Dhaka ১১:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
দোয়ারাবাজারের খাসিয়ামারা নদীতে অবৈধ ড্রেজার তান্ডবে এলাকাবাসীর নাভিঃশ্বাস চরমে।  শ্যামনগরে মোবাইল কোর্ট ‘ভ্রাম্যমাণ আদালত’ পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ এবং পরবর্তীতে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস বকশীগঞ্জে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ফিল্ড সুপারভাইজারের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন কালীগঞ্জের বাহাদুরশাদী বনিকপাড়া ড্রেন নির্মাণে অনিয়মের নিউজ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন মোঃ শওকত হোসেন সভাপতি প্রকল্প ভক্তদের সমালোচনার পর টিকটক লাইভে তরুণীর মৃত্যু, তদন্তে পুলিশ রামপালে ৫২ শিশুর পুনরায় বিদ্যালয়মুখীতে ওয়ার্ল্ড ভিশনের আনন্দ উদযাপন বিসিবির লেভেল-২ কোচিং পরীক্ষায় ফেল ২৪, পাস করলেন মাত্র ৮ জন প্রভাবশালী হলেও বিশেষ সুবিধা নয়, স্বজনপ্রীতির ব্যবসা চলবে না : অর্থমন্ত্রী আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম চাঁদপুরে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৩; আহত ১৫
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

ভাঙ্গুড়ার মাগুড়া মাদ্রাসায় ১৯ জনই অকৃতকার্য

ছবি : মাগুড়া দাখিল মাদ্রাসা

মো. মেহেদী হাসান, ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি


পাবনার ভাঙ্গুড়ায় এবারের দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে হতাশাজনক চিত্র দেখা গেছে মাগুড়া দাখিল মাদ্রাসায়। প্রতিষ্ঠানটি থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১৯ জন শিক্ষার্থীর একজনও পাস করতে পারেনি। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার মান, পাঠদান ও সার্বিক শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের দাখিল পরীক্ষায় মাগুড়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে মোট ১৯ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। ফল প্রকাশের পর দেখা যায়, তাদের সবাই অকৃতকার্য হয়েছে। অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার দাঁড়িয়েছে শূন্য শতাংশে।

অন্যদিকে, একই উপজেলার লতিফা-আয়শা দাখিল মাদ্রাসা থেকে ২০ জন শিক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিয়ে মাত্র একজন উত্তীর্ণ হয়েছে। ওই প্রতিষ্ঠানের পাসের হারও বেশ হতাশাজনক।

ভাঙ্গুড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আতিকুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত মাগুড়া দাখিল মাদ্রাসাটি ২০০১ সালে এমপিওভুক্ত হয়। দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হলেও সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষার্থী সংখ্যা কমে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি নিয়মিত ও মানসম্মত পাঠদান নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে।

স্থানীয় কয়েকজনের অভিযোগ, শিক্ষকরা পাঠদানে আগ্রহী না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ কমছে। ফলে একদিকে যেমন শিক্ষার্থী সংকট তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে পরীক্ষার ফলাফলও ক্রমেই নিম্নমুখী হচ্ছে।

তবে অভিযোগের বিষয়ে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ভিন্ন। মাদ্রাসার সুপার মো. জাকির হোসেন বলেন, “ভাই, রেজাল্ট খারাপ। আমরা ভালো নাই। গ্রাম এলাকার প্রতিষ্ঠান, ছেলে-মেয়েরা পড়তে যায় না।”

একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার্থীদের শূন্য পাসের ফলাফল শুধু শিক্ষার্থীদের ব্যর্থতা নয়, বরং প্রতিষ্ঠানের পাঠদান, ব্যবস্থাপনা ও শিক্ষার পরিবেশ নিয়েও নতুন করে ভাবার সুযোগ তৈরি করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

 

আরও পড়ুনঃ  ট্রলি চালক থেকে কোটি টাকার মালিক, মাদক ও জমি দখলের অভিযোগ নয়ন ডাক্তারের বিরুদ্ধে
Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

দোয়ারাবাজারের খাসিয়ামারা নদীতে অবৈধ ড্রেজার তান্ডবে এলাকাবাসীর নাভিঃশ্বাস চরমে। 

ভাঙ্গুড়ার মাগুড়া মাদ্রাসায় ১৯ জনই অকৃতকার্য

সময়: ০৮:৫৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

মো. মেহেদী হাসান, ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি


পাবনার ভাঙ্গুড়ায় এবারের দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে হতাশাজনক চিত্র দেখা গেছে মাগুড়া দাখিল মাদ্রাসায়। প্রতিষ্ঠানটি থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১৯ জন শিক্ষার্থীর একজনও পাস করতে পারেনি। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার মান, পাঠদান ও সার্বিক শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের দাখিল পরীক্ষায় মাগুড়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে মোট ১৯ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। ফল প্রকাশের পর দেখা যায়, তাদের সবাই অকৃতকার্য হয়েছে। অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার দাঁড়িয়েছে শূন্য শতাংশে।

অন্যদিকে, একই উপজেলার লতিফা-আয়শা দাখিল মাদ্রাসা থেকে ২০ জন শিক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিয়ে মাত্র একজন উত্তীর্ণ হয়েছে। ওই প্রতিষ্ঠানের পাসের হারও বেশ হতাশাজনক।

ভাঙ্গুড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আতিকুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত মাগুড়া দাখিল মাদ্রাসাটি ২০০১ সালে এমপিওভুক্ত হয়। দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হলেও সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষার্থী সংখ্যা কমে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি নিয়মিত ও মানসম্মত পাঠদান নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে।

স্থানীয় কয়েকজনের অভিযোগ, শিক্ষকরা পাঠদানে আগ্রহী না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ কমছে। ফলে একদিকে যেমন শিক্ষার্থী সংকট তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে পরীক্ষার ফলাফলও ক্রমেই নিম্নমুখী হচ্ছে।

তবে অভিযোগের বিষয়ে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ভিন্ন। মাদ্রাসার সুপার মো. জাকির হোসেন বলেন, “ভাই, রেজাল্ট খারাপ। আমরা ভালো নাই। গ্রাম এলাকার প্রতিষ্ঠান, ছেলে-মেয়েরা পড়তে যায় না।”

একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার্থীদের শূন্য পাসের ফলাফল শুধু শিক্ষার্থীদের ব্যর্থতা নয়, বরং প্রতিষ্ঠানের পাঠদান, ব্যবস্থাপনা ও শিক্ষার পরিবেশ নিয়েও নতুন করে ভাবার সুযোগ তৈরি করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

 

আরও পড়ুনঃ  বগুড়ায় দাড়িয়ে থাকা ট্রাকের পিছনে ধাক্কায় নিহত- ৩,আহত-২!