Dhaka ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
মানবতার বাতিঘর ‘আল-মারকাজুল ইসলামী বাংলাদেশ’: শিক্ষা ও চিকিৎসায় অনন্য মানবিক পথচলা ময়মনসিংহ-২ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি মুহাম্মাদুল্লাহকে নিয়ে হুমকির অভিযোগ, নিন্দা ও প্রতিবাদ নরসিংদীর শিবপুরে পূজা উদযাপন পরিষদ এর উদ্যোগে মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বকশীগঞ্জে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবসে র‍্যালি ও আলোচনা বুড়িচংয়ে ভারতীয় নাগরিকসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক ৩৬ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত প্রাইভেটকার উদ্ধার ভেড়ামারার ১কেজি গাঁজাসহ এক মাদক কারবারিকে আটক চিটাগাং চেম্বারে গঠিত হচ্ছে ৫৭টি সাব কমিটি বগুড়ার চেলোপাড়া রেল সেতুতে বড় পরিবর্তন, হচ্ছে নতুন ওয়াকওয়ে ও গার্ডার সংস্কার! নরসিংদী জেলা কারাগারের নির্মাণ কাজ না করেই ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ১৫ কোটি টাকা বিল উত্তোলনের অভিযোগ সীমান্ত পাহাড়ার পাশাপাশি উদ্যোক্তা তৈরিতে বিজিবি,  সাপাহারে শুরু হলো মোবাইল সার্ভিসিং প্রশিক্ষণ
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার আগে কেন আর্থিক সক্ষমতার ওপর এত গুরুত্ব দিচ্ছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ?

  • Reporter Name
  • সময়: ১১:০৪:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৪ Time View

 

হাকিকুল ইসলাম খোকন,মোঃনাসির,বাপসনিউজ:


যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা বা গ্রিন কার্ডের আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে আর্থিক সক্ষমতা (Financial Self-Sufficiency) এখন আগের চেয়ে আরও বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। কর্তৃপক্ষের মূল লক্ষ্য হলো—দেশে প্রবেশের পর কোনো ব্যক্তি যেন সরকারি আর্থিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে না পড়েন। এ কারণে আবেদনকারীর আয়, সম্পদ, চাকরি, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং আর্থিক অবস্থা এখন নিবিড়ভাবে যাচাই করা হচ্ছে। খবর আইবিএননিউজ।

যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন আইনের “Public Charge” নীতির আওতায় কনস্যুলার কর্মকর্তা বা ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস (USCIS) আবেদনকারীর সামগ্রিক আর্থিক পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে দেখেন তিনি ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রে এসে নিজের খরচ বহন করতে পারবেন কি না। এজন্য ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, সম্পত্তির কাগজপত্র, বিনিয়োগ, নিয়মিত আয় এবং প্রয়োজনে স্পনসরের আর্থিক সক্ষমতার তথ্যও বিবেচনায় নেওয়া হয়।

অভিবাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধুমাত্র স্পনসর থাকলেই হবে না—অনেক ক্ষেত্রে আবেদনকারীর নিজস্ব আর্থিক ভিত্তিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে অভিবাসী ভিসা ও গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ দেখতে চায়, তারা যুক্তরাষ্ট্রে এসে দীর্ঘমেয়াদে স্বাবলম্বী থাকতে পারবেন কি না।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন “পাবলিক চার্জ” মূল্যায়ন সংক্রান্ত নীতিতে পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে, যার ফলে অভিবাসন কর্মকর্তারা আবেদনকারীর আর্থিক অবস্থা মূল্যায়নে আরও বিস্তৃত বিবেচনার সুযোগ পাচ্ছেন। এ কারণে আর্থিক নথিপত্র, আয়ের প্রমাণ এবং স্পনসরের কাগজপত্র সঠিকভাবে প্রস্তুত রাখা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

অভিবাসন আইনজীবীদের পরামর্শ, যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে আবেদনপত্র জমা দেওয়ার আগে নিজের আর্থিক তথ্য, কর রিটার্ন, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, চাকরির প্রমাণপত্র এবং স্পনসরের নথি ভালোভাবে প্রস্তুত রাখা উচিত। এতে ভিসা বা গ্রিন কার্ড আবেদন প্রক্রিয়ায় অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব বা জটিলতার ঝুঁকি কমে।

আরও পড়ুনঃ  পুকুরে বিষ দিয়ে ১০ লাখ টাকার মাছ নিধন
Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

মানবতার বাতিঘর ‘আল-মারকাজুল ইসলামী বাংলাদেশ’: শিক্ষা ও চিকিৎসায় অনন্য মানবিক পথচলা

যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার আগে কেন আর্থিক সক্ষমতার ওপর এত গুরুত্ব দিচ্ছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ?

সময়: ১১:০৪:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬

 

হাকিকুল ইসলাম খোকন,মোঃনাসির,বাপসনিউজ:


যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা বা গ্রিন কার্ডের আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে আর্থিক সক্ষমতা (Financial Self-Sufficiency) এখন আগের চেয়ে আরও বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। কর্তৃপক্ষের মূল লক্ষ্য হলো—দেশে প্রবেশের পর কোনো ব্যক্তি যেন সরকারি আর্থিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে না পড়েন। এ কারণে আবেদনকারীর আয়, সম্পদ, চাকরি, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং আর্থিক অবস্থা এখন নিবিড়ভাবে যাচাই করা হচ্ছে। খবর আইবিএননিউজ।

যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন আইনের “Public Charge” নীতির আওতায় কনস্যুলার কর্মকর্তা বা ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস (USCIS) আবেদনকারীর সামগ্রিক আর্থিক পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে দেখেন তিনি ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রে এসে নিজের খরচ বহন করতে পারবেন কি না। এজন্য ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, সম্পত্তির কাগজপত্র, বিনিয়োগ, নিয়মিত আয় এবং প্রয়োজনে স্পনসরের আর্থিক সক্ষমতার তথ্যও বিবেচনায় নেওয়া হয়।

অভিবাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধুমাত্র স্পনসর থাকলেই হবে না—অনেক ক্ষেত্রে আবেদনকারীর নিজস্ব আর্থিক ভিত্তিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে অভিবাসী ভিসা ও গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ দেখতে চায়, তারা যুক্তরাষ্ট্রে এসে দীর্ঘমেয়াদে স্বাবলম্বী থাকতে পারবেন কি না।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন “পাবলিক চার্জ” মূল্যায়ন সংক্রান্ত নীতিতে পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে, যার ফলে অভিবাসন কর্মকর্তারা আবেদনকারীর আর্থিক অবস্থা মূল্যায়নে আরও বিস্তৃত বিবেচনার সুযোগ পাচ্ছেন। এ কারণে আর্থিক নথিপত্র, আয়ের প্রমাণ এবং স্পনসরের কাগজপত্র সঠিকভাবে প্রস্তুত রাখা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

অভিবাসন আইনজীবীদের পরামর্শ, যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে আবেদনপত্র জমা দেওয়ার আগে নিজের আর্থিক তথ্য, কর রিটার্ন, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, চাকরির প্রমাণপত্র এবং স্পনসরের নথি ভালোভাবে প্রস্তুত রাখা উচিত। এতে ভিসা বা গ্রিন কার্ড আবেদন প্রক্রিয়ায় অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব বা জটিলতার ঝুঁকি কমে।

আরও পড়ুনঃ  ন্যাটোভুক্ত দেশে রাশিয়ার সীমিত হামলার আশঙ্কা, বলছে মার্কিন গোয়েন্দা