Dhaka ১১:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
রামগড়ে পালিত হলো বিশ্ব আদিবাসী দিবস – আদিবাসী মহিলাদের সঙ্গে পা মেলেন ভারতী ঘোষ শিবির ও জামায়াত নেতার কবর জিয়ারতে কাঁদলেন ডা. শফিকুর রহমান মিয়ারচর খেয়াঘাটে অতিরিক্ত টোল আদায়ের প্রতিবাদে বাদাঘাট বাজারে মানববন্ধন সাপাহারে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে এমপির মতবিনিময় সভা নরসিংদী আমদিয়ায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এক যুবককে নির্যাতন করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করলো যুবদল নেতা মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি হলে বিএনপির মহাসচিবের দৌড়ে রিজভীসহ আলোচনায় যারা তথ্যমন্ত্রীর গ্রামের বাড়িতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত, ইলিশ-রসমালাইয়ে বরিশালের স্বাদ বাবার নিখোঁজের ১৩ বছর পর এসএসসি পাস, সাদমানকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা কুড়িগ্রামে ৮ শতক জমির বিরোধে সহিদুলকে হত্যা, সাঁরাশি অভিযানে ১৭ জন গ্রেপ্তার বদলগাছী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ছাদে ফাটল, খসে পড়ছে পলেস্তারা
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

রাঙামাটিতে পাহাড়ধস ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১,৩০০ পরিবারের পাশে জেলা পরিষদ

  • Reporter Name
  • সময়: ০২:৫৫:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৭ Time View

এম. এস. শ্রাবণ মাহমুদ, স্টাফ রিপোর্টার


টানা বৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসে বিপর্যস্ত রাঙামাটি পৌর এলাকার ১ হাজার ৩০০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ।

শুক্রবার (৭ আগস্ট ২০২৬) সকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বিশেষ বরাদ্দের আওতায় পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের তবলছড়ি এডিসি হিলস্থ ওমদামিয়া হিল পৌর জুনিয়র হাই স্কুল প্রাঙ্গণে এই খাদ্য সহায়তা বিতরণ করা হয়।

রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের পৌর এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্য মো. হাবীব আজমের বিশেষ বরাদ্দের অংশ হিসেবে এবং তাঁর সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

সংশ্লিষ্টরা জানান, সাম্প্রতিক দুর্যোগে বহু পরিবার বসতঘর হারিয়েছে, অনেকের ঘরবাড়ি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নিম্নআয়ের মানুষ কর্মহীন হয়ে চরম খাদ্য সংকটে পড়েছেন। তাদের তাৎক্ষণিক সংকট নিরসনেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি পৌর বিএনপির সভাপতি মো. শফিউল আজম শফি, সাধারণ সম্পাদক মো. মাহবুবুল বাসেত অপু, জেলা বিএনপির সহ-যুব বিষয়ক সম্পাদক মো. নুরনবীসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

এ সময় বক্তারা বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র ও জীবিকার উৎস হারিয়ে বহু পরিবার চরম দুর্ভোগে রয়েছে। এই কঠিন সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো মানবিক দায়িত্ব। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই মন্ত্রণালয়ের বিশেষ বরাদ্দে জেলা পরিষদ এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।

বক্তারা আরও জানান, শুধু ৪ নম্বর ওয়ার্ডেই নয়, পর্যায়ক্রমে রাঙামাটি পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত সব পরিবারের মাঝে ধারাবাহিকভাবে খাদ্য সহায়তা বিতরণ করা হবে, যাতে কোনো অসহায় পরিবার বঞ্চিত না হয়।

এদিকে বিপুলসংখ্যক উপকারভোগীর উপস্থিতিতেও যাতে কোনো বিশৃঙ্খলা না হয়, সেজন্য রাঙামাটি কোতোয়ালি থানা পুলিশ সার্বিক নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার দায়িত্ব পালন করে। সুশৃঙ্খল পরিবেশে লাইনে দাঁড়িয়ে সহায়তা গ্রহণ করেন উপকারভোগীরা। এ সময় তারা পুলিশের দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রশংসা করেন।

আরও পড়ুনঃ  গোদাগাড়ীতে বিরল রোগে ভুগছে ২ বছরের অবোধ শিশু, চিকিৎসার অভাবে নিভতে বসেছে শিশু মায়েসার জীবন সাহায্যের হাত বাড়ানোর আকুল আবেদন

খাদ্য সহায়তা পেয়ে উপকারভোগীরা জানান, পাহাড়ধস ও বন্যার কারণে ঘরে খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। এমন কঠিন সময়ে এই সহায়তা তাদের জন্য বড় স্বস্তির। এজন্য তারা পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং দুর্যোগ-পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রম জোরদারের দাবি জানান।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ শুধু তাৎক্ষণিক খাদ্য সংকট মোকাবিলাই নয়, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মনে নতুন আশার সঞ্চার করে। সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবে।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

রামগড়ে পালিত হলো বিশ্ব আদিবাসী দিবস – আদিবাসী মহিলাদের সঙ্গে পা মেলেন ভারতী ঘোষ

রাঙামাটিতে পাহাড়ধস ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১,৩০০ পরিবারের পাশে জেলা পরিষদ

সময়: ০২:৫৫:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

এম. এস. শ্রাবণ মাহমুদ, স্টাফ রিপোর্টার


টানা বৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসে বিপর্যস্ত রাঙামাটি পৌর এলাকার ১ হাজার ৩০০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ।

শুক্রবার (৭ আগস্ট ২০২৬) সকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বিশেষ বরাদ্দের আওতায় পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের তবলছড়ি এডিসি হিলস্থ ওমদামিয়া হিল পৌর জুনিয়র হাই স্কুল প্রাঙ্গণে এই খাদ্য সহায়তা বিতরণ করা হয়।

রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের পৌর এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্য মো. হাবীব আজমের বিশেষ বরাদ্দের অংশ হিসেবে এবং তাঁর সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

সংশ্লিষ্টরা জানান, সাম্প্রতিক দুর্যোগে বহু পরিবার বসতঘর হারিয়েছে, অনেকের ঘরবাড়ি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নিম্নআয়ের মানুষ কর্মহীন হয়ে চরম খাদ্য সংকটে পড়েছেন। তাদের তাৎক্ষণিক সংকট নিরসনেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি পৌর বিএনপির সভাপতি মো. শফিউল আজম শফি, সাধারণ সম্পাদক মো. মাহবুবুল বাসেত অপু, জেলা বিএনপির সহ-যুব বিষয়ক সম্পাদক মো. নুরনবীসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

এ সময় বক্তারা বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র ও জীবিকার উৎস হারিয়ে বহু পরিবার চরম দুর্ভোগে রয়েছে। এই কঠিন সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো মানবিক দায়িত্ব। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই মন্ত্রণালয়ের বিশেষ বরাদ্দে জেলা পরিষদ এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।

বক্তারা আরও জানান, শুধু ৪ নম্বর ওয়ার্ডেই নয়, পর্যায়ক্রমে রাঙামাটি পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত সব পরিবারের মাঝে ধারাবাহিকভাবে খাদ্য সহায়তা বিতরণ করা হবে, যাতে কোনো অসহায় পরিবার বঞ্চিত না হয়।

এদিকে বিপুলসংখ্যক উপকারভোগীর উপস্থিতিতেও যাতে কোনো বিশৃঙ্খলা না হয়, সেজন্য রাঙামাটি কোতোয়ালি থানা পুলিশ সার্বিক নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার দায়িত্ব পালন করে। সুশৃঙ্খল পরিবেশে লাইনে দাঁড়িয়ে সহায়তা গ্রহণ করেন উপকারভোগীরা। এ সময় তারা পুলিশের দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রশংসা করেন।

আরও পড়ুনঃ  বালীগাঁও বিপিএল সিজন-৫-এর উদ্বোধনী খেলা অনুষ্ঠিত

খাদ্য সহায়তা পেয়ে উপকারভোগীরা জানান, পাহাড়ধস ও বন্যার কারণে ঘরে খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। এমন কঠিন সময়ে এই সহায়তা তাদের জন্য বড় স্বস্তির। এজন্য তারা পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং দুর্যোগ-পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রম জোরদারের দাবি জানান।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ শুধু তাৎক্ষণিক খাদ্য সংকট মোকাবিলাই নয়, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মনে নতুন আশার সঞ্চার করে। সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবে।