Dhaka ১০:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
আর, এম, পির বিশেষ চেকপোস্ট হৃদরোগে আক্রান্ত দুলালের পাশে বাঁশকান্দা মানব কল্যাণ ট্রাস্ট চরিত্রই ছিল তাঁর শ্রেষ্ঠ পরিচয়: কুরআন ও হাদিসের আলোকে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নরসিংদীতে গ্যাসের সংকট নিরসনে করণীয় নির্ধারনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পলাশে দলীয় পরিচয়ে জমি জবরদখল ও কাঁঠাল গাছ কাটার অভিযোগ কেরানীগঞ্জে গ্যাস সংকটে চরম দুর্ভোগ, অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্নের দাবি বেগমগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন অফিসে সেবার নতুন দিগন্ত, নাগরিকদের জন্য মিলছে নানা সুযোগ-সুবিধা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে বেশি বেশি গাছ লাগানোর বিকল্প নেই -ইউএনও, এটিএম কামরুল ইসলাম বুশরা গ্রুপের সম্পত্তি বিক্রি ঠেকাতে ডিসির কাছে আমানতকারীদের আবেদন রাসূল (সা.)সারা জাহানের জন্য রহমত স্বরূপ
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

ডুমুরিয়ায় দুটি খাল খননে অনিয়ম ঃ ১ কোটি ৩৬ লাখ টাকা ফেরত বাধ্য হল প্রশাসন জলাবদ্ধতা নিরসনে খনন করা খালের পাড়ে রোপনকৃত চারা জলমগ্ন

  • Reporter Name
  • সময়: ১০:০৮:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬
  • ৪৭ Time View

শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া খুলনা

খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার বিলডাকাতিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসনে দুটি খাল খননের জন্য বড় অংকের অর্থ ব্যয়ে দুটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। অপরিকল্পিত ও অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প হওয়ায় শুরুতেই সমালোচনার ঝড় ওঠে। এরকম পরিস্থিতিতে উধর্বতন কর্তৃপক্ষ একাধিকবার প্রকল্প এলাকা পরিদর্শস করে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এমনকি ৫ থেকে ৭ ফুট গভীরতা সম্পন্ন খাল থেকে ভেক্যু মেশিন দিয়ে পেড়িমাটি তুলে খালের পাড়েই রাখা হয়। উপজেলা প্রশাসন ও বাস্তবায়নকারী দপ্তরের উদ্সীনতায় যেনতেনভাবে খাল খনন করে অর্থ উত্তোলনের চেষ্টা করা হলেও শেষ রক্ষা হয়নি। অবশেষে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে হল ১ কোটি ৩৬ লাখ ৩১ হাজার ১৯ টাকা।
এদিকে খাতা কলমে সদ্য সমাপ্ত সাহস ডোলডাঙ্গা খাল হতে কাঠবুনিযা বড় দোয়ানিয়া খাল হয়ে ভদ্রা নদী অভিমুখে খাল পুনঃ খনন’ প্রকল্পের ভদ্রা নদীর নষ্ট হয়ে যাওয়া স্লুইজ গেটে সামনে মাটির হদিস পাওযা যায়নি। নামমাত্র একটি বেড়ি বাঁধ দেয়া হযেছে । যার দক্ষিন পাশেও পানি। এর মাঝখানের বেড়িতে চারা রোপনকৃত চারা এখন পানির নীচে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা যায়, বিলডাকাতিয়াসহ ডুমুরিয়া এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য দুটি বৃহৎ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। যার মধ্যে সাহস ডোলডাঙ্গা খাল হতে কাঠবুনিযা বড় দোয়ানিয়া খাল হয়ে ভদ্রা নদী অভিমুখে খাল পুনঃ খনন’ প্রকল্পে প্রাক্কলিত ব্যয় নির্ধারণ করা হয় ১ কোটি ২৮ লাখ ৭৮ হাজার ৫৩৭ টাকা। খাতা কলমে ব্যয় দেখানো হয়েছে ৯০ লাখ ৫৪ হাজার ৩৬১ কোটি টাকা। এছাড়া বিলডাকাতিয়ায় খনন করা খালের পাড়ে দেয়া মাটির অধিকাংশ স্থানে অস্তিস্ত নেই।
অপরদিকে ডুমুরিয়া ফুলতলা এলাকার সবচেযে বড় সমস্যা বিলডাকাতিয়ার জলাবদ্ধতা। বিলডাকাতিয়ার জলাবদ্ধতা নিরসনে নেয়া ’কৃষ্ণনগর নিমতলা হতে বিলডাকাতিয়া হয়ে রংপুর সাড়াতলা পর্যন্ত খাল পুনঃখনন’ প্রকল্পে ১ কোটি ৮০ লাখ ২৮ হাজার ২৩২ টাকা। এর মধ্যে ব্যয় দেখানো হয়েছে ৮২ লাখ ২১ হাজার ৫৭৪ টাকা। রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দিতে হযেছে ৯৮ লাখ ৬০ হাজার ৬৫৮ টাকা।
ডুমুরিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আরিফ হোসেন জানালেন, ডুমুরিয়ার জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য দুটি খাল খনন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। এর মধ্যে অব্যয়িত ১ কোটি ৩৬ লাখ ৩১ হাজার ১৯ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেয়া হযেছে। এর বাইরে আমার কিছু জানা নেই।
ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার সবিতা সরকার’র নিকট টেলিফোনে জানাতে চাইলে অর্থ ফেরত দেয়ার কথা স্বীকার করেন। তিনি একটি মিটিংয়ে থাকায় এর বেশি বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
খুলনা জেলা ত্রান ও দুর্যোগ কর্মকর্তা মোঃ আব্দূল করিম বলেন, ডুমুরিয়া উপজেলার দুটি খাল খননের ক্ষেত্রে যে পরিমাণ কাজ হযেছে সেটি সরেজমিনে দেখে সে অনুযায়ি জেলা প্রশাসকের নির্দেশে অবশিষ্ট টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে নির্দেশনা দেয়া হয়্ সে অনুয়ায়ি ডুমুরিয়া উপজেলা প্রশাসন অব্যয়িত অর্থ কোষাগারে জমা দিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  বৌলাই নদীতে নিখোঁজের ৪২ ঘণ্টা পর শিশু পর্যটক রুকাইয়ার মরদেহ উদ্ধার
Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

আর, এম, পির বিশেষ চেকপোস্ট

ডুমুরিয়ায় দুটি খাল খননে অনিয়ম ঃ ১ কোটি ৩৬ লাখ টাকা ফেরত বাধ্য হল প্রশাসন জলাবদ্ধতা নিরসনে খনন করা খালের পাড়ে রোপনকৃত চারা জলমগ্ন

সময়: ১০:০৮:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া খুলনা

খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার বিলডাকাতিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসনে দুটি খাল খননের জন্য বড় অংকের অর্থ ব্যয়ে দুটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। অপরিকল্পিত ও অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প হওয়ায় শুরুতেই সমালোচনার ঝড় ওঠে। এরকম পরিস্থিতিতে উধর্বতন কর্তৃপক্ষ একাধিকবার প্রকল্প এলাকা পরিদর্শস করে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এমনকি ৫ থেকে ৭ ফুট গভীরতা সম্পন্ন খাল থেকে ভেক্যু মেশিন দিয়ে পেড়িমাটি তুলে খালের পাড়েই রাখা হয়। উপজেলা প্রশাসন ও বাস্তবায়নকারী দপ্তরের উদ্সীনতায় যেনতেনভাবে খাল খনন করে অর্থ উত্তোলনের চেষ্টা করা হলেও শেষ রক্ষা হয়নি। অবশেষে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে হল ১ কোটি ৩৬ লাখ ৩১ হাজার ১৯ টাকা।
এদিকে খাতা কলমে সদ্য সমাপ্ত সাহস ডোলডাঙ্গা খাল হতে কাঠবুনিযা বড় দোয়ানিয়া খাল হয়ে ভদ্রা নদী অভিমুখে খাল পুনঃ খনন’ প্রকল্পের ভদ্রা নদীর নষ্ট হয়ে যাওয়া স্লুইজ গেটে সামনে মাটির হদিস পাওযা যায়নি। নামমাত্র একটি বেড়ি বাঁধ দেয়া হযেছে । যার দক্ষিন পাশেও পানি। এর মাঝখানের বেড়িতে চারা রোপনকৃত চারা এখন পানির নীচে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা যায়, বিলডাকাতিয়াসহ ডুমুরিয়া এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য দুটি বৃহৎ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। যার মধ্যে সাহস ডোলডাঙ্গা খাল হতে কাঠবুনিযা বড় দোয়ানিয়া খাল হয়ে ভদ্রা নদী অভিমুখে খাল পুনঃ খনন’ প্রকল্পে প্রাক্কলিত ব্যয় নির্ধারণ করা হয় ১ কোটি ২৮ লাখ ৭৮ হাজার ৫৩৭ টাকা। খাতা কলমে ব্যয় দেখানো হয়েছে ৯০ লাখ ৫৪ হাজার ৩৬১ কোটি টাকা। এছাড়া বিলডাকাতিয়ায় খনন করা খালের পাড়ে দেয়া মাটির অধিকাংশ স্থানে অস্তিস্ত নেই।
অপরদিকে ডুমুরিয়া ফুলতলা এলাকার সবচেযে বড় সমস্যা বিলডাকাতিয়ার জলাবদ্ধতা। বিলডাকাতিয়ার জলাবদ্ধতা নিরসনে নেয়া ’কৃষ্ণনগর নিমতলা হতে বিলডাকাতিয়া হয়ে রংপুর সাড়াতলা পর্যন্ত খাল পুনঃখনন’ প্রকল্পে ১ কোটি ৮০ লাখ ২৮ হাজার ২৩২ টাকা। এর মধ্যে ব্যয় দেখানো হয়েছে ৮২ লাখ ২১ হাজার ৫৭৪ টাকা। রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দিতে হযেছে ৯৮ লাখ ৬০ হাজার ৬৫৮ টাকা।
ডুমুরিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আরিফ হোসেন জানালেন, ডুমুরিয়ার জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য দুটি খাল খনন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। এর মধ্যে অব্যয়িত ১ কোটি ৩৬ লাখ ৩১ হাজার ১৯ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেয়া হযেছে। এর বাইরে আমার কিছু জানা নেই।
ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার সবিতা সরকার’র নিকট টেলিফোনে জানাতে চাইলে অর্থ ফেরত দেয়ার কথা স্বীকার করেন। তিনি একটি মিটিংয়ে থাকায় এর বেশি বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
খুলনা জেলা ত্রান ও দুর্যোগ কর্মকর্তা মোঃ আব্দূল করিম বলেন, ডুমুরিয়া উপজেলার দুটি খাল খননের ক্ষেত্রে যে পরিমাণ কাজ হযেছে সেটি সরেজমিনে দেখে সে অনুযায়ি জেলা প্রশাসকের নির্দেশে অবশিষ্ট টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে নির্দেশনা দেয়া হয়্ সে অনুয়ায়ি ডুমুরিয়া উপজেলা প্রশাসন অব্যয়িত অর্থ কোষাগারে জমা দিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  আকবরশাহে পাহাড় কেটে সমতল, রাজনৈতিক পরিচয় দেখিয়ে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ