠানে ফলাফল তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠানের ফলাফল বিশ্লেষণ করে শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা চিহ্নিত করা এবং শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষা প্রশাসনের সমন্বয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

এসএসসির ফলাফলে বুড়িচংয়ে সেরা বুড়িচং মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ

বকশীগঞ্জে এসএসসি-দাখিলে পাসের হারে বড় ব্যবধান সর্বোচ্চ ৯৮.৩১, সর্বনিম্ন শূন্য শতাংশ

সময়: ০৮:৪৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

মোঃ মোনাহার মিয়া,
স্টাফ রিপোর্টার


জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে প্রতিষ্ঠানভেদে পাসের হারে বড় ধরনের পার্থক্য দেখা গেছে। উপজেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার ফলাফল পর্যালোচনায় সর্বোচ্চ পাসের হার ৯৮ দশমিক ৩১ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন পাসের হার শূন্য শতাংশ।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বকশীগঞ্জ উলফাতুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ৯৮ দশমিক ৩১ শতাংশ পাসের হার নিয়ে উপজেলায় শীর্ষে রয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ফারাজী পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়, পাসের হার ৭৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ। তৃতীয় জাগিরপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়, ৭০ দশমিক ৪৮ শতাংশ এবং চতুর্থ বকশীগঞ্জ খয়ের উদ্দিন আলিম মাদ্রাসা, ৬৮ দশমিক ০৯ শতাংশ।

এছাড়া চন্দ্রবাজ রশিদা বেগম উচ্চ বিদ্যালয় ৬১ দশমিক ২৫ শতাংশ, নীলাখিয়া আর.জে. পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ৬০ দশমিক ৪৭ শতাংশ, বকশীগঞ্জ নূর মুহাম্মদ উচ্চ বিদ্যালয় ৫৯ দশমিক ৮৩ শতাংশ, গোপালপুর কো-অপারেটিভ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ৫৯ দশমিক ৪২ শতাংশ এবং ঘাসিরপাড়া রোকেয়া বেগম উচ্চ বিদ্যালয় ৫৮ দশমিক ৮২ শতাংশ পাসের হার অর্জন করেছে।

৫০ শতাংশের বেশি পাসের হার পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে—জানকীপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ৫৬ দশমিক ৫২ শতাংশ, বগারচর আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ৫৬ দশমিক ২৫ শতাংশ, সারমারা নাছির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় ৫৩ দশমিক ৪১ শতাংশ, আইরমারী আয়মনা মাদবর উচ্চ বিদ্যালয় ৫১ দশমিক ৩৫ শতাংশ এবং হালিমা সুরুজ উচ্চ বিদ্যালয় ৫১ দশমিক ২২ শতাংশ।

রাহিলা কাদির স্কুল এন্ড কলেজ ৫৭ দশমিক ৫০ শতাংশ। হাছিনা গাজী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও ধানুয়া কামালপুর কো-অপারেটিভ উচ্চ বিদ্যালয়ের পাসের হার ৫০ শতাংশ।

অন্যদিকে, ৫০ শতাংশের নিচে পাসের হার পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে মালিরচর জিগাতলা মাহবুবা ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয় ৪৮ দশমিক ৭৫ শতাংশ, আলীরপাড়া এম ইউ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় ৪৩ দশমিক ৮২ শতাংশ, কামালের বার্ত্তী বাঙ্গালপাড়া মডেল সেসিপ উচ্চ বিদ্যালয় ৪৩ দশমিক ৭০ শতাংশ, বাট্টাজোড় নগর মামুদ উচ্চ বিদ্যালয় ৪৩ দশমিক ১৮ শতাংশ, টুপকারচর কাঠালতলী দাখিল মাদ্রাসা ৪০ দশমিক ৫৪ শতাংশ, গোয়ালগাঁও পূর্বপাড়া জয়মনা ইছিমদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় ৩৯ দশমিক ৫৩ শতাংশ এবং বাট্টাজোড় কে আর আই ফাজিল মাদ্রাসা ৩৮ দশমিক ৪৬ শতাংশ।

আরও পড়ুনঃ  কালীগঞ্জে বাবা-মায়ের সঙ্গে মৃত বাড়ি যাচ্ছিল শিশুটি, ট্রাকের ধাক্কায় ছিটকে পড়ে মৃত্যু

এছাড়া সাধুরপাড়া নজরুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩৬ দশমিক ২৩ শতাংশ, পূর্ব বাঙ্গালপাড়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩৫ দশমিক ৯৪ শতাংশ, চরকাউরিয়া খামারপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩৪ দশমিক ৭২ শতাংশ, কলকিহারা বাঘাডুবি দাখিল মাদ্রাসায় ৩৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ এবং খেওয়ারচর উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩১ দশমিক ৩৭ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে।

আরও কম পাসের হার পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে টাঙ্গারীপাড়া আয়েশা খাতুন দাখিল মাদ্রাসা ২৮ দশমিক ১৩ শতাংশ, মেরুরচর হাছেন আলী উচ্চ বিদ্যালয় ২৭ দশমিক ৩৭ শতাংশ, ভাটি খেওয়ার চর উচ্চ বিদ্যালয় ২৩ দশমিক ০৮ শতাংশ, লাউচাপড়া উচ্চ বিদ্যালয় ১৯ দশমিক ০৫ শতাংশ এবং বকশীগঞ্জ কহিনুর আইডিয়াল মহিলা দাখিল মাদ্রাসা ১৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

তবে সবচেয়ে হতাশাজনক ফলাফল হয়েছে শেফালী মফিজ মহিলা আলিম মাদ্রাসায়। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার শূন্য শতাংশ।

ফলাফলে দেখা যায়, একই উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে পাসের হারে রয়েছে উল্লেখযোগ্য ব্যবধান। একদিকে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ৭০ থেকে প্রায় ১০০ শতাংশ পর্যন্ত পাসের হার অর্জন করেছে, অন্যদিকে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে পাসের হার ২০ শতাংশের নিচে এবং একটি প্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি।

শিক্ষাবিদ ও সংশ্লিষ্টদের মতে, যেসব প্রতিষ্ঠানে ফলাফল তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠানের ফলাফল বিশ্লেষণ করে শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা চিহ্নিত করা এবং শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষা প্রশাসনের সমন্বয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।