
শহিদ শেখ পাখি, মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি :
সিরাজদিখানে কোনো ভাবেই থামানো যাচ্ছে না ফসলি জমির মাটি কাটার মহোৎসব। বন ও পরিবেশ আইন অমান্য করে প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় প্রশাসন, আইনশৃংখলা বাহিনী ও পরিবেশ অধিদপ্তরকে ম্যানেজ করে একটি চক্র দেদারছে মাটি কেটে বিক্রি করলেও কোনো আইনি পদক্ষেপ নেই সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় প্রশাসনের। স্থানীয় প্রশাসন মাঝে মধ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে জরিমানা আদায় করলেও তা আমলে নিচ্ছে না বেকু, মাটি, ড্রেজার, ব্যবসায়ীরা।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, আইন অমান্য করে এস্কেভেটর (ভ্যাকু) দিয়ে তিন ফসলি জমির মাটি কাটা হচ্ছে। বেশিরভাগ চোখে পড়ার মতো লক্ষ্য করা যায় মধ্যপাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় বেকু দিয়ে মাটি কাটার মেলা বসেছে মালবদিয়া গ্রামের তিন্নাতলা, আরো লক্ষ্য করা যায় ইছাপুরা ইউনিয়ন সহ জৈনসার ইউনিয়নে বেকু দিয়ে মাটি কাটার মহোৎসব চলছে স্থানীয়দের অভিমত, প্রতিবছর শত একর ফসলি জমির মাটি কাটা হচ্ছে। ফলে কৃষি উৎপাদন ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকিতে পড়ছে।
এ বিষয়ে মধ্যপাড়া ইউনিয়নের নজু, ইসমাইল, মোশারফ, তারা বিএনপি’র নেতা পরিচয় দিয়ে একটি ফসলি জমি কেটে সেখানে মাছ চাষ করবে বলে জানান, তাদেরকে শ্রেণী পরিবর্তনের অনুমোদন নেওয়া হয়েছে কিনা প্রশ্ন করলে তারা বলেন জমির মালিক ফারুক মিয়া সে এই বেকু এনেছে আমরা শুধু দেখশন করে রাখি যাতে কেউ চাঁদা না চায়,
প্রশাসন লোক দেখানো অভিযান করলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। ফলে তিন ফসলি জমিকেও পুকুর বানাচ্ছে মাটিসন্ত্রাসীরা।
এই বিষয়ে মধ্যপাড়া ইউনিয়ন ও জৈনসার ইউনিয়নের ভূমি কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান মিজান এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি আপনাদের মাধ্যমে এই প্রথম জানতে পারলাম এখন সরোজমিনে যেয়ে দেখে ব্যবস্থা নেব।
Reporter Name 






















