Dhaka ০৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
আখেরি চাহার শোম্বা তাৎপর্য ও শিক্ষা : হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী বকশীগঞ্জে ৮১২ পিস ইয়াবাসহ সাড়ে ৪ লাখ টাকা উদ্ধার, পলাতক ১ আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের আইনগত অবস্থান ও সাংগঠনিক কার্যক্রম সম্পর্কে বিবৃতি আখেরী চাহার শোম্বা ১২ আগস্ট বালিয়াডাঙ্গীতে বিদ্যালয়ের দোকানঘর দখলের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ কালিয়াকৈর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষের অপসারণের দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ রামপালে সাংবাদিকদের সঙ্গে ওয়ার্ল্ড ভিশন রামপাল কো-অর্ডিনেশনের মতবিনিময় সভা পদায়নের দেড় মাসের মাথায় ওএসডি এসএসসি ফল পুনর্নিরীক্ষণের সুযোগ, আবেদন করা যাবে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত রাতে নেশা, দিনে ঘুম—ভাঙ্গুড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমওর বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

বকশীগঞ্জে এসএসসি-দাখিলে পাসের হারে বড় ব্যবধান সর্বোচ্চ ৯৮.৩১, সর্বনিম্ন শূন্য শতাংশ

  • Reporter Name
  • সময়: ০৮:৪৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৪ Time View

মোঃ মোনাহার মিয়া,
স্টাফ রিপোর্টার


জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে প্রতিষ্ঠানভেদে পাসের হারে বড় ধরনের পার্থক্য দেখা গেছে। উপজেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার ফলাফল পর্যালোচনায় সর্বোচ্চ পাসের হার ৯৮ দশমিক ৩১ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন পাসের হার শূন্য শতাংশ।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বকশীগঞ্জ উলফাতুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ৯৮ দশমিক ৩১ শতাংশ পাসের হার নিয়ে উপজেলায় শীর্ষে রয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ফারাজী পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়, পাসের হার ৭৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ। তৃতীয় জাগিরপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়, ৭০ দশমিক ৪৮ শতাংশ এবং চতুর্থ বকশীগঞ্জ খয়ের উদ্দিন আলিম মাদ্রাসা, ৬৮ দশমিক ০৯ শতাংশ।

এছাড়া চন্দ্রবাজ রশিদা বেগম উচ্চ বিদ্যালয় ৬১ দশমিক ২৫ শতাংশ, নীলাখিয়া আর.জে. পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ৬০ দশমিক ৪৭ শতাংশ, বকশীগঞ্জ নূর মুহাম্মদ উচ্চ বিদ্যালয় ৫৯ দশমিক ৮৩ শতাংশ, গোপালপুর কো-অপারেটিভ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ৫৯ দশমিক ৪২ শতাংশ এবং ঘাসিরপাড়া রোকেয়া বেগম উচ্চ বিদ্যালয় ৫৮ দশমিক ৮২ শতাংশ পাসের হার অর্জন করেছে।

৫০ শতাংশের বেশি পাসের হার পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে—জানকীপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ৫৬ দশমিক ৫২ শতাংশ, বগারচর আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ৫৬ দশমিক ২৫ শতাংশ, সারমারা নাছির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় ৫৩ দশমিক ৪১ শতাংশ, আইরমারী আয়মনা মাদবর উচ্চ বিদ্যালয় ৫১ দশমিক ৩৫ শতাংশ এবং হালিমা সুরুজ উচ্চ বিদ্যালয় ৫১ দশমিক ২২ শতাংশ।

রাহিলা কাদির স্কুল এন্ড কলেজ ৫৭ দশমিক ৫০ শতাংশ। হাছিনা গাজী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও ধানুয়া কামালপুর কো-অপারেটিভ উচ্চ বিদ্যালয়ের পাসের হার ৫০ শতাংশ।

অন্যদিকে, ৫০ শতাংশের নিচে পাসের হার পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে মালিরচর জিগাতলা মাহবুবা ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয় ৪৮ দশমিক ৭৫ শতাংশ, আলীরপাড়া এম ইউ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় ৪৩ দশমিক ৮২ শতাংশ, কামালের বার্ত্তী বাঙ্গালপাড়া মডেল সেসিপ উচ্চ বিদ্যালয় ৪৩ দশমিক ৭০ শতাংশ, বাট্টাজোড় নগর মামুদ উচ্চ বিদ্যালয় ৪৩ দশমিক ১৮ শতাংশ, টুপকারচর কাঠালতলী দাখিল মাদ্রাসা ৪০ দশমিক ৫৪ শতাংশ, গোয়ালগাঁও পূর্বপাড়া জয়মনা ইছিমদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় ৩৯ দশমিক ৫৩ শতাংশ এবং বাট্টাজোড় কে আর আই ফাজিল মাদ্রাসা ৩৮ দশমিক ৪৬ শতাংশ।

আরও পড়ুনঃ  চিরবিদায় নিলেন তোফাজ্জল হোসেন

এছাড়া সাধুরপাড়া নজরুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩৬ দশমিক ২৩ শতাংশ, পূর্ব বাঙ্গালপাড়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩৫ দশমিক ৯৪ শতাংশ, চরকাউরিয়া খামারপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩৪ দশমিক ৭২ শতাংশ, কলকিহারা বাঘাডুবি দাখিল মাদ্রাসায় ৩৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ এবং খেওয়ারচর উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩১ দশমিক ৩৭ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে।

আরও কম পাসের হার পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে টাঙ্গারীপাড়া আয়েশা খাতুন দাখিল মাদ্রাসা ২৮ দশমিক ১৩ শতাংশ, মেরুরচর হাছেন আলী উচ্চ বিদ্যালয় ২৭ দশমিক ৩৭ শতাংশ, ভাটি খেওয়ার চর উচ্চ বিদ্যালয় ২৩ দশমিক ০৮ শতাংশ, লাউচাপড়া উচ্চ বিদ্যালয় ১৯ দশমিক ০৫ শতাংশ এবং বকশীগঞ্জ কহিনুর আইডিয়াল মহিলা দাখিল মাদ্রাসা ১৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

তবে সবচেয়ে হতাশাজনক ফলাফল হয়েছে শেফালী মফিজ মহিলা আলিম মাদ্রাসায়। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার শূন্য শতাংশ।

ফলাফলে দেখা যায়, একই উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে পাসের হারে রয়েছে উল্লেখযোগ্য ব্যবধান। একদিকে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ৭০ থেকে প্রায় ১০০ শতাংশ পর্যন্ত পাসের হার অর্জন করেছে, অন্যদিকে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে পাসের হার ২০ শতাংশের নিচে এবং একটি প্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি।

শিক্ষাবিদ ও সংশ্লিষ্টদের মতে, যেসব প্রতিষ্ঠানে ফলাফল তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠানের ফলাফল বিশ্লেষণ করে শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা চিহ্নিত করা এবং শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষা প্রশাসনের সমন্বয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

আখেরি চাহার শোম্বা তাৎপর্য ও শিক্ষা : হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী

বকশীগঞ্জে এসএসসি-দাখিলে পাসের হারে বড় ব্যবধান সর্বোচ্চ ৯৮.৩১, সর্বনিম্ন শূন্য শতাংশ

সময়: ০৮:৪৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

মোঃ মোনাহার মিয়া,
স্টাফ রিপোর্টার


জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে প্রতিষ্ঠানভেদে পাসের হারে বড় ধরনের পার্থক্য দেখা গেছে। উপজেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার ফলাফল পর্যালোচনায় সর্বোচ্চ পাসের হার ৯৮ দশমিক ৩১ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন পাসের হার শূন্য শতাংশ।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বকশীগঞ্জ উলফাতুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ৯৮ দশমিক ৩১ শতাংশ পাসের হার নিয়ে উপজেলায় শীর্ষে রয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ফারাজী পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়, পাসের হার ৭৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ। তৃতীয় জাগিরপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়, ৭০ দশমিক ৪৮ শতাংশ এবং চতুর্থ বকশীগঞ্জ খয়ের উদ্দিন আলিম মাদ্রাসা, ৬৮ দশমিক ০৯ শতাংশ।

এছাড়া চন্দ্রবাজ রশিদা বেগম উচ্চ বিদ্যালয় ৬১ দশমিক ২৫ শতাংশ, নীলাখিয়া আর.জে. পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ৬০ দশমিক ৪৭ শতাংশ, বকশীগঞ্জ নূর মুহাম্মদ উচ্চ বিদ্যালয় ৫৯ দশমিক ৮৩ শতাংশ, গোপালপুর কো-অপারেটিভ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ৫৯ দশমিক ৪২ শতাংশ এবং ঘাসিরপাড়া রোকেয়া বেগম উচ্চ বিদ্যালয় ৫৮ দশমিক ৮২ শতাংশ পাসের হার অর্জন করেছে।

৫০ শতাংশের বেশি পাসের হার পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে—জানকীপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ৫৬ দশমিক ৫২ শতাংশ, বগারচর আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ৫৬ দশমিক ২৫ শতাংশ, সারমারা নাছির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় ৫৩ দশমিক ৪১ শতাংশ, আইরমারী আয়মনা মাদবর উচ্চ বিদ্যালয় ৫১ দশমিক ৩৫ শতাংশ এবং হালিমা সুরুজ উচ্চ বিদ্যালয় ৫১ দশমিক ২২ শতাংশ।

রাহিলা কাদির স্কুল এন্ড কলেজ ৫৭ দশমিক ৫০ শতাংশ। হাছিনা গাজী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও ধানুয়া কামালপুর কো-অপারেটিভ উচ্চ বিদ্যালয়ের পাসের হার ৫০ শতাংশ।

অন্যদিকে, ৫০ শতাংশের নিচে পাসের হার পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে মালিরচর জিগাতলা মাহবুবা ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয় ৪৮ দশমিক ৭৫ শতাংশ, আলীরপাড়া এম ইউ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় ৪৩ দশমিক ৮২ শতাংশ, কামালের বার্ত্তী বাঙ্গালপাড়া মডেল সেসিপ উচ্চ বিদ্যালয় ৪৩ দশমিক ৭০ শতাংশ, বাট্টাজোড় নগর মামুদ উচ্চ বিদ্যালয় ৪৩ দশমিক ১৮ শতাংশ, টুপকারচর কাঠালতলী দাখিল মাদ্রাসা ৪০ দশমিক ৫৪ শতাংশ, গোয়ালগাঁও পূর্বপাড়া জয়মনা ইছিমদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় ৩৯ দশমিক ৫৩ শতাংশ এবং বাট্টাজোড় কে আর আই ফাজিল মাদ্রাসা ৩৮ দশমিক ৪৬ শতাংশ।

আরও পড়ুনঃ  রাজশাহীর বাজারে মধুপুরের মিষ্টি আনারস

এছাড়া সাধুরপাড়া নজরুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩৬ দশমিক ২৩ শতাংশ, পূর্ব বাঙ্গালপাড়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩৫ দশমিক ৯৪ শতাংশ, চরকাউরিয়া খামারপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩৪ দশমিক ৭২ শতাংশ, কলকিহারা বাঘাডুবি দাখিল মাদ্রাসায় ৩৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ এবং খেওয়ারচর উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩১ দশমিক ৩৭ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে।

আরও কম পাসের হার পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে টাঙ্গারীপাড়া আয়েশা খাতুন দাখিল মাদ্রাসা ২৮ দশমিক ১৩ শতাংশ, মেরুরচর হাছেন আলী উচ্চ বিদ্যালয় ২৭ দশমিক ৩৭ শতাংশ, ভাটি খেওয়ার চর উচ্চ বিদ্যালয় ২৩ দশমিক ০৮ শতাংশ, লাউচাপড়া উচ্চ বিদ্যালয় ১৯ দশমিক ০৫ শতাংশ এবং বকশীগঞ্জ কহিনুর আইডিয়াল মহিলা দাখিল মাদ্রাসা ১৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

তবে সবচেয়ে হতাশাজনক ফলাফল হয়েছে শেফালী মফিজ মহিলা আলিম মাদ্রাসায়। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার শূন্য শতাংশ।

ফলাফলে দেখা যায়, একই উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে পাসের হারে রয়েছে উল্লেখযোগ্য ব্যবধান। একদিকে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ৭০ থেকে প্রায় ১০০ শতাংশ পর্যন্ত পাসের হার অর্জন করেছে, অন্যদিকে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে পাসের হার ২০ শতাংশের নিচে এবং একটি প্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি।

শিক্ষাবিদ ও সংশ্লিষ্টদের মতে, যেসব প্রতিষ্ঠানে ফলাফল তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠানের ফলাফল বিশ্লেষণ করে শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা চিহ্নিত করা এবং শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষা প্রশাসনের সমন্বয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।