মো. হাবিবুর রহমান
কাউখালী (পিরোজপুর)
পিরোজপুরের কাউখালীতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পৃথক অভিযান চালিয়ে ইয়াবাসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে থানা পুলিশ। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে এক সন্দেহভাজন মাদকাসক্ত নদীতে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যান।
শনিবার (১৫ আগস্ট) রাত সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার আসপদ্দী বাসস্ট্যান্ড ও মহিলা ডিগ্রি কলেজ এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন কাউখালী থানার এসআই মহিউদ্দিন ও এসআই হাসানসহ সঙ্গীয় ফোর্স।
পুলিশ জানায়, সন্দেহজনক গতিবিধির কারণে মো. শাহীন খন্দকার (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে তল্লাশি করা হলে তাঁর কাছ থেকে পাঁচ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। শাহীন খন্দকার সাতুরিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের খন্দকার বাড়ির মো. আনোয়ার খন্দকারের ছেলে। তিনি বর্তমানে কাউখালীর মিজান বেকারির বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছেন।
অন্যদিকে, আসপদ্দী মহিলা ডিগ্রি কলেজসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে কলেজের পেছনের নৈশপ্রহরী সঞ্জীব দাস (৩৫)-কে শিক্ষকদের অফিসকক্ষে মাদক গ্রহণের সময় আটক করা হয়। তিনি মৃত নিরঞ্জন দাসের ছেলে এবং মহিলা ডিগ্রি কলেজসংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, আটক দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাতে কাউখালী দক্ষিণ বাজারের চরপন্তি এলাকায় মহিউদ্দিন খান নামে এক সন্দেহভাজন মাদকাসক্তকে আটক করতে অভিযান চালানো হয়।
এ সময় এএসআই মনোয়ার হোসেন তাকে আটক করতে গেলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মহিউদ্দিন নিজ বাড়ির পেছনের দরজা দিয়ে চিরাপাড়া নদীতে ঝাঁপ দেন। পরে এএসআই মনোয়ার হোসেনও নদীতে ঝাঁপ দিয়ে তাকে আটক করার চেষ্টা করেন। তবে শেষ পর্যন্ত তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
কাউখালী থানার ওসি মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, “গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ইয়াবাসহ একজনকে এবং মাদক গ্রহণের সময় আরও একজনকে আটক করা হয়েছে। মাদক নির্মূলে কাউখালী থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আটক দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
Reporter Name 


























