Dhaka ০১:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
ছয় বছর ধরে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির ই-মেল, পরিচিতদের কাছে নানা অভিযোগ ও টাকা চাওয়ার বার্তা সামরিক স্থাপনা থেকে দূরে থাকার আহ্বান, হামলার ছবি-ভিডিও ধারণ ও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশে নিষেধ পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন আসছে রোববার, জানা গেল বিলম্বের কারণ দুবাইয়ে ৭৩ বাংলাদেশির সম্পদের তথ্য চাবে দুদক ইসলামী ব্যাংকে এস আলমের ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার অবরুদ্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের ঢাকা-মস্কো সংসদীয় সম্পর্ক জোরদারে নতুন উদ্যোগ, রুশ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে মৈত্রী গ্রুপের বৈঠক কক্সবাজারে দীঘির নতুন লুক, ছবি প্রকাশের পর ভক্তদের প্রশংসা সরকারি হাসপাতাল থেকে দালালচক্র নির্মূলে কঠোর পদক্ষেপ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী কালীগঞ্জে যাত্রীবাহী বাস খাদে, আহত ২০ নিজ বাড়িতে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী, ৩ বছরের কন্যাসহ জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী খুন
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

সান্তাহার বিএনপির এক লড়াকু সৈনিক: ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবকদলের আইডল; আশফাকুল ইসলাম পাভেল!!

  • Reporter Name
  • সময়: ০৮:০৩:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
  • ৬২ Time View

মিরু হাসান,
বগুড়া প্রতিনিধি


সান্তাহার পৌর যুবদলের নতুন নেতৃত্ব নিয়ে যখন তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা তুঙ্গে, তখন একটি নাম বারবার সামনে ভেসে আসছে—বহুল জনপ্রিয় নাম মোঃ আশফাকুল ইসলাম (পাভেল)।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে আন্দোলন-সংগ্রাম, হামলা-মামলা, জেল-জুলুম ও নির্যাতনের মধ্য অন্যতম একাধিক রাজনৈতিক মামলায় ও অন্যান্য মামলায় (অন্যান্য মামলায়) কারাগারে পাঠিয়ে দিয়েও যিনি দলের রাজপথ ছাড়েননি, সেই পাভেলকে আমাদের ঐতিহ্যবাহী শহর সান্তাহার পৌর যুবদলের নেতৃত্বে দেখতে চান দলের একাংশসহ সাবেক প্রাণপ্রিয় দুইটি সংগঠনের নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

তাঁর রাজনৈতিক পথচলা

২০০০ সালে, সান্তাহার সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২০০০ ও ২০০১ সালে তৎকালীন হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে সান্তাহার সরকারি কলেজ ও পৌর শহরে ছাত্রদলের আন্দোলন-সংগ্রামে সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দেন। এবং পরবর্তীতে—

২০১২ সালে, সান্তাহার পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০১২, ২০১৩ ও ২০১৪ সালে “হটাও হাসিনা, বাঁচাও দেশ” আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। হামলা, মামলা ও পুলিশি হয়রানির মুখেও নেতাকর্মীদের নিয়ে রাজপথে থেকে বিএনপির প্রতিটি কর্মসূচি সফল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

২০১৭ ও ২০১৮ সালে, আওয়ামী লীগ সরকার ও পুলিশের কঠোর দমন-পীড়নের মধ্যেও বিএনপির প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন এবং নেতাকর্মীদের পাশে থেকে নেতৃত্ব দেন।

২০২৩-২০২৪ সালের আন্দোলনে, কারাগারে থাকা অবস্থায়ও সান্তাহার ও আদমদীঘি উপজেলার বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের মিথ্যা মামলায় আটক নেতাকর্মীদের সার্বিক সহযোগিতা করেন। একই সঙ্গে বগুড়া জেলার একাধিক সিনিয়র নেতার প্রতিও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন, যা নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী প্রমাণিত।

হামলা-মামলা ও ত্যাগ

দলীয় সূত্রে জানা যায়, আদমদীঘি থানায় বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া অধিকাংশ রাজনৈতিক মামলায় পাভেলের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হতো। পুলিশ অভিযান চালালে প্রথমেই তার বাড়িতে যেত। নাশকতা মামলাসহ একাধিক রাজনৈতিক মামলায় তাকে বহুবার কারাবরণ করতে হয়েছে। কিন্তু কোনো আন্দোলন-সংগ্রাম থেকেই তিনি পিছিয়ে যাননি।

তৃণমূলের প্রত্যাশা

সমর্থকদের দাবি, দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে রাজপথ কাঁপিয়ে ইতিহাস সৃষ্টিকারী পরীক্ষিত এই নেতার হাতে সান্তাহার পৌর যুবদলের নেতৃত্ব তুলে দিলে সংগঠন আরও শক্তিশালী, ঐক্যবদ্ধ ও গতিশীল হবে—এমন প্রত্যাশা প্রতিটি জনমনে।

তৃণমূলের কণ্ঠে একটি কথাই বারবার শোনা যাচ্ছে—

“ত্যাগের মূল্যায়ন হোক, পরীক্ষিত নেতৃত্বের হাতে গড়ে উঠুক শক্তিশালী সান্তাহার পৌর যুবদল।”

তৃণমূলের কণ্ঠে আজ একটি স্লোগানই বারবার ধ্বনিত হচ্ছে—

“কোন নেতার ডাকে কে আসে জানি না,
পাভেল ভাই ডাকলে ঘরে থাকতে পারি না।
প্রতিটি কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে,
সফল করে তবেই বাড়ি ফিরে যাই।”

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

ছয় বছর ধরে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির ই-মেল, পরিচিতদের কাছে নানা অভিযোগ ও টাকা চাওয়ার বার্তা

সান্তাহার বিএনপির এক লড়াকু সৈনিক: ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবকদলের আইডল; আশফাকুল ইসলাম পাভেল!!

সময়: ০৮:০৩:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

মিরু হাসান,
বগুড়া প্রতিনিধি


সান্তাহার পৌর যুবদলের নতুন নেতৃত্ব নিয়ে যখন তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা তুঙ্গে, তখন একটি নাম বারবার সামনে ভেসে আসছে—বহুল জনপ্রিয় নাম মোঃ আশফাকুল ইসলাম (পাভেল)।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে আন্দোলন-সংগ্রাম, হামলা-মামলা, জেল-জুলুম ও নির্যাতনের মধ্য অন্যতম একাধিক রাজনৈতিক মামলায় ও অন্যান্য মামলায় (অন্যান্য মামলায়) কারাগারে পাঠিয়ে দিয়েও যিনি দলের রাজপথ ছাড়েননি, সেই পাভেলকে আমাদের ঐতিহ্যবাহী শহর সান্তাহার পৌর যুবদলের নেতৃত্বে দেখতে চান দলের একাংশসহ সাবেক প্রাণপ্রিয় দুইটি সংগঠনের নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

তাঁর রাজনৈতিক পথচলা

২০০০ সালে, সান্তাহার সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২০০০ ও ২০০১ সালে তৎকালীন হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে সান্তাহার সরকারি কলেজ ও পৌর শহরে ছাত্রদলের আন্দোলন-সংগ্রামে সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দেন। এবং পরবর্তীতে—

২০১২ সালে, সান্তাহার পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০১২, ২০১৩ ও ২০১৪ সালে “হটাও হাসিনা, বাঁচাও দেশ” আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। হামলা, মামলা ও পুলিশি হয়রানির মুখেও নেতাকর্মীদের নিয়ে রাজপথে থেকে বিএনপির প্রতিটি কর্মসূচি সফল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

২০১৭ ও ২০১৮ সালে, আওয়ামী লীগ সরকার ও পুলিশের কঠোর দমন-পীড়নের মধ্যেও বিএনপির প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন এবং নেতাকর্মীদের পাশে থেকে নেতৃত্ব দেন।

২০২৩-২০২৪ সালের আন্দোলনে, কারাগারে থাকা অবস্থায়ও সান্তাহার ও আদমদীঘি উপজেলার বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের মিথ্যা মামলায় আটক নেতাকর্মীদের সার্বিক সহযোগিতা করেন। একই সঙ্গে বগুড়া জেলার একাধিক সিনিয়র নেতার প্রতিও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন, যা নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী প্রমাণিত।

হামলা-মামলা ও ত্যাগ

দলীয় সূত্রে জানা যায়, আদমদীঘি থানায় বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া অধিকাংশ রাজনৈতিক মামলায় পাভেলের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হতো। পুলিশ অভিযান চালালে প্রথমেই তার বাড়িতে যেত। নাশকতা মামলাসহ একাধিক রাজনৈতিক মামলায় তাকে বহুবার কারাবরণ করতে হয়েছে। কিন্তু কোনো আন্দোলন-সংগ্রাম থেকেই তিনি পিছিয়ে যাননি।

তৃণমূলের প্রত্যাশা

সমর্থকদের দাবি, দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে রাজপথ কাঁপিয়ে ইতিহাস সৃষ্টিকারী পরীক্ষিত এই নেতার হাতে সান্তাহার পৌর যুবদলের নেতৃত্ব তুলে দিলে সংগঠন আরও শক্তিশালী, ঐক্যবদ্ধ ও গতিশীল হবে—এমন প্রত্যাশা প্রতিটি জনমনে।

তৃণমূলের কণ্ঠে একটি কথাই বারবার শোনা যাচ্ছে—

“ত্যাগের মূল্যায়ন হোক, পরীক্ষিত নেতৃত্বের হাতে গড়ে উঠুক শক্তিশালী সান্তাহার পৌর যুবদল।”

তৃণমূলের কণ্ঠে আজ একটি স্লোগানই বারবার ধ্বনিত হচ্ছে—

“কোন নেতার ডাকে কে আসে জানি না,
পাভেল ভাই ডাকলে ঘরে থাকতে পারি না।
প্রতিটি কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে,
সফল করে তবেই বাড়ি ফিরে যাই।”