
….হাফেজ ক্বারী মাওলানা মোস্তফা কামাল
দ্বীনি আলেম, আদর্শ শিক্ষক ও চেয়ারম্যান, আল-কোরআন ইন্টারন্যাশনাল একাডেমী
ইমদাদুল হক তৈয়ব:
হাফেজ ক্বারী মাওলানা মোস্তফা কামাল একজন প্রজ্ঞাবান দ্বীনি আলেম ও অভিজ্ঞ শিক্ষক হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে কোরআন-সুন্নাহভিত্তিক শিক্ষা বিস্তারে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি পবিত্র কোরআনের হাফেজ ও ক্বিরাআতে সুদক্ষ একজন ক্বারী হিসেবে শিক্ষাঙ্গনে সুপরিচিত।
দ্বীনি শিক্ষার পাশাপাশি শিশু-কিশোরদের চরিত্র গঠন, আদব-আখলাক ও নৈতিক উন্নয়নে তিনি বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। একজন শিক্ষক হিসেবে তাঁর পাঠদানের ধারা অত্যন্ত হৃদয়গ্রাহী, ধৈর্যশীল ও ছাত্রবান্ধব—যা শিক্ষার্থীদের মাঝে কোরআনের প্রতি ভালোবাসা সৃষ্টি করে।
বর্তমানে তিনি আল-কোরআন ইন্টারন্যাশনাল একাডেমীর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব, সুসংগঠিত পরিকল্পনা ও ইসলামী মূল্যবোধভিত্তিক চিন্তাধারার কারণে প্রতিষ্ঠানটি অল্প সময়েই একটি আদর্শ দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে সুনাম অর্জন করেছে।
হাফেজ ক্বারী মাওলানা মোস্তফা কামাল বিশ্বাস করেন—“শুদ্ধ কোরআন শিক্ষা, উত্তম চরিত্র ও আধুনিক দক্ষতার সমন্বয়েই গড়ে উঠবে আগামী দিনের আদর্শ প্রজন্ম।”
আল-কোরআন ইন্টারন্যাশনাল একাডেমী:
দ্বীনি শিক্ষা, নৈতিকতা ও আধুনিক দক্ষতার সমন্বয়ে শিশুদের গড়ে তুলতে সাভারের বিরুলিয়া এলাকায় প্রশংসিত দিনভিত্তিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে আল-কোরআন ইন্টারন্যাশনাল একাডেমী। স্বল্প সময়ের মধ্যেই প্রতিষ্ঠানটি অভিভাবক মহলে আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতার জায়গা তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ জানায়, শিশুদের কোরআনের আলোয় আলোকিত করার পাশাপাশি তাদের মানসিক বিকাশ, শৃঙ্খলা ও ভাষাগত দক্ষতা গড়ে তোলাই একাডেমীর মূল লক্ষ্য। সে লক্ষ্য বাস্তবায়নে এখানে যুগোপযোগী ও পরিকল্পিত শিক্ষাব্যবস্থা চালু রয়েছে।
শিক্ষার বিভাগসমূহ:
আল-কোরআন ইন্টারন্যাশনাল একাডেমীতে বর্তমানে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ চালু রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে— হিফজুল কোরআন, ইন্টারন্যাশনাল হিফজ রিভিশন এবং হিফজ + ইংলিশ স্পোকেন বিভাগ। প্রতিটি বিভাগেই শিক্ষার্থীদের বয়স ও সক্ষমতা অনুযায়ী আলাদা যত্ন ও তত্ত্বাবধান নিশ্চিত করা হয়।
মানসম্মত পরিবেশ ও সুযোগ-সুবিধা:
একাডেমীতে রয়েছে অভিজ্ঞ ও প্রশিক্ষিত শিক্ষকবৃন্দ, শান্ত ও নিরাপদ শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ, আবাসিক ও অনাবাসিক উভয় সুবিধা এবং নিয়মিত গার্ডিয়ান মিটিংয়ের ব্যবস্থা। বিশেষ করে দিনভিত্তিক (ডে-কেয়ার) শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে শিশুরা পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন না হয়েও মানসম্মত দ্বীনি শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছে।
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, শুধু পাঠদান নয়—শিশুদের নৈতিকতা, আচরণ ও মানসিক বিকাশেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যা অভিভাবকদের কাছে একাডেমীটিকে আলাদা মর্যাদা দিয়েছে।
ফি ও ভর্তি তথ্য:
আল-কোরআন ইন্টারন্যাশনাল একাডেমীতে ভর্তি ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ হাজার টাকা। আবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য মাসিক ফি ৮ হাজার টাকা এবং দিনভিত্তিক (ডে-কেয়ার) শিক্ষার্থীদের জন্য মাসিক ফি ৪ হাজার টাকা। বর্তমানে সীমিত আসনে ভর্তি কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

যোগাযোগ:
আগ্রহী অভিভাবকরা একাডেমীর ঠিকানা আকরান বাজার, বিরুলিয়া, সাভার, ঢাকা-তে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন অথবা ০১৬৩২-৩১৩১৮৮ ও ০১৭০৫-৪৯৯৮০৮ নম্বরে ফোন করে বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন।
উপসংহার:
শিশুদের জন্য নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও মানসম্মত দিনভিত্তিক দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সন্ধানে থাকা অভিভাবকদের কাছে আল-কোরআন ইন্টারন্যাশনাল একাডেমী ইতোমধ্যে একটি নির্ভরযোগ্য নাম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ইমদাদুল হক তৈয়ব: 




























