Dhaka ১০:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
চাকরির প্রলোভনে তরুণীদের আটকে রাখার অভিযোগ, দম্পতিসহ গ্রেপ্তার ৫ মাননীয় সংসদ সদস্য, জননেতা সাঈদ আল নোমান শ্যামনগরে কৃষি জমিতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে “আইপিএস” প্রদান করলেন এমপি আবুল কালাম আজাদ ইবিতে এক ভিক্ষুক শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগে ভ্যানচালক আটক ঝিনাইদহে পরিবেশক সমিতির দুই যুগ পূর্তি উদযাপন খুলনার পাইকগাছায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত দৌলতপুরে অবৈধ সিগারেট কারখানায় অভিযান, বিপুল পরিমাণ নকল শলাকা ও তামাক জব্দ ডিমলায় পরিদর্শনে এসে ভেঙে পড়ল ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সেতু, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন এমপি জামালগঞ্জে কারিতাস বাংলাদেশ এর উদ্যোগে ত্রৈমাসিক ফেডারেশন ও লিংকেজ সভা অনুষ্ঠিত
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

ভক্তদের সমালোচনার পর টিকটক লাইভে তরুণীর মৃত্যু, তদন্তে পুলিশ

  • Reporter Name
  • সময়: ০৭:৫২:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
  • ২১ Time View

ভক্তদের তীব্র সমালোচনার মুখে টিকটকে লাইভ সম্প্রচারের সময় ২৬ বছর বয়সী মিনা চ্যানের মৃত্যু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হলেও বিষয়টি তদন্ত করছে দক্ষিণ কোরিয়ার পুলিশ।

মিনা চ্যান ছিলেন কে-পপ ব্যান্ড এনহাইপেনের (ENHYPEN) একজন পরিচিত ভক্ত এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনফ্লুয়েন্সার। টিকটকে তার অনুসারীর সংখ্যা ছিল ৮০ হাজারের বেশি।

সংবাদমাধ্যম কোরিয়া হেরাল্ডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ৫ আগস্ট দক্ষিণ কোরিয়ায় নিজের বাসা থেকে টিকটকে লাইভে ছিলেন মিনা। সম্প্রচারের সময় তার আচরণ নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে কয়েকজন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী কর্তৃপক্ষের কাছে সহায়তার আবেদন জানান।

পরে ইয়ংসান পুলিশ স্টেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মিনা চ্যানের এক পরিচিতজনের কাছ থেকে খবর পেয়ে ভোর ৫টা ৩৩ মিনিটের দিকে পুলিশ তার বাসায় যায় এবং তার মরদেহ উদ্ধার করে।

মিনার মৃত্যুর পরদিন ইনস্টাগ্রাম স্টোরির মাধ্যমে তার ছোট বোন মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন। সেখানে তিনি মিনাকে দয়ালু ও আন্তরিক মানুষ হিসেবে উল্লেখ করে তার জন্য সবার কাছে দোয়া ও শুভকামনা কামনা করেন।

কী নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন মিনা?

মিনার মৃত্যুর কয়েক সপ্তাহ আগে যুক্তরাষ্ট্রে এনহাইপেনের একটি অনুষ্ঠানে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিনি ভক্তদের সমালোচনার মুখে পড়েন।

ওই অনুষ্ঠানে মিনা ব্যান্ডের সদস্য সুনুর মাধ্যমে আরেক সদস্য নি-কি’র কাছে ফুল পাঠানোর চেষ্টা করেছিলেন। নি-কি ও মিনা দুজনই জাপানের নাগরিক। এ ঘটনার পর কিছু ভক্ত মিনার বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত সীমারেখা লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলেন।

সমালোচনার মুখে গত ৩১ জুলাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি দীর্ঘ বিবৃতি দিয়ে ক্ষমা চান মিনা।

বিবৃতিতে তিনি নিজের আচরণের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে জানান, ফ্যানসাইন অনুষ্ঠানে একাধিকবার অংশ নেওয়ার কারণে তিনি ভুলভাবে মনে করেছিলেন যে ব্যান্ড সদস্যদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। বাস্তবে বিষয়টি তেমন ছিল না বলেও স্বীকার করেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  ডিমলায় ১০ টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৯৫ জোড়া বেঞ্চ বিতরণ

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ওই অনুষ্ঠানে তার আচরণের জন্য তিনি গভীরভাবে অনুতপ্ত। নি-কি’র ব্যক্তিগত সময় ও স্বাচ্ছন্দ্যের বিষয়টি যথাযথভাবে বিবেচনা না করার জন্যও ক্ষমা চান তিনি।

মৃত্যুর পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক

মিনা চ্যানের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর তার অনুসারীদের অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে অনলাইন ফ্যানডমে অতিরিক্ত সমালোচনা, হয়রানি ও বিদ্বেষপূর্ণ মন্তব্যের সংস্কৃতি নিয়েও অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন।

একাধিক অনুসারী মন্তব্যে মিনার প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে বলেছেন, মতপার্থক্য বা কোনো ভুলের কারণে কাউকে অনলাইনে অপমান বা হয়রানির শিকার করা উচিত নয়।

মিনার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও ঘটনার বিস্তারিত পরিস্থিতি নিয়ে পুলিশ তদন্ত করছে। তার মৃত্যুর সঙ্গে অনলাইন সমালোচনার সরাসরি কোনো সম্পর্ক ছিল কি না, সেটিও তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হবে।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

চাকরির প্রলোভনে তরুণীদের আটকে রাখার অভিযোগ, দম্পতিসহ গ্রেপ্তার ৫

ভক্তদের সমালোচনার পর টিকটক লাইভে তরুণীর মৃত্যু, তদন্তে পুলিশ

সময়: ০৭:৫২:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

ভক্তদের তীব্র সমালোচনার মুখে টিকটকে লাইভ সম্প্রচারের সময় ২৬ বছর বয়সী মিনা চ্যানের মৃত্যু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হলেও বিষয়টি তদন্ত করছে দক্ষিণ কোরিয়ার পুলিশ।

মিনা চ্যান ছিলেন কে-পপ ব্যান্ড এনহাইপেনের (ENHYPEN) একজন পরিচিত ভক্ত এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনফ্লুয়েন্সার। টিকটকে তার অনুসারীর সংখ্যা ছিল ৮০ হাজারের বেশি।

সংবাদমাধ্যম কোরিয়া হেরাল্ডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ৫ আগস্ট দক্ষিণ কোরিয়ায় নিজের বাসা থেকে টিকটকে লাইভে ছিলেন মিনা। সম্প্রচারের সময় তার আচরণ নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে কয়েকজন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী কর্তৃপক্ষের কাছে সহায়তার আবেদন জানান।

পরে ইয়ংসান পুলিশ স্টেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মিনা চ্যানের এক পরিচিতজনের কাছ থেকে খবর পেয়ে ভোর ৫টা ৩৩ মিনিটের দিকে পুলিশ তার বাসায় যায় এবং তার মরদেহ উদ্ধার করে।

মিনার মৃত্যুর পরদিন ইনস্টাগ্রাম স্টোরির মাধ্যমে তার ছোট বোন মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন। সেখানে তিনি মিনাকে দয়ালু ও আন্তরিক মানুষ হিসেবে উল্লেখ করে তার জন্য সবার কাছে দোয়া ও শুভকামনা কামনা করেন।

কী নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন মিনা?

মিনার মৃত্যুর কয়েক সপ্তাহ আগে যুক্তরাষ্ট্রে এনহাইপেনের একটি অনুষ্ঠানে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিনি ভক্তদের সমালোচনার মুখে পড়েন।

ওই অনুষ্ঠানে মিনা ব্যান্ডের সদস্য সুনুর মাধ্যমে আরেক সদস্য নি-কি’র কাছে ফুল পাঠানোর চেষ্টা করেছিলেন। নি-কি ও মিনা দুজনই জাপানের নাগরিক। এ ঘটনার পর কিছু ভক্ত মিনার বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত সীমারেখা লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলেন।

সমালোচনার মুখে গত ৩১ জুলাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি দীর্ঘ বিবৃতি দিয়ে ক্ষমা চান মিনা।

বিবৃতিতে তিনি নিজের আচরণের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে জানান, ফ্যানসাইন অনুষ্ঠানে একাধিকবার অংশ নেওয়ার কারণে তিনি ভুলভাবে মনে করেছিলেন যে ব্যান্ড সদস্যদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। বাস্তবে বিষয়টি তেমন ছিল না বলেও স্বীকার করেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  সৌদিতে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৬ বাংলাদেশির পরিবার পাবে বিশেষ মানবিক অনুদান

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ওই অনুষ্ঠানে তার আচরণের জন্য তিনি গভীরভাবে অনুতপ্ত। নি-কি’র ব্যক্তিগত সময় ও স্বাচ্ছন্দ্যের বিষয়টি যথাযথভাবে বিবেচনা না করার জন্যও ক্ষমা চান তিনি।

মৃত্যুর পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক

মিনা চ্যানের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর তার অনুসারীদের অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে অনলাইন ফ্যানডমে অতিরিক্ত সমালোচনা, হয়রানি ও বিদ্বেষপূর্ণ মন্তব্যের সংস্কৃতি নিয়েও অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন।

একাধিক অনুসারী মন্তব্যে মিনার প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে বলেছেন, মতপার্থক্য বা কোনো ভুলের কারণে কাউকে অনলাইনে অপমান বা হয়রানির শিকার করা উচিত নয়।

মিনার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও ঘটনার বিস্তারিত পরিস্থিতি নিয়ে পুলিশ তদন্ত করছে। তার মৃত্যুর সঙ্গে অনলাইন সমালোচনার সরাসরি কোনো সম্পর্ক ছিল কি না, সেটিও তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হবে।