Dhaka ০৮:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
পাবনা সদরের এমপির বিরুদ্ধে ‘কটূক্তির’ প্রতিবাদে ভাঙ্গুড়া উপজেলা ছাত্রদলের বিক্ষোভ, এনসিপি অবাঞ্ছিত ঘোষণা ডিম বোঝায় ট্রাকের দুর্ঘটনা,ডিম কুড়াতে সড়ক অবরোধ,সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫,অতিউৎসাহী হয়ে একাধিক বাসে দুর্বৃত্তদের আগুন এক মাসের সন্মানী ভাতা দেওয়ার ঘোষণা করলেন প্রধান মন্ত্রীর ত্রান তহবিলে : এ. কে. এম. ফজলুল হক মিলন “মেদুয়ারীতে বেহাল সড়ক, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ” বালিয়াডাঙ্গীতে বাবার বাড়ি থেকে এক গৃহবধুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার টানা ভারী বৃষ্টিতে চট্টগ্রামে আবারও জলাবদ্ধতা, জনদুর্ভোগ চরম চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৪০০ বোতল বিদেশি মদ জব্দ ভাঙ্গুড়ায় শরৎ নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গৌরবোজ্জ্বল সাফল্য: ট্যালেন্টপুলে ১২ ও সাধারণ গ্রেডে ১৬ জন বৃত্তি লাভ কুড়িগ্রামে ৩ দিনব্যাপী মা ও নবজাতকের যত্ন, কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্য ও কমিউনিটি এনগেজমেন্ট বিষয়ক প্রশিক্ষণের উদ্বোধন ৫ মিনিটে ২ গোল! সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা! আর্জেন্টিনা খেলেই লাস্ট ১০ মিনিট?
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

নীলারাম স্কুল অ্যান্ড কলেজে বার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্নে অসংখ্য বানান ভুল

  • Reporter Name
  • সময়: ০৭:৫৫:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৬৮ Time View

 

মোঃ বুলবুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: কুড়িগ্রাম সদরে অবস্থিত নীলারাম স্কুল এন্ড কলেজ জেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানে দশম শ্রেণির বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্নে অসংখ্য ভুল বানান নিয়ে চলছে সমালোচনা। তবে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছেন, প্রিন্ট মিসটেকের কারণে এই সমস্যা হয়েছে।

গত ২৪ ও ২৫ নভেম্বর প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক পরীক্ষায় দশম শ্রেণির বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পত্রে প্রশ্নে অসংখ্য বানান ভুল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আর সেই ভুল বানানের প্রশ্ন দিয়েই পরপর দুইটি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এটা নিয়ে ছাত্র ও অভিভাবক মাঝে শুরু হয় আলোচনা সমালোচনা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক অভিভাবক বলেন, নীলারাম স্কুল এন্ড কলেজে আগের মতো শিক্ষাব্যবস্থা নেই। এমন একটি প্রতিষ্ঠানে প্রশ্নপত্রে ভুল থাকা অমার্জনীয় অপরাধ। একটা প্রশ্নে এত ভুল হলে ছাত্রছাত্রীরা কী শিখবে? এখানকার শিক্ষকরা নিজেদের স্বার্থ দেখেন, মনোযোগ সহকারে প্রশ্নপত্র তৈরি করেন না। এর ফলে প্রশ্নে ভুল থেকে যায়। শিক্ষকরা এখন শ্রেণিকক্ষে পড়ালেখা বাদ দিয়ে নিজেদের বাসায় প্রাইভেট নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। এত বড় স্কুলে প্রশ্নপত্রে এত ভুল আমাদের ভাবিয়ে তুলেছে।

একাধিক ছাত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পরীক্ষার প্রশ্নে বানানগুলো বুঝতে আমাদের অনেক কষ্ট হয়েছে। প্রশ্নে এমনভাবে বানান ভুল যা আমাদের বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নীলারাম স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ পরমেস্বর চন্দ্র রায় বলেন, দুইটি পরীক্ষার পরে ভুলগুলো আমাদের চোখে পড়ে। প্রিন্ট মিসটেকের কারণে এই সমস্যা হয়েছে। আমি দেখার পর তিন সদস্য বিশিষ্ট পরীক্ষা কমিটির সাথে রাগারাগি করেছি। দুইটি পরীক্ষায় এই মিসটেক হয়েছে। পরবর্তীতে আর হবে না।

এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আব্দুর রব জানান, এটা আমার জানা নেই। আর আমরা তো প্রশ্ন তৈরি করি না। স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠান প্রশ্ন তৈরি করে পরীক্ষা নেয়। দায়িত্বের যারা ছিল তাদের এটা গাফিলতি। এটা কাঙ্খিত নয়। এই ধরনের প্রতিষ্ঠানের প্রশ্নের বানান ভুল তাহলে শিক্ষার্থীরা শিখবে কি? এটা দুঃখজনক বিষয়। আমি হেড স্যারকে বলবো সতর্ক থাকার জন্য। যাতে অন্য পরীক্ষায় আর এধরনের ভুল না হয়।

আরও পড়ুনঃ  উজানের ঢল ও ভারী বৃষ্টিতে তিস্তার পানি বৃদ্ধি, স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কা

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ শফিকুল ইসলাম জানান, বিষযটি আমার জানা নাই, প্রশ্নের কোন কপি থাকলে আমার হোয়াটসঅ্যাপে দেন, আমি দেখে ব্যবস্থা নিচ্ছি।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

পাবনা সদরের এমপির বিরুদ্ধে ‘কটূক্তির’ প্রতিবাদে ভাঙ্গুড়া উপজেলা ছাত্রদলের বিক্ষোভ, এনসিপি অবাঞ্ছিত ঘোষণা

নীলারাম স্কুল অ্যান্ড কলেজে বার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্নে অসংখ্য বানান ভুল

সময়: ০৭:৫৫:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫

 

মোঃ বুলবুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: কুড়িগ্রাম সদরে অবস্থিত নীলারাম স্কুল এন্ড কলেজ জেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানে দশম শ্রেণির বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্নে অসংখ্য ভুল বানান নিয়ে চলছে সমালোচনা। তবে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছেন, প্রিন্ট মিসটেকের কারণে এই সমস্যা হয়েছে।

গত ২৪ ও ২৫ নভেম্বর প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক পরীক্ষায় দশম শ্রেণির বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পত্রে প্রশ্নে অসংখ্য বানান ভুল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আর সেই ভুল বানানের প্রশ্ন দিয়েই পরপর দুইটি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এটা নিয়ে ছাত্র ও অভিভাবক মাঝে শুরু হয় আলোচনা সমালোচনা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক অভিভাবক বলেন, নীলারাম স্কুল এন্ড কলেজে আগের মতো শিক্ষাব্যবস্থা নেই। এমন একটি প্রতিষ্ঠানে প্রশ্নপত্রে ভুল থাকা অমার্জনীয় অপরাধ। একটা প্রশ্নে এত ভুল হলে ছাত্রছাত্রীরা কী শিখবে? এখানকার শিক্ষকরা নিজেদের স্বার্থ দেখেন, মনোযোগ সহকারে প্রশ্নপত্র তৈরি করেন না। এর ফলে প্রশ্নে ভুল থেকে যায়। শিক্ষকরা এখন শ্রেণিকক্ষে পড়ালেখা বাদ দিয়ে নিজেদের বাসায় প্রাইভেট নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। এত বড় স্কুলে প্রশ্নপত্রে এত ভুল আমাদের ভাবিয়ে তুলেছে।

একাধিক ছাত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পরীক্ষার প্রশ্নে বানানগুলো বুঝতে আমাদের অনেক কষ্ট হয়েছে। প্রশ্নে এমনভাবে বানান ভুল যা আমাদের বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নীলারাম স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ পরমেস্বর চন্দ্র রায় বলেন, দুইটি পরীক্ষার পরে ভুলগুলো আমাদের চোখে পড়ে। প্রিন্ট মিসটেকের কারণে এই সমস্যা হয়েছে। আমি দেখার পর তিন সদস্য বিশিষ্ট পরীক্ষা কমিটির সাথে রাগারাগি করেছি। দুইটি পরীক্ষায় এই মিসটেক হয়েছে। পরবর্তীতে আর হবে না।

এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আব্দুর রব জানান, এটা আমার জানা নেই। আর আমরা তো প্রশ্ন তৈরি করি না। স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠান প্রশ্ন তৈরি করে পরীক্ষা নেয়। দায়িত্বের যারা ছিল তাদের এটা গাফিলতি। এটা কাঙ্খিত নয়। এই ধরনের প্রতিষ্ঠানের প্রশ্নের বানান ভুল তাহলে শিক্ষার্থীরা শিখবে কি? এটা দুঃখজনক বিষয়। আমি হেড স্যারকে বলবো সতর্ক থাকার জন্য। যাতে অন্য পরীক্ষায় আর এধরনের ভুল না হয়।

আরও পড়ুনঃ  ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের আগে ন্যাটোর বিশাল অস্ত্র চুক্তির ঘোষণা

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ শফিকুল ইসলাম জানান, বিষযটি আমার জানা নাই, প্রশ্নের কোন কপি থাকলে আমার হোয়াটসঅ্যাপে দেন, আমি দেখে ব্যবস্থা নিচ্ছি।