Dhaka ০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
বাংলাদেশ ক্বারী সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হলেন হাফেজ ক্বারী নাজমুল হাসান ঝিনাইদহে সামাজিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০ নরসিংদীতে হানি ট্র্যাপ চক্রের ৪ সদস্য ও কথিত কোর্ট কমিশনারসহ বিভিন্ন অপরাধে গ্রেফতার ৩৮ প্রাণী চিকিৎসা সেবায় বিশেষ অবদান রাখায় মরহুম কাজী মোফাজ্জল হোসেনকে মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান রামপালে ওয়ার্ল্ড ভিশনের বার্ষিক যুব সমাবেশ ও কুইজ অনুষ্ঠিত চট্টগ্রামে তীব্র গ্যাস সংকট, কারণ যা জানা গেল সাগরিকা ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে মাদ্রাসাছাত্রীর মৃত্যু চট্টগ্রামে অগ্রণী ব্যাংকের ভল্ট থেকে সাড়ে ৪ কোটি টাকা উধাওয়ের ঘটনায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি পাইকগাছায় ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা ও চোখের ছানি অপারেশন ক্যাম্প অনুষ্ঠিত বিশ্বম্ভরপুরে ৩০২ বোতল ইস্কাফ সিরাপ জব্দ, আটক ২ নারী
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

ডুমুরিয়ার টিপনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পরিত্যক্ত ভবনে চলছে কোমলমতি শিশুদের পাঠদান: নতুন ভবন তালাবদ্ধ ।

  • Reporter Name
  • সময়: ০৮:১৮:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
  • ৫৬ Time View

 

শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া খুলনা:


শুক্রবার ‌১৯ জুন ২০২৬

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার খর্নিয়া ইউনিয়নের ১৮ নং টিপনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জীবনের চরম ঝুঁকি নিয়ে পরিত্যক্ত ভবনে চলছে কোমলমতি শিশুদের পাঠদান। যেকোনো মুহূর্তে ছাদ ধসে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকলেও নিরুপায় হয়ে সেখানেই ক্লাস নিচ্ছেন শিক্ষকরা। অথচ পাশেই একটি নতুন দৃষ্টিনন্দন ভবন নির্মাণ কাজ শেষ করে দাঁড়িয়ে আছে। অভিযোগ উঠেছে, শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের অপেক্ষায় নতুন ভবনটি তালাবদ্ধ করে রাখা হয়েছে, যার খেসারত দিতে হচ্ছে খুদে শিক্ষার্থীদের।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টিপনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মূল ভবনটি বহু আগেই পরিত্যক্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়েছে। ছাদের প্লাস্টার খসে পড়ছে, দেয়ালে দেখা দিয়েছে বড় বড় ফাটল। একটু বৃষ্টি হলেই ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে। এমন জরাজীর্ণ ও বিপজ্জনক পরিস্থিতির মধ্যেই প্রতিদিন আতঙ্ক বুকে নিয়ে ক্লাস করতে বাধ্য হচ্ছে শিক্ষার্থীরা।

 

বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানান, নতুন ভবন তৈরি সম্পন্ন হয়েছে বেশ কিছুদিন আগেই। কিন্তু সেটি এখনো কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর বা উদ্বোধন করা হয়নি। নতুন ভবনটি ব্যবহারের অনুমতি না পাওয়ায় বাধ্য হয়েই তারা পরিত্যক্ত ভবনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ক্লাস নিচ্ছেন। যেকোনো সময় বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে এর দায় কে নেবে—তা নিয়ে শিক্ষকরাও আতঙ্কে আছেন।

কর্তৃপক্ষ যা বলছেন:এ বিষয়ে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

টিপনা ১৮ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রঞ্জিদা দাস বলেন: “আমরা প্রতিদিন এক বুক আতঙ্ক নিয়ে স্কুলে আসি। ক্লাসে বসার পর সবসময় ভয়ে থাকি—এই বুঝি ছাদের প্লাস্টার খসে শিশুদের মাথার ওপর পড়লো! সামান্য বৃষ্টি হলেই ছাদ বেয়ে পানি পড়ে বই-খাতা ভিজে যায়। নতুন ভবনটি একদম প্রস্তুত হয়ে আছে, অথচ চাবি না পাওয়ায় আমরা সেখানে ঢুকতে পারছি না। কোমলমতি শিশুদের এই কষ্ট আর ঝুঁকি আর নেওয়া যাচ্ছে না। আমরা দ্রুত এই নরকযন্ত্রণা থেকে মুক্তি চাই এবং অবিলম্বে নতুন ভবনে ক্লাস শুরু করার অনুমতি দাবি করছি।”

আরও পড়ুনঃ  এসএসসিতে শতভাগ পাস ৬৬৯ প্রতিষ্ঠানে, শূন্য পাস ৩১২টিতে

“আমরা প্রতিদিন এক বুক আতঙ্ক নিয়ে স্কুলে আসি। ক্লাসে বসার পর সবসময় ভয়ে থাকি—এই বুঝি ছাদের প্লাস্টার খসে শিশুদের মাথার ওপর পড়লো! সামান্য বৃষ্টি হলেই ছাদ বেয়ে পানি পড়ে বই-খাতা ভিজে যায়। নতুন ভবনটি একদম প্রস্তুত হয়ে আছে, অথচ চাবি না পাওয়ায় আমরা সেখানে ঢুকতে পারছি না। কোমলমতি শিশুদের এই কষ্ট আর ঝুঁকি আর নেওয়া যাচ্ছে না। আমরা দ্রুত এই নরকযন্ত্রণা থেকে মুক্তি চাই এবং অবিলম্বে নতুন ভবনে ক্লাস শুরু করার অনুমতি দাবি করছি।”

ডুমুরিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ সাইফুল ইসলাম গাজী বলেন: “টিপনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা আমাদের কাছে সবার আগে। নতুন ভবনটি কেন এখনো বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি, সে ব্যাপারে আমরা প্রকৌশল বিভাগের সাথে কথা বলছি। আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন বা অন্য কোনো আইনি জটিলতা থাকলে তা দ্রুত সমাধান করে যেন শিশুরা নতুন ভবনে ক্লাস শুরু করতে পারে, সেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

“টিপনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা আমাদের কাছে সবার আগে। নতুন ভবনটি কেন এখনো বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি, সে ব্যাপারে আমরা প্রকৌশল বিভাগের সাথে কথা বলছি। আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন বা অন্য কোনো আইনি জটিলতা থাকলে তা দ্রুত সমাধান করে যেন শিশুরা নতুন ভবনে ক্লাস শুরু করতে পারে, সেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মিজ সবিতা সরকার বলেন: “পরিত্যক্ত ভবনে শিশুদের ক্লাস নেওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং এটি কোনোভাবেই কাম্য নয়। নতুন ভবন তৈরি হয়ে থাকলে শুধু উদ্বোধনের জন্য সেটি আটকে রাখা ঠিক হবে না। আমি অনতিবিলম্বে শিক্ষা অফিসার ও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিচ্ছি যেন দ্রুততম সময়ের মধ্যে নতুন ভবনটি ক্লাসের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। শিশুদের নিরাপত্তাকে আমরা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেব।”

আরও পড়ুনঃ  এসএসসির ফলাফলে ছেলেদের চেয়ে এগিয়ে মেয়েরা, জিপিএ-৫-এও ব্যবধান

“পরিত্যক্ত ভবনে শিশুদের ক্লাস নেওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং এটি কোনোভাবেই কাম্য নয়। নতুন ভবন তৈরি হয়ে থাকলে শুধু উদ্বোধনের জন্য সেটি আটকে রাখা ঠিক হবে না। আমি অনতিবিলম্বে শিক্ষা অফিসার ও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিচ্ছি যেন দ্রুততম সময়ের মধ্যে নতুন ভবনটি ক্লাসের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। শিশুদের নিরাপত্তাকে আমরা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেব।”

খুলনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার অহিদুল আলম বলেন: “আমরা ডুমুরিয়ার এই বিদ্যালয়টির ব্যাপারে অবগত হয়েছি। উদ্বোধনের অপেক্ষায় নতুন ভবন পড়ে থাকবে আর শিশুরা ঝুঁকিতে থাকবে—এমনটা হতে দেওয়া যায় না। আমি স্থানীয় প্রশাসন ও উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে নির্দেশ দিয়েছি যেন আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কাটিয়ে দ্রুত নতুন ভবনে পাঠদান স্থানান্তরের ব্যবস্থা করা হয়। এ বিষয়ে কোনো ধরনের অবহেলা বরদাশত করা হবে না।”

“আমরা ডুমুরিয়ার এই বিদ্যালয়টির ব্যাপারে অবগত হয়েছি। উদ্বোধনের অপেক্ষায় নতুন ভবন পড়ে থাকবে আর শিশুরা ঝুঁকিতে থাকবে—এমনটা হতে দেওয়া যায় না। আমি স্থানীয় প্রশাসন ও উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে নির্দেশ দিয়েছি যেন আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কাটিয়ে দ্রুত নতুন ভবনে পাঠদান স্থানান্তরের ব্যবস্থা করা হয়। এ বিষয়ে কোনো ধরনের অবহেলা বরদাশত করা হবে না।”

ক্ষুব্ধ অভিভাবক ও খর্নিয়া ইউনিয়নের স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, কোনো আনুষ্ঠানিকতার তোয়াক্কা না করে অবিলম্বে যেন নতুন ভবনটি শিশুদের জন্য খুলে দেওয়া হয়। তারা চান না কোনো বড় দুর্ঘটনার পর প্রশাসনের ঘুম ভাঙুক।

 

 

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

বাংলাদেশ ক্বারী সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হলেন হাফেজ ক্বারী নাজমুল হাসান

ডুমুরিয়ার টিপনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পরিত্যক্ত ভবনে চলছে কোমলমতি শিশুদের পাঠদান: নতুন ভবন তালাবদ্ধ ।

সময়: ০৮:১৮:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

 

শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া খুলনা:


শুক্রবার ‌১৯ জুন ২০২৬

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার খর্নিয়া ইউনিয়নের ১৮ নং টিপনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জীবনের চরম ঝুঁকি নিয়ে পরিত্যক্ত ভবনে চলছে কোমলমতি শিশুদের পাঠদান। যেকোনো মুহূর্তে ছাদ ধসে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকলেও নিরুপায় হয়ে সেখানেই ক্লাস নিচ্ছেন শিক্ষকরা। অথচ পাশেই একটি নতুন দৃষ্টিনন্দন ভবন নির্মাণ কাজ শেষ করে দাঁড়িয়ে আছে। অভিযোগ উঠেছে, শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের অপেক্ষায় নতুন ভবনটি তালাবদ্ধ করে রাখা হয়েছে, যার খেসারত দিতে হচ্ছে খুদে শিক্ষার্থীদের।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টিপনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মূল ভবনটি বহু আগেই পরিত্যক্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়েছে। ছাদের প্লাস্টার খসে পড়ছে, দেয়ালে দেখা দিয়েছে বড় বড় ফাটল। একটু বৃষ্টি হলেই ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে। এমন জরাজীর্ণ ও বিপজ্জনক পরিস্থিতির মধ্যেই প্রতিদিন আতঙ্ক বুকে নিয়ে ক্লাস করতে বাধ্য হচ্ছে শিক্ষার্থীরা।

 

বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানান, নতুন ভবন তৈরি সম্পন্ন হয়েছে বেশ কিছুদিন আগেই। কিন্তু সেটি এখনো কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর বা উদ্বোধন করা হয়নি। নতুন ভবনটি ব্যবহারের অনুমতি না পাওয়ায় বাধ্য হয়েই তারা পরিত্যক্ত ভবনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ক্লাস নিচ্ছেন। যেকোনো সময় বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে এর দায় কে নেবে—তা নিয়ে শিক্ষকরাও আতঙ্কে আছেন।

কর্তৃপক্ষ যা বলছেন:এ বিষয়ে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

টিপনা ১৮ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রঞ্জিদা দাস বলেন: “আমরা প্রতিদিন এক বুক আতঙ্ক নিয়ে স্কুলে আসি। ক্লাসে বসার পর সবসময় ভয়ে থাকি—এই বুঝি ছাদের প্লাস্টার খসে শিশুদের মাথার ওপর পড়লো! সামান্য বৃষ্টি হলেই ছাদ বেয়ে পানি পড়ে বই-খাতা ভিজে যায়। নতুন ভবনটি একদম প্রস্তুত হয়ে আছে, অথচ চাবি না পাওয়ায় আমরা সেখানে ঢুকতে পারছি না। কোমলমতি শিশুদের এই কষ্ট আর ঝুঁকি আর নেওয়া যাচ্ছে না। আমরা দ্রুত এই নরকযন্ত্রণা থেকে মুক্তি চাই এবং অবিলম্বে নতুন ভবনে ক্লাস শুরু করার অনুমতি দাবি করছি।”

আরও পড়ুনঃ  বাবার নিখোঁজের ১৩ বছর পর এসএসসি পাস, সাদমানকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

“আমরা প্রতিদিন এক বুক আতঙ্ক নিয়ে স্কুলে আসি। ক্লাসে বসার পর সবসময় ভয়ে থাকি—এই বুঝি ছাদের প্লাস্টার খসে শিশুদের মাথার ওপর পড়লো! সামান্য বৃষ্টি হলেই ছাদ বেয়ে পানি পড়ে বই-খাতা ভিজে যায়। নতুন ভবনটি একদম প্রস্তুত হয়ে আছে, অথচ চাবি না পাওয়ায় আমরা সেখানে ঢুকতে পারছি না। কোমলমতি শিশুদের এই কষ্ট আর ঝুঁকি আর নেওয়া যাচ্ছে না। আমরা দ্রুত এই নরকযন্ত্রণা থেকে মুক্তি চাই এবং অবিলম্বে নতুন ভবনে ক্লাস শুরু করার অনুমতি দাবি করছি।”

ডুমুরিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ সাইফুল ইসলাম গাজী বলেন: “টিপনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা আমাদের কাছে সবার আগে। নতুন ভবনটি কেন এখনো বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি, সে ব্যাপারে আমরা প্রকৌশল বিভাগের সাথে কথা বলছি। আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন বা অন্য কোনো আইনি জটিলতা থাকলে তা দ্রুত সমাধান করে যেন শিশুরা নতুন ভবনে ক্লাস শুরু করতে পারে, সেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

“টিপনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা আমাদের কাছে সবার আগে। নতুন ভবনটি কেন এখনো বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি, সে ব্যাপারে আমরা প্রকৌশল বিভাগের সাথে কথা বলছি। আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন বা অন্য কোনো আইনি জটিলতা থাকলে তা দ্রুত সমাধান করে যেন শিশুরা নতুন ভবনে ক্লাস শুরু করতে পারে, সেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মিজ সবিতা সরকার বলেন: “পরিত্যক্ত ভবনে শিশুদের ক্লাস নেওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং এটি কোনোভাবেই কাম্য নয়। নতুন ভবন তৈরি হয়ে থাকলে শুধু উদ্বোধনের জন্য সেটি আটকে রাখা ঠিক হবে না। আমি অনতিবিলম্বে শিক্ষা অফিসার ও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিচ্ছি যেন দ্রুততম সময়ের মধ্যে নতুন ভবনটি ক্লাসের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। শিশুদের নিরাপত্তাকে আমরা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেব।”

আরও পড়ুনঃ  ম্যানেজিং কমিটিতে শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়নি, বহাল এনটিআরসিএর নিয়ম

“পরিত্যক্ত ভবনে শিশুদের ক্লাস নেওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং এটি কোনোভাবেই কাম্য নয়। নতুন ভবন তৈরি হয়ে থাকলে শুধু উদ্বোধনের জন্য সেটি আটকে রাখা ঠিক হবে না। আমি অনতিবিলম্বে শিক্ষা অফিসার ও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিচ্ছি যেন দ্রুততম সময়ের মধ্যে নতুন ভবনটি ক্লাসের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। শিশুদের নিরাপত্তাকে আমরা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেব।”

খুলনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার অহিদুল আলম বলেন: “আমরা ডুমুরিয়ার এই বিদ্যালয়টির ব্যাপারে অবগত হয়েছি। উদ্বোধনের অপেক্ষায় নতুন ভবন পড়ে থাকবে আর শিশুরা ঝুঁকিতে থাকবে—এমনটা হতে দেওয়া যায় না। আমি স্থানীয় প্রশাসন ও উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে নির্দেশ দিয়েছি যেন আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কাটিয়ে দ্রুত নতুন ভবনে পাঠদান স্থানান্তরের ব্যবস্থা করা হয়। এ বিষয়ে কোনো ধরনের অবহেলা বরদাশত করা হবে না।”

“আমরা ডুমুরিয়ার এই বিদ্যালয়টির ব্যাপারে অবগত হয়েছি। উদ্বোধনের অপেক্ষায় নতুন ভবন পড়ে থাকবে আর শিশুরা ঝুঁকিতে থাকবে—এমনটা হতে দেওয়া যায় না। আমি স্থানীয় প্রশাসন ও উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে নির্দেশ দিয়েছি যেন আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কাটিয়ে দ্রুত নতুন ভবনে পাঠদান স্থানান্তরের ব্যবস্থা করা হয়। এ বিষয়ে কোনো ধরনের অবহেলা বরদাশত করা হবে না।”

ক্ষুব্ধ অভিভাবক ও খর্নিয়া ইউনিয়নের স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, কোনো আনুষ্ঠানিকতার তোয়াক্কা না করে অবিলম্বে যেন নতুন ভবনটি শিশুদের জন্য খুলে দেওয়া হয়। তারা চান না কোনো বড় দুর্ঘটনার পর প্রশাসনের ঘুম ভাঙুক।