দীর্ঘ বিরতির পর আবারও বড় পর্দায় ফিরছেন বলিউড অভিনেত্রী প্রীতি জিনতা। ‘বাটওয়ারা ১৯৪৭’ সিনেমার মাধ্যমে প্রায় আট বছর পর অভিনয়ে প্রত্যাবর্তন করছেন তিনি। তবে দীর্ঘ এই বিরতিকে ক্যারিয়ারের জন্য কোনো আফসোসের সময় হিসেবে দেখছেন না অভিনেত্রী। বরং পরিবার ও সন্তানদের সময় দেওয়াকেই জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় বলে মনে করেন তিনি।
সম্প্রতি গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে অভিনয় থেকে দূরে থাকার কারণ জানাতে গিয়ে প্রীতি বলেন, এই সময়ে তিনি অভিনয়কে খুব একটা মিস করেননি। সন্তানদের বড় করে তোলা এবং পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোতেই তার মনোযোগ ছিল।
অভিনেত্রীর ভাষায়, ক্যারিয়ারে অনেক সাফল্য এলেও মা হওয়াকে তিনি জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন মনে করেন। তাই কয়েক বছর অভিনয়ের বাইরে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়ে তার মধ্যে কোনো অনুশোচনা নেই।
এবার ‘বাটওয়ারা ১৯৪৭’ সিনেমায় ভিন্ন ধরনের একটি চরিত্রে দেখা যাবে প্রীতিকে। ১৯৪৭ সালের দেশভাগকে কেন্দ্র করে নির্মিত সিনেমাটিতে তিনি একজন মুসলিম নারীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন। তার স্বামীর ভূমিকায় রয়েছেন বলিউড অভিনেতা সানি দেওল।
দীর্ঘ বিরতির পর ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানোর অভিজ্ঞতাও সহজ ছিল না বলে জানিয়েছেন প্রীতি। বিশেষ করে শুটিংয়ের প্রথম দিনেই পরিচালক রাজকুমার সন্তোষী সিনেমার একটি কঠিন আবেগঘন দৃশ্য ধারণের সিদ্ধান্ত নেন।
প্রীতি জানান, প্রথম দিনের এমন কঠিন দৃশ্যের কারণে তিনি বেশ নার্ভাস হয়ে পড়েছিলেন। ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে তিনি কাঁপছিলেন এবং কীভাবে অভিনয় শুরু করবেন, তা নিয়েও দ্বিধায় ছিলেন। সেই সময় সহ-অভিনেতা সানি দেওল তাকে মানসিকভাবে স্বস্তি পেতে সহযোগিতা করেন।
পুরো রাত ধরে শুটিং চলার কথাও জানান প্রীতি। লুক টেস্টের পরদিন কয়েকবার সংলাপ পড়ে ক্যামেরার সামনে দাঁড়ান তারা। এরপর ধীরে ধীরে জড়তা কেটে যায় এবং অভিনয়ের পরিবেশের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিতে শুরু করেন তিনি।
‘বাটওয়ারা ১৯৪৭’ প্রীতি জিনতা ও সানি দেওলের জন্যও বিশেষ একটি কাজ। ২০১৮ সালের ‘ভাইয়াজি সুপারহিট’-এর পর আবারও একসঙ্গে পর্দায় দেখা যাবে এই জুটিকে।
আট বছর অভিনয়ের বাইরে থাকার পর নতুন সিনেমার মাধ্যমে প্রীতির প্রত্যাবর্তন তাই বলিউড দর্শকদের মধ্যেও আগ্রহ তৈরি করেছে।
Reporter Name 
























