
মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ, নদী ভাঙ্গন রোধ, খাল খনন কর্মসূচী সহ ষ্ট্রেডিয়ামের আবেদন
সাইফ উল্লাহ, স্টাফ রিপোর্টার:
সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামন কামরুল বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন জাতীয় সংসদ অধিবেশনে। এতে নির্বাচনী এলকা সহ হাওরাঞ্চলে প্রশংসিত হয়েছেন তিনি। হাওরাঞ্চলে জীবনমান উন্নয়নের চিন্তা করে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন। বুধবার (৮ জুলাই) সকালে জানাযায়, ধর্মপাশা, জামালগঞ্জ, তাহিপুর ও মধ্যনগর নিয়ে নির্বাচনী এলাকা। গতকাল ৭ জুলাই অধিবেশনে এমপি কামরুজ্জামান কামরুল (২২৪ সুনামগঞ্জ-১) বলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মহোদয় অনুগ্রহ করিয়া বলিবেন কি, ২৯ মে হইতে ২৮ জুন পর্যন্ত হাওরে মাছ ধরা নিষিদ্ধ করা হইয়াছে। ১ মাস হাওরে মাছ ধরিতে না পাইয়া অনেক মৎসজীবী কর্মহীন হইয়া পড়িবেন। সেই সময়টুকুতে কর্মহীন মৎস্যজীবীদের জন্য সরকার পক্ষ হইতে কোনো প্রকার প্রণোদনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হইবে কিনা; হইলে, তাহা কী?
মাননীয় মন্ত্রী, মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ: দেশীয় প্রজাতির মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি, জলজ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, মা মাছ ও রেণু পোনা নিধন এবং মাছের অবাধ প্রজনন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে হাওরে প্রতিবছর ২৯ মে হতে ২৮ জুন (১৫ জ্যৈষ্ঠ হতে ১৪ আষাঢ়) ৩০ দিন মাছ ধরা বন্ধ রাখার নিমিত্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
এই ৩০ দিন নিষিদ্ধকালীন হাওর অধ্যুষিত ০৭টি জেলায় নিবন্ধিত জেলেদের ভিজিএফ প্রদানের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এমপি কামরুজ্জামান কামরুল (২২৪ সুনামগঞ্জ-১): মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
মহোদয় অনুগ্রহ করিয়া বলিবেন কি, বর্তমান সরকার মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে হাওরে বিশেষ কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করিবে কিনা; করিলে, তাহা কী?
মাননীয় মন্ত্রী, মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ হাওরাঞ্চলে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে বর্তমান সরকার বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
দেশীয় প্রজাতির মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি, জলজ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, মা মাছ ও রেণু পোনা নিধন এবং মাছের অবাধ প্রজনন নিশ্চিতকরার লক্ষ্যে হাওর অধ্যুষিত ৭টি জেলায় প্রতিবছর ২৯ মে হতে ২৮ জুন (১৫ জ্যৈষ্ঠ হতে ১৪ আষাঢ়) ৩০ দিন মাছ ধরা বন্ধ রাখার নিমিত্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
মৎস্য অধিদপ্তর কর্তৃক “হাওর অঞ্চলে মৎস্যসম্পদ উন্নয়ন” শীর্ষক একটি প্রকল্প গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। প্রকল্পটির ওপর পরিকল্পনা কমিশনে পিইসি সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মৎস্য অধিদপ্তরাধীন ‘মৎস্য অধিদপ্তর কর্তৃক গৃহীতব্য উন্নয়ন প্রকল্পসমূহের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা প্রকল্প (২য় পর্যায়)’ এর আওতায় সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। প্রকল্পটি চূড়ান্ত অনুমোদনের নিমিত্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
এমপি কামরুজ্জামান কামরুল (২২৪ সুনামগঞ্জ-১): পানি সম্পদ মন্ত্রী মহোদয় অনুগ্রহ করিয়া বলিবেন কি, ২২৪, সুনামগঞ্জ-১ আসনে নদী ভাঙ্গন রোধে কোনো স্থায়ী প্রকল্প গ্রহণের পরিকল্পনা আছে কিনা; থাকিলে, তাহা কী?
মাননীয় মন্ত্রী মোঃ শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি: সুনামগঞ্জ জেলার নদী ভাঙ্গন রোধ ও হাওর এলাকার বন্যা প্রকোপ হ্রাস কল্পে একটি সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে। উক্ত সমীক্ষা অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে ডিপিপি প্রণয়ন করে নদী ভাঙ্গন রোধ ও আগাম বন্যার প্রকোপ হ্রাসে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
সুনামগঞ্জ জেলার বন্যার প্রকোপ হ্রাস কল্পে নদী ড্রেজিং ও খাল পুনঃখনন কাজ বাস্তবায়নে গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। উক্ত সমীক্ষার সুপারিশ অনুযায়ী “হাওর অঞ্চলের আগাম বন্যা ও সমন্বিত পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন (১ম পর্যায়)” শিরোনামে একটি প্রকল্প গ্রহণের বিষয়টি অনুমোদনের জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। উক্ত প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে মাননীয় সংসদ সদস্যের নির্বাচনী এলাকার নদী ভাঙন রোধ করা সম্ভবপর হবে।
মাননীয় মন্ত্রী, মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ: “জেলে নিবন্ধন ও পরিচয়পত্র প্রদান নির্দেশিকা Guidelines), ২০১৯” মোতাবেক সারাদেশে জেলের তালিকা যাচাই-বাছাই করে হালনাগাদকরণ বর্তমান নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ১৮ লক্ষ ৩ হাজার ৫৬৫ জন।
এমপি কামরুজ্জামান কামরুল (২২৪ সুনামগঞ্জ-১): যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী মহোদয় অনুগ্রহ করিয়া বলিবেন কি, শিশু, কিশোর ও যুবকদের খেলাধুলায় সুনামগঞ্জ-১ নির্বাচনী এলাকায় ক্রীড়া সংস্থার মাঠগুলি সংস্কার করিয়া স্টেডিয়াম নির্মাণের পরিকল্পনা রহিয়াছে কিনা; থাকিলে, তাহা কী?
সাইফ উল্লাহ 






















