জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে প্রথম বেইমানি করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।
শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মুরারীদহ এলাকায় ঐতিহ্যবাহী মিয়ার দালান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রাশেদ খাঁন বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর জামায়াত আমিরের অবস্থান সম্পর্কে মানুষ জানতে পেরেছে। তার অভিযোগ, ডা. শফিকুর রহমানই প্রথম আওয়ামী লীগকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার কথা বলেছেন এবং এর মাধ্যমে তিনি গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে বেইমানি করেছেন।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের প্রসঙ্গ টেনে রাশেদ খাঁন বলেন, দলটির নেতা নাহিদ ইসলাম একসময় জামায়াতকে স্বাধীনতাবিরোধী এবং দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি অনাগ্রহী হিসেবে মন্তব্য করেছিলেন। কিন্তু বর্তমানে এনসিপি জামায়াতের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
তার অভিযোগ, এনসিপির নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের নির্বাচনী ব্যয়ের একটি বড় অংশ জামায়াত বহন করেছে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের কৃতিত্ব নিয়ে এনসিপির নেতাদের বক্তব্যের সমালোচনা করে রাশেদ খাঁন বলেন, নাহিদ ইসলাম ও মাহফুজ আলম বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নিজেদের গণঅভ্যুত্থানের ‘মাস্টারমাইন্ড’ হিসেবে তুলে ধরেছেন। মাহফুজ আলমকে নাহিদ ইসলামের রাজনৈতিক উপদেষ্টা বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের সুযোগ-সুবিধা নিয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী। তিনি বলেন, বিরোধী দলের অনেক সংসদ সদস্য এখন সরকারি দলের এমপিদের সমান সুযোগ-সুবিধা দাবি করছেন। তার দাবি, বর্তমান সরকার বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে এবং তাদের মূল্যায়নও করছে।
রাশেদ খাঁন বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিরোধী দল সংসদে কিংবা রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে তেমন সুযোগ-সুবিধা পেত না। বর্তমান সরকার সেই তুলনায় বিরোধী দলের প্রতি বেশি সহযোগিতামূলক আচরণ করছে। এরপরও জামায়াত ও এনসিপির সংসদ সদস্যরা সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনা করছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
Reporter Name 
























