Dhaka ০৭:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
চট্টগ্রামে পাহাড়ধসের ঝুঁকি হ্রাসে প্রয়োজন পূর্ব সতর্কীকরণ ও প্রাথমিক ব্যবস্থার উন্নয়ন পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০১ শয্যায় উন্নীত না করায় বঞ্চনার অভিযোগ ও ক্ষোভ বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়াতে এসেছি, বাঁশখালীতে আমীরে জামায়াত নিকলী থানার হাজতে পরোয়ানাভুক্ত আসামির মৃত্যু, আইনগত তদন্ত শুরু সারাদিনের প্রবল বর্ষণে কলকাতার জনজীবন বিপর্যস্ত, পথচলতি মানুষ বিপাকে ঠাকুরগাঁওয়ে বুকসমান পানি পেরিয়ে মায়ের জানাজা আলহামদুলিল্লাহ,  ​মানবতার সেবায় আরেকটি ছোট্ট উদ্যোগ সফলভাবে সম্পন্ন হলো ভারী বর্ষণে খুলশীর লালখান বাজারে ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড় ও আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করলেন সংসদ সদস্য: সাঈদ আল নোমান নেত্রকোনা পূর্বধলায় সংঘর্ষে উভয়পক্ষে আহত ১০, থানায় পাল্টাপাল্টি মামলা; গ্রামে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ ঠাকুরগাঁওয়ে বুকসমান পানি পেরিয়ে মায়ের জানাজা
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

বুড়িচংয়ে রাতের আঁধারে খালে বাঁধ; জলাবদ্ধতার শঙ্কায় কৃষকরা

  • Reporter Name
  • সময়: ০৮:৫৭:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৩৭ Time View

 

মোঃ আবদুল্লাহ, বুড়িচং প্রতিনিধি:


কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ খালের মাঝখানে রাতের আঁধারে অবৈধভাবে বাঁধ নির্মাণ করেছে একটি দুর্বৃত্ত চক্র। এতে খালটির স্বাভাবিক পানি প্রবাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে, যা আসন্ন বর্ষা মৌসুমে ব্যাপক জলাবদ্ধতার আশঙ্কা তৈরি করেছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার প্রয়াত জলাশয়ের ওপর দিয়ে প্রবাহিত খালটির বাকশিমুল ও যদুপুর গ্রামের মাঝামাঝি স্থানে এই বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে একটি চক্র জলাশয় সংলগ্ন ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, এই খালটি প্রয়াত জলাশয়ের পানির প্রধান প্রবাহপথ। খালের মাঝখানে বাঁধ দেয়ায় পানি চলাচল বন্ধ হয়ে উজানে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হবে এবং দীর্ঘদিন পানি জমে থাকার ফলে বিস্তীর্ণ ফসলি জমি তলিয়ে যেতে পারে।

যদুপুর গ্রামের কৃষক মোতালেব হোসেন বলেন, “এই খাল দিয়ে এলাকার পানি নামতে পারে। এখন বাঁধ দেয়ায় পানি আটকে থাকবে, ফলে আমাদের জমি নষ্ট হয়ে যাবে। আমরা দ্রুত এই বাঁধ অপসারণ চাই।”

অভিযোগ রয়েছে, বাঁধ নির্মাণে জড়িতদের বাধা দিতে গেলে তারা স্থানীয় কৃষকদের হুমকি-ধমকি দিচ্ছে, ফলে এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে বুড়িচং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোসাম্মৎ আফরিনা আক্তার বলেন, “খালে বাঁধ দেয়া সম্পূর্ণ অবৈধ। এতে উজানে জলাবদ্ধতা এবং ভাটিতে পানির সংকট দেখা দেয়, যা ফসলি জমির জন্য ক্ষতিকর। বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।”

বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর হোসেন বলেন, “খালে বাঁধ দেয়া আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। সরকার যেখানে খাল খননে গুরুত্ব দিচ্ছে, সেখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

আরও পড়ুনঃ  তেঁতুলিয়ায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

চট্টগ্রামে পাহাড়ধসের ঝুঁকি হ্রাসে প্রয়োজন পূর্ব সতর্কীকরণ ও প্রাথমিক ব্যবস্থার উন্নয়ন

বুড়িচংয়ে রাতের আঁধারে খালে বাঁধ; জলাবদ্ধতার শঙ্কায় কৃষকরা

সময়: ০৮:৫৭:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

 

মোঃ আবদুল্লাহ, বুড়িচং প্রতিনিধি:


কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ খালের মাঝখানে রাতের আঁধারে অবৈধভাবে বাঁধ নির্মাণ করেছে একটি দুর্বৃত্ত চক্র। এতে খালটির স্বাভাবিক পানি প্রবাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে, যা আসন্ন বর্ষা মৌসুমে ব্যাপক জলাবদ্ধতার আশঙ্কা তৈরি করেছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার প্রয়াত জলাশয়ের ওপর দিয়ে প্রবাহিত খালটির বাকশিমুল ও যদুপুর গ্রামের মাঝামাঝি স্থানে এই বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে একটি চক্র জলাশয় সংলগ্ন ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, এই খালটি প্রয়াত জলাশয়ের পানির প্রধান প্রবাহপথ। খালের মাঝখানে বাঁধ দেয়ায় পানি চলাচল বন্ধ হয়ে উজানে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হবে এবং দীর্ঘদিন পানি জমে থাকার ফলে বিস্তীর্ণ ফসলি জমি তলিয়ে যেতে পারে।

যদুপুর গ্রামের কৃষক মোতালেব হোসেন বলেন, “এই খাল দিয়ে এলাকার পানি নামতে পারে। এখন বাঁধ দেয়ায় পানি আটকে থাকবে, ফলে আমাদের জমি নষ্ট হয়ে যাবে। আমরা দ্রুত এই বাঁধ অপসারণ চাই।”

অভিযোগ রয়েছে, বাঁধ নির্মাণে জড়িতদের বাধা দিতে গেলে তারা স্থানীয় কৃষকদের হুমকি-ধমকি দিচ্ছে, ফলে এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে বুড়িচং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোসাম্মৎ আফরিনা আক্তার বলেন, “খালে বাঁধ দেয়া সম্পূর্ণ অবৈধ। এতে উজানে জলাবদ্ধতা এবং ভাটিতে পানির সংকট দেখা দেয়, যা ফসলি জমির জন্য ক্ষতিকর। বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।”

বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর হোসেন বলেন, “খালে বাঁধ দেয়া আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। সরকার যেখানে খাল খননে গুরুত্ব দিচ্ছে, সেখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

আরও পড়ুনঃ  হালদা নদীর মৎস্যজীবীদের বিকল্প কর্মসংস্থানে সেলাই মেশিন বিতরণ